মঙ্গলবার ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২০ ১৪৩২, ১৫ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

শবে বরাত: অন্যায়-অবিচার পরিহারের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার লুটেরাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে সব বের করে আনা হবে: জামায়াত আমির একাত্তরে তাদের কারণে মা-বোনদের সম্মান গেছে, এখনো দরদ নেই: তারেক গৃহকর্মী নির্যাতন: গ্রেপ্তারের পর কারাগারে বিমানের এমডি ও স্ত্রী শেখ হাসিনার বাইরে গিয়েও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক এগোতে পারে: ফখরুল আরও বাড়ল এলপিজির দাম ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ২ জন নিহত : কর্তৃপক্ষ এরা মিথ্যাবাদী, মিথ্যাবাদীরা দেশ চালাতে পারে না: তারেক রহমান আমুর ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ববি ও রূপন্তীর প্লটের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ প্লট দুর্নীতি: হাসিনা-টিউলিপের সঙ্গে এবার ববি ও রূপন্তীর সাজা ‘এনসিটি’ নিয়ে আন্দোলন: তৃতীয় দিনে ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার যাচ্ছে জেলায় জেলায় লক্ষ্মীপুর-৪: বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩৮ হাজার কোটি টাকা আসতে পারে শৈত্যপ্রবাহ, হতে পারে বজ্র ও শিলাবৃষ্টি বিশ্বকাপে খেলবে পাকিস্তান, বয়কট করবে ভারত ম্যাচ

আন্তর্জাতিক

২৮ বছর পর হারানো ভূমিতে ফেরার স্বপ্ন আজারি মুসলমানদের

 প্রকাশিত: ২০:০২, ১৭ নভেম্বর ২০২০

২৮ বছর পর হারানো ভূমিতে ফেরার স্বপ্ন আজারি মুসলমানদের

আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান সীমান্তে তুমুল যুদ্ধে বিজয় লাভ করে দীর্ঘ ২৮ বছর পর নিজেদের হারানো ভূমিতে ফেরার স্বপ্নে ব্যাকুল সময় পার করছেন আজারবাইজানের বাসিন্দারা।

গত ১০ নভেম্বর রাশিয়ার সঙ্গে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের শান্তি চুক্তি হয়। এরপরই নিজেদের ভূমিতে বাকুর নাগরিকদের ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো।

তুর্কি সংবাদ মাধ্যম ইয়েনি শাফাক জানিয়েছে, আপার কারাবাখের শুশা শহরটি ভৌগলিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই অঞ্চলটি আন্তর্জাতিকভাবে আজারবাইজানের স্বীকৃত হলেও এর রক্তাক্ত ইতিহাস রয়েছে।

১৯৯২ সালে নাগোরনো-কারাবাখ যুদ্ধে হাজার হাজার আজারবাইজানি তাদের বসিত হারিয়েছিল। সে সময় জাতিগত আর্মেনীয়রা শুশা শহরটি দখল করে নেয়। যদিও চুক্তির পর আর্মেনীয়রা এই শহরটি ছেড়ে যাচ্ছে। তবে যাওয়ার আগে তাদের বসতিতে আগুন লাগিয়ে দিচ্ছে; যাতে আজারবাইজানিরা আগের বাসস্থান ব্যবহার করতে না পারে।

হ্যামলেট মেহেরেমোভ ১৯৯২ সালে শুশা শহরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর তার স্ত্রী ও তিন সন্তান নিয়ে পালিয়ে যান। এখন তার নাতি-নাতনি নিয়ে তার পারিবারিক বাসস্থানে ফিরতে সময়ের ব্যাপার বলে জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, আমার কাছে, শুশা আজারবাইজানের। তার স্ত্রী সুগায়েত মেদেতোবা বলেন, তিনি কখনোই ফিরে যাওয়ার আশা ছাড়েননি। আমি এমন মুহূর্ত আমার স্বপ্নে বহুবার দেখেছি।

গত কয়েক সপ্তাহের যুদ্ধে আর্মেনীয়ার দখল থেকে প্রায় ৩০০টি বসটি ও গ্রাম মুক্ত করেছে আজারবাইজানের সেনাবাহিনী।

২৭ সেপ্টেম্বর থেকে আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হয়। এর আগে ৯০ এর দশকে সাবেক দুই সোভিয়েত ইউনিয়নের দুই দেশের মধ্যে সংঘর্ষে ৩০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল