আইসিসির ‘দ্বৈত নীতি’র শিকার বাংলাদেশ: শহীদ আফ্রিদি
নিরাপত্তা ইস্যুতে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশের বাদ পড়া এবং স্কটল্যান্ডের অন্তর্ভুক্তির সিদ্ধান্ত বিশ্ব ক্রিকেটে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। আইসিসির এই সিদ্ধান্তকে 'অসংগতিপূর্ণ' ও 'দ্বৈত নীতি' হিসেবে আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে শহীদ আফ্রিদি আইসিসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি লেখেন, ‘বাংলাদেশ ও আইসিসি ইভেন্টে অংশ নেওয়া একজন সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে আমি হতাশ।
২০২৫ সালে পাকিস্তানের মাটিতে ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগকে আইসিসি গুরুত্ব দিলেও বাংলাদেশের ক্ষেত্রে একই আবেদন তারা প্রত্যাখ্যান করল। বাংলাদেশের খেলোয়াড় ও সমর্থকরা সম্মান পাওয়ার যোগ্য, দ্বৈত নীতির শিকার হওয়া নয়।’
পাকিস্তানের ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) প্রধান মহসিন নকভিও বাংলাদেশের সাথে অন্যায় করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন। লাহোরে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আইসিসি বোর্ড মিটিংয়েও আমি বলেছি যে আপনি একই টুর্নামেন্টে দুই দেশের জন্য দুই রকম নীতি রাখতে পারেন না।
একটি দেশ চাইলে যেকোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারে, অথচ অন্য দেশের ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ উল্টো আচরণ করা হয়।’
এর আগে বাংলাদেশ প্রস্তাব দিয়েছিল তাদের ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় আয়োজন করতে। কিন্তু আইসিসি সেই অনুরোধ নাকচ করে জানায়, বাংলাদেশের জন্য ভারতে কোনো ‘বিশ্বাসযোগ্য বা যাচাইযোগ্য’ নিরাপত্তা হুমকি নেই। এছাড়া টুর্নামেন্ট শুরু হতে অল্প সময় বাকি থাকায় সূচি পরিবর্তন সম্ভব নয় বলেও জানায় সংস্থাটি।
উল্লেখ্য, গত বছর চ্যাম্পিয়নস ট্রফিতে ভারতের আপত্তির মুখে হাইব্রিড মডেলে দুবাইয়ে খেলা আয়োজন করেছিল আইসিসি। কিন্তু বাংলাদেশের ক্ষেত্রে সেই একই নীতি প্রয়োগ না করায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে।