বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ৪ ১৪৩২, ৩০ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সৌদি আরবে শুক্রবার ঈদ উদযাপন করা হবে। নীলসাগর এক্সপ্রেস বগুড়ায় লাইনচ্যুত, অর্ধশতাধিক যাত্রী আহত তিন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড বিতরণ করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিশ্বের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্রে ইসরায়েলের হামলা অভিবাসী তাড়াতে এবার প্রণোদনার ঘোষণা ট্রাম্প প্রশাসনের ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় নিহত ১ ইসরাইলের হয়ে গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যের নৌপরিবহন নিয়ে জরুরি বৈঠকে জাতিসংঘ সংস্থা প্রধান জামাত ঈদগাহে, বায়তুল মোকাররমে ৫ জামাত রোজার ঈদ কবে? চাঁদ দেখা কমিটি বসছে বৃহস্পতিবার ঈদ যাত্রা: অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে ঢাকা ছাড়ছে ট্রেন সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় আহত বাংলাদেশির মৃত্যু ইরানে আটকে পড়া বাংলাদে‌শিদের ফেরানো হচ্ছে ইরান যুদ্ধে সাহায্য না করে নেটো বোকার মতো ভুল করছে: ট্রাম্প

অর্থনীতি

আট মাস পর মূল্যস্ফীতি ফের ৯ শতাংশের ঘরে

 প্রকাশিত: ১৮:৫৫, ৮ মার্চ ২০২৬

আট মাস পর মূল্যস্ফীতি ফের ৯ শতাংশের ঘরে

খাদ্যপণ্যের দাম বাড়তে থাকায় আটমাস পর ফের ৯ শতাংশের ঘরে পৌঁছাল মূল্যস্ফীতি।

টানা চতুর্থ মাস বেড়ে ফেব্রুয়ারি মাসে পয়েন্ট টু পয়েন্ট ভিত্তিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে, যা গতবছরের ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।

৯ দশমিক ১৩ শতাংশ মূল্যস্ফীতির হার দিয়ে বোঝায়, গত বছর ফেব্রুয়ারি মাসে যে পণ্য বা সেবা ১০০ টাকায় মিলেছে, তা চলতি বছরের জানুয়ারিতে পেতে খরচ করতে হয়েছে ১০৯ টাকা ১৩ পয়সা।

মূল্যস্ফীতির এই হার গতবছরের এপ্রিলের পর সর্বোচ্চ। ওই সময় এ হার ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। মে মাসে তা কমে ৯ দশমিক ০৫ শতাংশ হয়েছিল।

এরপর তা কমতে কমতে গতবছর অক্টোবর মাসে ৮ দশমিক ১৭ শতাংশে নেমে এসেছিল, যা ৩৯ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম।

এরপর থেকে ফের ঊর্ধ্বমুখী মূল্যস্ফীতির পারদ। গতবছর নভেম্বরে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ, ডিসেম্বরে ৮ দশমিক ৪৯ শতাংশের পর জানুয়ারিতে এই হার ৮ দশমিক ৫৮ শতাংশে পৌঁছায়। ফেব্রুয়ারিতে তা এক লাফে ৯ শতাংশ ছাড়িয়ে গেল।

রোববার প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ তথ্য বলছে, ফেব্রুয়ারিতে খাদ্য খাতে মূল্যস্ফীতির হার দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশে যা এক মাস আগে জানুয়ারিতেও ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ ছিল।

অর্থাৎ, মাসের ব্যবধানে এ সূচক বেড়েছে ১ দশমিক ০১ শতাংশ পয়েন্ট। তাতেই সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়েছে বেশ।

খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতির হারও ফেব্রুয়ারিতে বেড়েছে। এ খাতে মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ০১ শতাংশে, যা জানুয়ারিতে ছিল ৮ দশমিক ৮১ শতাংশ।

ফেব্রুয়ারিতে গ্রামাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ২১ শতাংশে, যা জানুয়ারিতে ৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ ছিল।

অন্যদিকে, শহরাঞ্চলে সার্বিক মূল্যস্ফীতি জানুয়ারির ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ থেকে বেড়ে ৯ দশমিক ০৭ শতাংশ হয়েছে। এর মূলে রয়েছে শহরে খাদ্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া।

ফেব্রুয়ারিতে শহরাঞ্চলে খাদ্যখাতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে হয়েছে ৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ, যা জানুয়ারিতে ৮ দশমিক ৬১ শতাংশ ছিল। অর্থ্যাৎ মাসের ব্যবধানে বেড়েছে ১ দশমিক ২৬ শতাংশ পয়েন্ট।

আর, খাদ্যবহির্ভূত খাতে মূল্যস্ফীতি সামান্য বেড়ে জানুয়ারির ৮ দশমিক ৫৪ শতাংশ থেকে ফেব্রুয়ারিতে ৮ দশমিক ৫৭ শতাংশ হয়েছে।

মূল্যস্ফীতি বাড়ায় খেটে খাওয়া মানুষের পকেটের ওপর চাপ বাড়লেও মজুরি হারের সূচকে কোনো সুখবর নেই।

সার্বিক মূল্যস্ফীতির হার যেখানে ৯ দশমিক ১৩, সেখানে ফেব্রুয়ারি মজুরি বৃদ্ধির হার ৮ দশমিক ০৬ শতাংশ। যা আগের জানুয়ারি মাসের তুলনায়ও কম। ওই মাসে মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক ০৮ শতাংশ।

এর অর্থ হল, জীবযাত্রার ব্যয় যে হারে বাড়ছে, মানুষের আয় সেভাবে বাড়ছে না। উল্টো আগের তুলনায় কমছে।