বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১৬ ১৪৩২, ১০ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

জালিয়াতিতে বাংলাদেশ বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন: প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচন সামনে রেখে মানবাধিকার সুরক্ষার আহ্বান অ্যামনেস্টির আরেক মামলায় এস আলম ও পি কে হালদারের বিচার শুরু হাদি হত্যা: ফয়সালের ‘ঘনিষ্ঠ সহযোগী’ রুবেল ফের ৩ দিনের রিমান্ডে কূটনৈতিক সম্পর্কে অবনতি হলেও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবারহ বাড়িয়েছে আদানি রোডম্যাপ অনুসারে হজের সব কার্যক্রম এগিয়ে যাচ্ছে: ধর্ম উপদেষ্টা ৫০তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা স্থগিত চেয়ে রিট আবেদন ভারত থেকে বেনাপোলে এল ৫১০ টন চাল, কেজি ৫০ টাকা নিয়োগ সুপারিশ পেলেন সাড়ে ১১ হাজার প্রার্থী, খালি থাকছে এমপিওভুক্ত শিক্ষকের অর্ধলক্ষাধিক পদ শ্রমিক নেতা বাসু হত্যা মামলায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড জনগণ যাকে নির্বাচিত করবে তার সঙ্গেই কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র সাংবাদিক আনিস আলমগীর এবার দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার টেকনাফে পাহাড়ে কাজ করতে যাওয়া ৬ কৃষক ‘অপহৃত’ খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে ভারতের রাজ্যসভা ভারতে বিমান দুর্ঘটনায় মহারাষ্ট্রের উপমূখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার নিহত যুক্তরাষ্ট্রে তীব্র শীতকালীন ঝড়ে ৩৮ জনের মৃত্যু ভেনেজুয়েলার জব্দ অর্থ ছাড়ছে যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনের যাত্রীবাহী ট্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলা, নিহত ১২

আন্তর্জাতিক

বাশারের বাবা হাফিজের কবরে আগুন

 প্রকাশিত: ১০:৪৬, ১২ ডিসেম্বর ২০২৪

বাশারের বাবা হাফিজের কবরে আগুন

সিরিয়ার ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের বাবা হাফিজ আল-আসাদের কবর জ্বালিয়ে দিয়েছে সে দেশের বিদ্রোহীরা। 

হাফিজ আল-আসাদও স্বৈরশাসক ছিলেন। হাফিজ ২০০০ হাজার সালে মারা যাওয়ার পর বাশার আল-আসাদ ক্ষমতায় বসেন।

বিদ্রোহীরা আগুন দেওয়ার ঘটনার বেশ কয়েকটি ছবি প্রকাশ করেছেন। ছবিতে দেখা গেছে পশ্চিম লাতকিয়া প্রদেশে হাফিজ আল-আসাদের জ্বলন্ত কবরের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী যোদ্ধা।

সেই সময় হাফিজের কবরের একাংশ দাউ দাউ করে জ্বলছিল। এই সময় একটি কফিনেও আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। ধারনা করা হচ্ছে, কফিনটি ওই কবর থেকে তুলে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

বাশারের বাবা হাফিজ ২০০০ সালে মারা যাওয়ার পর তাকে পৈত্রিক ভিটা কারদাহাতে কবর দেওয়া হয়। তিনি ১৯৭১ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সিরিয়া শাসন করেন।

গত ৮ ডিসেম্বর রোববার সিরিয়ার বিদ্রোহীরা রাজধানী দামেস্ক দখল করে নেয়। এর আগে ধারাবাহিক অভিযানে বিদ্রোহীরা সিরিয়ার বড় বড় শহরগুলো একের পর এক দখল করে নেয়।

বিদ্রোহীরা চারদিক থেকে রাজধানী দামেস্ক ঘিরে ফেললে বাশার আল আসাদ তার পরিবারসহ ব্যক্তিগত বিমানে রাশিয়ায় আশ্রয় নেয়।