বিপিএল খেলে দেশে ফিরে মইন আলির চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত
আবু ধাবি টি-টেন টুর্নামেন্টের পর আইএল টি-টোয়েন্টি ও বিপিএল, একের পর এক টুর্নামেন্ট গত কয়েক মাস ব্যস্ত ছিলেন মইন আলি। ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটই মূলত এখন তার দুনিয়া। তবে সেখানে ইংল্যান্ডের ঘরোয়া ক্রিকেটের জায়গা হচ্ছে আবার। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে সরে দাঁড়ানোর আগের সিদ্ধান্ত পাল্টে নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন ৩৮ বছর বয়সী অলরাউন্ডার।
সিলেট টাইটান্সের হয়ে কদিন আগে বিপিএল খেলে যাওয়া মইন ইংল্যান্ডে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন ইয়র্কশায়ারের সঙ্গে। ঐতিহ্যবাহী দলটির হয়ে এবারের টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে খেলবেন তিনি। এছাড়া দা হান্ড্রেড টুর্নামেন্টের নিলামেও নাম তুলবেন আবার।
ইংলিশ ক্রিকেট সার্কিটে বেশ বড় চমকের জন্ম দিয়েছে মইনের এই প্রত্যাবর্তন।
গত বছর টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে ওয়ারউইকশায়ারের হয়ে আটটি ম্যাচ খেলেছিলেন মইন। তবে মাঝপথেই টুর্নামেন্ট ছেড়ে যান গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সের হয়ে গ্লোবাল সুপার লিগ ও পরে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লিগে খেলতে। দা হান্ড্রেড থেকেও নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি। ইংল্যান্ডের বোর্ডের অনাপত্তিপত্রের নীতি অনুযায়ী তখন ইংলিশ ক্রিকেট থেকে অবসরে যেতে হয় তাকে।
সেই সিদ্ধান্তই এখন আবার বদলে ফেললেন মইন। ইয়র্কশায়ার তার তৃতীয় কাউন্টি। দীর্ঘদিন খেলেছেন তিনি উস্টারশায়ারে। পরে বেছে নিয়েছিলেন ওয়ারউইকশায়ারকে।
২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের পর বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মইন। টি-টোয়েন্টি ব্লাস্ট শুরুর আগে তাকে দেখা যাবে পাকিস্তান সুপার লিগে।
ইয়র্কশায়ারে মইন সতীর্থ হিসেবে পাবেন তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ইংল্যান্ড দলে দীর্ঘদিনের সতীর্থ আদিল রাশিদ ও জনি বেয়ারস্টোকে।
চুক্তির পর মইনের কাছে এটিকে নতুন শুরু বলেই মনে হচ্ছে।
“হেডিংলিতে (ইয়র্কশায়ারের মাঠ) খেলতে সবসময়ই ভালোবাসি আমি। এখানকার উইকেট, আবহ, সমর্থকেরা, সব মিলিয়ে জায়গাটিতে বিশেষ করে তোলে। আমার জন্য এটি তরতাজা এক চ্যালেঞ্জ এবং ক্ষুধা নিয়েই সেখানে যাচ্ছি। আমার সব অভিজ্ঞতা সেখানে বয়ে নিতে চাই, নিজের ক্রিকেট উপভোগ করতে চাই, ইয়র্কশায়ারকে সহায়তা করতে চাই।”
টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে ১২৬ ম্যাচ খেলে ৩ সেঞ্চুরিতে ৩ হাজার ১৭৮ রান করেছেন মইন ১৪১.২৪ স্ট্রাইক রেটে, উইকেট নিয়েছেন ৯৯টি।