শনিবার ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৯ ১৪৩২, ০৪ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

গণমাধ্যমের অভিভাবক হওয়ার দায়িত্ব আমার: তথ্যমন্ত্রী মোংলা-খুলনা রেলপথে একাধিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: মন্ত্রী নাগরিক কমিটিকে সম্পৃক্ত করে টিসিবির কার্যক্রম স্বচ্ছ করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় গ্যাস লরির সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৫ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিন: বৃক্ষরোপণ ও ডাকটিকিট অবমুক্ত ছুটির দিনে প্রথমবার তেজগাঁওয়ে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’-এর শপথের কোনো প্রয়োজন নেই: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রুমিন ইরানে সীমিত আকারে হামলা হতে পারে, জানালেন ট্রাম্প আদালতের তিরস্কারের পর ট্রাম্পের ১০% শুল্ক ঘোষণা ইতিহাসে প্রথমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরের শ্রদ্ধা একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা দেশজুড়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ, মানুষের ঢল মৌলভীবাজারে পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩ প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত ৩

আন্তর্জাতিক

২৮ বছর পর হারানো ভূমিতে ফেরার স্বপ্ন আজারি মুসলমানদের

 প্রকাশিত: ২০:০২, ১৭ নভেম্বর ২০২০

২৮ বছর পর হারানো ভূমিতে ফেরার স্বপ্ন আজারি মুসলমানদের

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সীমান্তে তুমুল যুদ্ধে বিজয় লাভ করে দীর্ঘ ২৮ বছর পর নিজেদের হারানো ভূমিতে ফেরার স্বপ্নে ব্যাকুল সময় পার করছেন আজারবাইজানের বাসিন্দারা।

গত ১০ নভেম্বর রাশিয়ার সঙ্গে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের শান্তি চুক্তি হয়। এরপরই নিজেদের ভূমিতে বাকুর নাগরিকদের ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো।

তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, আপার কারাবাখের শুশা শহরটি ভৌগলিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের স্বীকৃত হলেও এর রক্তাক্ত ইতিহাস রয়েছে।

১৯৯২ সালে নাগোরনো-কারাবাখ যুদ্ধে হাজার হাজার আজারবাইজানি তাদের বসিত হারিয়েছিল। সে সময় জাতিগত আর্মেনীয়রা শুশা শহরটি দখল করে নেয়। যদিও চুক্তির পর আর্মেনীয়রা এই শহরটি ছেড়ে যাচ্ছে। তবে যাওয়ার আগে তাদের বসতিতে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে; যাতে আজারবাইজানিরা আগের বাসস্থান ব্যবহার করতে না পারে।

হ্যামলেট মেহেরেমোভ ১৯৯২ সালে শুশা শহরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তার স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে পালিয়ে যান। এখন তার নাতি-নাতনি নিয়ে তার পারিবারিক বাসস্থানে ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার কাছে, শুশা আজারবাইজানের। তার স্ত্রী সুগায়েত মেদেতোবা বলেন, তিনি কখনোই ফিরে যাওয়ার আশা ছাড়েননি। আমি এমন মুহূর্ত আমার স্বপ্নে বহুবার দেখেছি।

গত কয়েক সপ্তাহের যুদ্ধে আর্মেনীয়ার দখল থেকে প্রায় ৩০০টি বসটি ও গ্রাম মুক্ত করেছে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। এর আগে ৯০ এর দশকে সাবেক দুই সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল