রোববার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৫ ১৪৩২, ২৯ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

চট্টগ্রাম নগরীতে ৩৩০ ‘দুষ্কৃতকারীকে’ নিষিদ্ধ ঘোষণা ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি তারেক রহমানের সঙ্গে নেপাল ও ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান ট্রাম্প ইরানকে ‘ধন্যবাদ’ জানালেন বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি না দেওয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যু: ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী খুনে গ্রেপ্তার ২ অপসাংবাদিকতার শিকার হয়েছি: মামুনুল হক ‘উপযুক্ত সময়ে’ ভেনেজুয়েলাকে নেতৃত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার মাচাদোর লন্ডনে ইরানের দূতাবাসের ছাদে ওঠা বিক্ষোভকারী গ্রেফতার ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ সামান্য সচল হয়েছে : নেটব্লকস নির্বাচন পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন সিলেটে তিন বাসের মধ্যে সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুজনের এবার টেকনাফ সীমান্তে মাইন পুঁতে রাখার অভিযোগ স্থানীয়দের গণহত্যা অস্বীকার, জাতিসংঘ আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন শুরু মিয়ানমারের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিরোধী দেশগুলোর ওপর নতুন শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

ইসলাম

ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হবে কিনা?

ইসলামিক রিসার্চ একাডেমি বাংলাদেশ, ঢাকা।

 আপডেট: ১২:৩১, ১২ মার্চ ২০২৩

ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হবে কিনা?

প্রশ্ন: আমাদের মা-বোনেরা ৩০ রোজা পূর্ণ করার জন্য ঔষুধ খেয়ে নিজেদের মাসিক বন্ধ রাখতে পারবে কিনা? এবং তার রোজার কি হুকুম।


উত্তর: মনে রাখতে হবে মাসিক হওয়া মহিলাদের একটি স্বাভাবিক নিয়ম। এটা মহিলাদের সুস্থ্যতা ও স্বাভাবিকতার নিদর্শন। এতে তাদের শরীর থেকে নাপাক ও ক্ষতিকর রক্তগুলো বেরিয়ে যায়। তাই ঔষুধ বা পিল খেয়ে হায়েজ বন্ধ রাখা উচিত নয়। এতে করে তার শারিরীক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। আল্লাহ তাআলা এ অবস্থায় মহিলাদের “মা’জুর” হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।

তাই এ দিন সমূহে নামায ও রোযা না করায় আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে কোন পাকড়াও নেই। নামায একেবারেই মাফ। যদিও রোযা রমজান পরবর্তীতে কাযা করে নিতে হবে। এতে করে সওয়াবের মাঝে কোন কমতি হয় না। তাই উচিত হলো এ স্বাভাবিকতাকে মেনে নেয়া। এভাবে ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে কোন মহিলা তার হায়েজের রক্ত আসার আগেই ঔষুধ খেয়ে হায়েজ বন্ধ করে দেয়। তার রক্ত না আসে। তাহলে তাকে পবিত্র ধরা হবে। সেই হিসেবে তার নামায ও রোযা সবই শুদ্ধ হবে। পরবর্তীতে আর সেসব নামায বা রোযার কাজা করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে যদি রক্ত শুরু হবার পর ঔষুধ খেয়ে বন্ধ করে দেয়, তাহলে অন্য মাসে যে কয়দিন হায়েজ আসতো, সেই কয়দিন হায়েজের মাঝেই গণ্য হবে। সেই কয়দিন রোযা রাখলেও রোযা হবে না। পরবর্তীতে কাযা করতে হবে। রক্ত আসার আগেই বন্ধ করে দিলে রোযা রাখা যেমন শুদ্ধ হবে, তেমনি তার কাযাও পরবর্তীতে আবশ্যক হবে না।


- রদ্দুল মুখতার ১/৩০৮