বৃহস্পতিবার ১২ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৮ ১৪৩২, ২৩ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

আওয়ামী লীগ দেশকে দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন বানিয়েছিল: রাষ্ট্রপতি এই সংসদ বাংলাদেশের জনগণের: প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া সংসদে থাকলে সবচেয়ে বেশি খুশি হতেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে সংসদে বিরোধীদের ওয়াকআউট আশা করি সরকারি ও বিরোধী দল আলাদা হবে না: স্পিকারকে শফিকুর ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে এই সংসদকে মুক্ত করেছিলাম: নাহিদ যুদ্ধাপরাধে দণ্ডিত সাতজনের জন্যও শোক জানাল ত্রয়োদশ সংসদ বাহরাইনের জ্বালানি ট্যাংকে হামলা, বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান যাত্রা করল ত্রয়োদশ সংসদ কয়েক হাত দূর থেকে গুলি, প্রাণে বেঁচে গেলেন জম্মু-কাশ্মীরের ফারুক আব্দুল্লাহ তেল-গ্যাস নয়, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ভয় খাবার পানি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের কোনো সম্ভাবনা নেই ইরানের : ক্রীড়ামন্ত্রী ইরানের হামলায় ইরাকের কাছে জ্বলছে ২ তেলের ট্যাংকার ইরানি নেতৃত্বকে ‘দুইবার ধ্বংস’ করার দাবি ট্রাম্পের

জাতীয়

মামুন হত্যা

আদালত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডিএমপি কমিশনারকে চিঠি

 প্রকাশিত: ১৮:৪০, ১১ নভেম্বর ২০২৫

আদালত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ডিএমপি কমিশনারকে চিঠি

ঢাকার আদালত পাড়ার অদূরে দিনে দুপুরে এক আসামি হত্যাকাণ্ডের পর আদালত এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এ চিঠি পাঠান বলে জানিয়েছেন মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতের নাজির আবুল হাসান কানন।

২৮ বছর আগের এক মামলায় হাজিরা দিতে সোমবার ঢাকার আদালতে আসেন এক সময়ের ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ তারিক সাইফ মামুন। ফেরার পথে আদালতের কাছে ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের ফটকের সামনে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়।

মামুনকে প্রকাশ্যে মেরে ফেলার কথা উল্লেখ করে পুলিশকে দেওয়া চিঠিতে বলা হয়েছে, “তিনি আদালতে একজন বিচারপ্রার্থী হিসেবে সংশ্লিষ্ট একটি আদালতে হাজিরা প্রদান করে বাড়ি ফেরার সময় কোর্ট আঙিনার পাশে তাকে হত্যা করা হয়। এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, আদালত প্রাঙ্গণ এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থা খুবই নাজুক।”

বিচারক মোস্তাফিজুর রহমান চিঠিতে বলেছেন, ঢাকার আদালতপাড়ায় মহানগর হাকিমের ৩৭টি আদালত বিচার কার্যক্রম পরিচালনা করে। ঢাকা মহানগরীর ৫০টি থানার বিভিন্ন ধরনের মামলা পরিচালনার দায়িত্বে যারা আছেন, সেসব বিচারকদের রোজকার কার্যক্রম সম্পাদনে নিরাপত্তার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

“বিচারকরা এজলাসে বিচারকার্য সম্পন্ন করে খাস কামরায় বিভিন্ন মামলার আদেশ ও রায় লেখার কাজ করে থাকেন। এর ফলে তাদেরকে বাসায় ফিরতে প্রতিদিন প্রায় সন্ধ্যা হয়ে থাকে। এ আদালত ভবন এলাকা ও প্রাঙ্গণের রাস্তায় বিভিন্ন ভ্রাম্যমাণ দোকান, যানবাহন যত্রতত্রভাবে পরিচালনা করা হয়। এটি আদালত সংশ্লিষ্ট সকলের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।”

আদালতে প্রতিদিন হাজার হাজার বিচারপ্রার্থী ছাড়াও আইনজীবী ও তাদের সহকারী, বিভিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য, সাংবাদিকসহ অসংখ্য মানুষের সমাগম ঘটে উল্লেখ করে চিঠিতে ‘বর্তমান পরিস্থিতি’ এবং নাজুক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আদালত এলাকায় সবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে অনুরোধ করা হয়েছে।