সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৪ ১৪৩২, ২৮ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ঢাকা-১৭ রেখে বগুড়া-৬ ছেড়ে দিলেন তারেক রহমান ওমরাহ শেষে সৌদি আরবের সড়কে প্রাণ গেল ৫ বাংলাদেশির নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য ৩৭ বাড়ি প্রস্তুত, প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কোথায় নির্বাচনে প্রচারণা ব্যয়ের সীমা লঙ্ঘন, শীর্ষে বিএনপি: টিআইবি পুরোনো জীবনে ফিরে যাবো, লেখালেখি করবো: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা অবশেষে জুলাই সনদে স্বাক্ষর করছে এনসিপি শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি নাসার নজরুলের স্ত্রীর ৫ কোটি ২৯ লাখ টাকার জমি জব্দ ভারতে এআই সম্মেলন শুরু, নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় তেলের গুদাম ক্ষতিগ্রস্ত মঙ্গলবার শেষ হচ্ছে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ, সচিবালয়ে বিদায়ের সুর পিরোজপুরে বিএনপি নেতা ও ভাতিজাকে কুপিয়ে জখম নাটোরে মারপিট-ভাঙচুরের অভিযোগে বিএনপি সমর্থককে পিটুনি

জাতীয়

সরকারের লক্ষ্য হাসিনাকে এনে বিচার করা: প্রেস সচিব

 প্রকাশিত: ২০:৫৬, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫

সরকারের লক্ষ্য হাসিনাকে এনে বিচার করা: প্রেস সচিব

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, ভারতে পালিয়ে থাকা সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে এনে বিচার করা অন্তর্বর্তী সরকারের মূল লক্ষ্যগুলোর মধ্যে একটি। মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

শেখ হাসিনাকে ফেরত আনা এবং তার বিচার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব বলেন, কিছুদিন আগে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের যে রিপোর্ট হয়েছে, তাতে স্পষ্ট তিনি (শেখ হাসিনা) কী ধরনের অপরাধ করেছেন। তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এটা বড় ধরনের অপরাধ।

শফিকুল আলম বলেন, জাতিসংঘ ও কিছু-কিছু মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টের পর অনেক চাপ তৈরি হয়েছে। এই চাপের একটা নমুনা দেখেছেন, ইন্ডিয়া টুডের জরিপে দেখা গেছে, ৫৫ শতাংশ চায় শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠাতে। কিছু শতাংশ চাচ্ছে তাকে অন্য দেশে পাঠাতে। মাত্র ১৬-১৭ শতাংশ মানুষ চায় শেখ হাসিনাকে ভারতে রাখতে।

হাসিনাকে ফেরত এনে সশরীরে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো সরকারের প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে একটি বলে জানান তিনি। আওয়ামী লীগের আগামী নির্বাচনের অংশগ্রহণ নিয়ে সরকারের চিন্তা-ভাবনা জানতে চাইলে শফিকুল আলম বলেন, আমরা বারবার বলেছি, এই বিষয়ে দেশের জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে।  

তিনি বলেন, আমাদের একটাই কথা, আওয়ামী লীগের যে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িত, এর আগে গুম-খুনে জড়িত, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত, তাদের সবার বিচার হবে। এটা হওয়ার পর দেশের মানুষ ও রাজনৈতিক দলগুলো সিদ্ধান্ত নেবে আওয়ামী লীগের বিষয়ে তারা কি ভাবছে।