রোববার ২৯ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১৫ ১৪৩২, ১০ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

ময়মনসিংহে অবৈধভাবে মজুদ করা ২৪ হাজার লিটার জ্বালানি জব্দ চব্বিশকে স্বাধীনতার সমান করলে ‘বিপর্যয় হবে’: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী জ্বালানি সরবরাহে ডিপোতে নতুন সময়সূচি দিল বিপিসি ঈদের পর প্রবাসীদের কর্মস্থলে ফেরা কঠিন, ফ্লাইট বিপর্যয়ে দুর্ভোগ শুধু খার্গ নয়, যুক্তরাষ্ট্রের নজর ইরানের আরও সাত দ্বীপে সংসদে শব্দযন্ত্রের বিভ্রাট ‘অন্তর্ঘাত’ কি না, তদন্তে কমিটি এই পোশাকে পুলিশ সন্তুষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল হুতিরা ইরানিরা চার সপ্তাহ ধরে ‘ডিজিটাল অন্ধকারে’ সরকার বলছে সংকট নেই: পাম্প কোথাও বন্ধ, কোথাও লম্বা লাইন দেশের পেট্রল পাম্পে ‘ট্যাগ অফিসার’ নিয়োগের সিদ্ধান্ত দৌলত‌দিয়ায় বাসডু‌বি: চতুর্থ দি‌নেও উদ্ধার অ‌ভিযান চলছে প্রায় ৪০ দিনের ছুটি শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে রোববার বেড়েছে সোনার দাম, প্রতিভরি ২৩৭০১২ টাকা সৌদি আরবে বিমানঘাঁটিতে ইরানি হামলায় ১২ মার্কিন সেনা আহত নেপালের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি গ্রেপ্তার

ইসলাম

ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হবে কিনা?

ইসলামিক রিসার্চ একাডেমি বাংলাদেশ, ঢাকা।

 আপডেট: ১২:৩১, ১২ মার্চ ২০২৩

ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করে রোযা রাখলে রোযা হবে কিনা?

প্রশ্ন: আমাদের মা-বোনেরা ৩০ রোজা পূর্ণ করার জন্য ঔষুধ খেয়ে নিজেদের মাসিক বন্ধ রাখতে পারবে কিনা? এবং তার রোজার কি হুকুম।


উত্তর: মনে রাখতে হবে মাসিক হওয়া মহিলাদের একটি স্বাভাবিক নিয়ম। এটা মহিলাদের সুস্থ্যতা ও স্বাভাবিকতার নিদর্শন। এতে তাদের শরীর থেকে নাপাক ও ক্ষতিকর রক্তগুলো বেরিয়ে যায়। তাই ঔষুধ বা পিল খেয়ে হায়েজ বন্ধ রাখা উচিত নয়। এতে করে তার শারিরীক ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে। আল্লাহ তাআলা এ অবস্থায় মহিলাদের “মা’জুর” হিসেবে সাব্যস্ত করেছেন।

তাই এ দিন সমূহে নামায ও রোযা না করায় আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে কোন পাকড়াও নেই। নামায একেবারেই মাফ। যদিও রোযা রমজান পরবর্তীতে কাযা করে নিতে হবে। এতে করে সওয়াবের মাঝে কোন কমতি হয় না। তাই উচিত হলো এ স্বাভাবিকতাকে মেনে নেয়া। এভাবে ঔষুধ খেয়ে মাসিক বন্ধ করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে কোন মহিলা তার হায়েজের রক্ত আসার আগেই ঔষুধ খেয়ে হায়েজ বন্ধ করে দেয়। তার রক্ত না আসে। তাহলে তাকে পবিত্র ধরা হবে। সেই হিসেবে তার নামায ও রোযা সবই শুদ্ধ হবে। পরবর্তীতে আর সেসব নামায বা রোযার কাজা করার কোন প্রয়োজন নেই।

তবে যদি রক্ত শুরু হবার পর ঔষুধ খেয়ে বন্ধ করে দেয়, তাহলে অন্য মাসে যে কয়দিন হায়েজ আসতো, সেই কয়দিন হায়েজের মাঝেই গণ্য হবে। সেই কয়দিন রোযা রাখলেও রোযা হবে না। পরবর্তীতে কাযা করতে হবে। রক্ত আসার আগেই বন্ধ করে দিলে রোযা রাখা যেমন শুদ্ধ হবে, তেমনি তার কাযাও পরবর্তীতে আবশ্যক হবে না।


- রদ্দুল মুখতার ১/৩০৮