বুধবার ১৪ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ৩০ ১৪৩২, ২৫ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

বাংলাদেশের সঙ্গে যোগাযোগের সব চ্যানেল খোলা: ভারতের সেনাপ্রধান চতুর্থ দিনে আপিল মঞ্জুর ৫৩ জনের, না মঞ্জুর ১৭ চুয়াডাঙ্গায় সেই অভিযানে যাওয়া সব সেনা সদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি মোবাইল আমদানিতে শুল্ক কমল, দামি স্মার্টফোনে ৫৫০০ টাকা কমার আশা টেকনাফে গুলিবিদ্ধ শিশু: ঢাকায় মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে তলব বাংলাদেশের অবস্থান বদলাতে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূতের পদত্যাগের ঘোষণা ‘প্লট দুর্নীতি’: হাসিনা, টিউলিপ, রূপন্তীর মামলার রায় ২ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ এশীয় উচ্চশিক্ষা সম্মেলন শুরু, প্রধান উপদেষ্টার উদ্বোধন কিশোরগঞ্জ-২: রঞ্জন জামায়াতে, ছেলে খেলাফতে, মুক্তিযোদ্ধা ভাই স্বতন্ত্র শাবিতে নির্বাচন হবে? রাতভর বিক্ষোভ ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য করা দেশগুলোর ওপর ২৫% শুল্ক চাপালেন ট্রাম্প ট্রাম্প প্রশাসন এখনও ইরানের ওপর হামলার কথা বিবেচনা করছে ভারতে এই প্রথম আফগান দূতাবাসের দায়িত্বে তালেবান কূটনীতিক যুক্তরাষ্ট্র ‘যেকোনো উপায়ে’ গ্রিনল্যান্ড দখলে নেবে: ট্রাম্প ১১৬ রাজনৈতিক বন্দিকে মুক্তি দিয়েছে ভেনেজুয়েলা সরকার

আন্তর্জাতিক

বাশারের বাবা হাফিজের কবরে আগুন

 প্রকাশিত: ১০:৪৬, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

বাশারের বাবা হাফিজের কবরে আগুন

সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বাবা হাফিজ আল-আসাদের কবর জ্বালিয়ে দিয়েছে সে দেশের বিদ্রোহীরা। 

হাফিজ আল-আসাদও স্বৈরশাসক ছিলেন। হাফিজ ২০০০ হাজার সালে মারা যাওয়ার পর বাশার আল-আসাদ ক্ষমতায় বসেন।

বিদ্রোহীরা আগুন দেওয়ার ঘটনার বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবিতে দেখা গেছে পশ্চিম লাতকিয়া প্রদেশে হাফিজ আল-আসাদের জ্বলন্ত কবরের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী যোদ্ধা।

সেই সময় হাফিজের কবরের একাংশ দাউ দাউ করে জ্বলছিল। এই সময় একটি কফিনেও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ধারনা করা হচ্ছে, কফিনটি ওই কবর থেকে তুলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

বাশারের বাবা হাফিজ ২০০০ সালে মারা যাওয়ার পর তাকে পৈত্রিক ভিটা কারদাহাতে কবর দেওয়া হয়। তিনি ১৯৭১ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সিরিয়া শাসন করেন।

গত ৮ ডিসেম্বর রোববার সিরিয়ার বিদ্রোহীরা রাজধানী দামেস্ক দখল করে নেয়। এর আগে ধারাবাহিক অভিযানে বিদ্রোহীরা সিরিয়ার বড় বড় শহরগুলো একের পর এক দখল করে নেয়।

বিদ্রোহীরা চারদিক থেকে রাজধানী দামেস্ক ঘিরে ফেললে বাশার আল আসাদ তার পরিবারসহ ব্যক্তিগত বিমানে রাশিয়ায় আশ্রয় নেয়।