রোববার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৪ ১৪৩২, ২৯ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

চট্টগ্রাম নগরীতে ৩৩০ ‘দুষ্কৃতকারীকে’ নিষিদ্ধ ঘোষণা ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, কর্মবিরতি তারেক রহমানের সঙ্গে নেপাল ও ভুটানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ কৌশলের নামে ‘গুপ্ত’ বা ‘সুপ্ত’ বেশ ধারণ করেনি বিএনপি: তারেক রহমান ট্রাম্প ইরানকে ‘ধন্যবাদ’ জানালেন বিক্ষোভকারীদের ফাঁসি না দেওয়ায় নির্বাচনি সহিংসতায় মৃত্যু: ময়মনসিংহে স্বতন্ত্র প্রার্থীর কর্মী খুনে গ্রেপ্তার ২ অপসাংবাদিকতার শিকার হয়েছি: মামুনুল হক ‘উপযুক্ত সময়ে’ ভেনেজুয়েলাকে নেতৃত্ব দেওয়ার অঙ্গীকার মাচাদোর লন্ডনে ইরানের দূতাবাসের ছাদে ওঠা বিক্ষোভকারী গ্রেফতার ইরানে ইন্টারনেট সংযোগ সামান্য সচল হয়েছে : নেটব্লকস নির্বাচন পর্যবেক্ষণে মাঠে নেমেছে ইইউ মিশন সিলেটে তিন বাসের মধ্যে সংঘর্ষে প্রাণ গেল দুজনের এবার টেকনাফ সীমান্তে মাইন পুঁতে রাখার অভিযোগ স্থানীয়দের গণহত্যা অস্বীকার, জাতিসংঘ আদালতে আত্মপক্ষ সমর্থন শুরু মিয়ানমারের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের বিরোধী দেশগুলোর ওপর নতুন শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

আন্তর্জাতিক

২৮ বছর পর হারানো ভূমিতে ফেরার স্বপ্ন আজারি মুসলমানদের

 প্রকাশিত: ২০:০২, ১৭ নভেম্বর ২০২০

২৮ বছর পর হারানো ভূমিতে ফেরার স্বপ্ন আজারি মুসলমানদের

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সীমান্তে তুমুল যুদ্ধে বিজয় লাভ করে দীর্ঘ ২৮ বছর পর নিজেদের হারানো ভূমিতে ফেরার স্বপ্নে ব্যাকুল সময় পার করছেন আজারবাইজানের বাসিন্দারা।

গত ১০ নভেম্বর রাশিয়ার সঙ্গে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের শান্তি চুক্তি হয়। এরপরই নিজেদের ভূমিতে বাকুর নাগরিকদের ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো।

তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, আপার কারাবাখের শুশা শহরটি ভৌগলিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের স্বীকৃত হলেও এর রক্তাক্ত ইতিহাস রয়েছে।

১৯৯২ সালে নাগোরনো-কারাবাখ যুদ্ধে হাজার হাজার আজারবাইজানি তাদের বসিত হারিয়েছিল। সে সময় জাতিগত আর্মেনীয়রা শুশা শহরটি দখল করে নেয়। যদিও চুক্তির পর আর্মেনীয়রা এই শহরটি ছেড়ে যাচ্ছে। তবে যাওয়ার আগে তাদের বসতিতে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে; যাতে আজারবাইজানিরা আগের বাসস্থান ব্যবহার করতে না পারে।

হ্যামলেট মেহেরেমোভ ১৯৯২ সালে শুশা শহরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তার স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে পালিয়ে যান। এখন তার নাতি-নাতনি নিয়ে তার পারিবারিক বাসস্থানে ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার কাছে, শুশা আজারবাইজানের। তার স্ত্রী সুগায়েত মেদেতোবা বলেন, তিনি কখনোই ফিরে যাওয়ার আশা ছাড়েননি। আমি এমন মুহূর্ত আমার স্বপ্নে বহুবার দেখেছি।

গত কয়েক সপ্তাহের যুদ্ধে আর্মেনীয়ার দখল থেকে প্রায় ৩০০টি বসটি ও গ্রাম মুক্ত করেছে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। এর আগে ৯০ এর দশকে সাবেক দুই সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল