বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৮ ১৪৩২, ২৩ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

আওয়ামী লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল: রাষ্ট্রপতি এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে সংসদে বিরোধীদের ওয়াকআউট আশা করি সরকারি ও বিরোধী দল আলাদা হবে না: স্পিকারকে শফিকুর ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে এই সংসদকে মুক্ত করেছিলাম: নাহিদ যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত সাতজনের জন্যও শোক জানাল ত্রয়োদশ সংসদ বাহরাইনের জ্বালানি ট্যাংকে হামলা, বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান যাত্রা করল ত্রয়োদশ সংসদ কয়েক হাত দূর থেকে গুলি, প্রাণে বেঁচে গেলেন জম্মু-কাশ্মীরের ফারুক আব্দুল্লাহ তেল-গ্যাস নয়, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ভয় খাবার পানি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের কোনো সম্ভাবনা নেই ইরানের : ক্রীড়ামন্ত্রী ইরানের হামলায় ইরাকের কাছে জ্বলছে ২ তেলের ট্যাংকার ইরানি নেতৃত্বকে ‘দুইবার ধ্বংস’ করার দাবি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

 প্রকাশিত: ২৩:৫৭, ১৫ মে ২০২৫

তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টার সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলমান কার্যক্রম ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা বিষয়ে আলোচনা করতে আজ বিকেলে অন্তর্বর্তী সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা মো. মাহফুজ আলমের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। রাজধানীর তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

সাক্ষাতে উপদেষ্টা জানান, গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী বেশ কিছু সংস্কার কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সাংবাদিকদের দায়িত্ব ও সুরক্ষা-সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ প্রণয়নের বিষয়টিও সরকার গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছে।

তিনি আরও বলেন, গত জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের ঘটনাবলি নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে একাধিক প্রামাণ্যচিত্র ও প্রকাশনা তৈরি করা হয়েছে, যা গণমাধ্যমে প্রচারিত হচ্ছে। আগামী ৫ আগস্ট উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে নতুন প্রামাণ্যচিত্র ও প্রকাশনার কাজ চলছে।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা প্রসঙ্গে উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং এ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করছে না।”

সাক্ষাতে ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, চলতি বছরে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে বাংলাদেশের অবস্থানের উন্নতি হয়েছে, যা প্রশংসনীয়। এ অর্জনের জন্য তিনি বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। ব্রিটিশ হাইকমিশনার তার দেশের গণমাধ্যমে স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেন এবং বাংলাদেশের গণমাধ্যম উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।