ব্রেকিং:
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্বাচন উপলক্ষে ১৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন.

মঙ্গলবার   ১৫ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ২৯ ১৪২৬  

সর্বশেষ:
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ ওয়েজবোর্ডের বিষয়টিকে আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি
১৯৯

সংসদে সবার কথা বলতেই প্রার্থী হয়েছি: জিনাত সোহানা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ২৬ জানুয়ারি ২০১৯  


সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী সুচিন্তা বাংলাদেশ চট্টগ্রাম বিভাগের সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট জিনাত সোহানা চৌধুরী বলেছেন, সংসদে সবার কথা বলতেই প্রার্থী হয়েছি।

এবার একাদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজস্ব সিদ্ধান্তে মনোনয়ন দেবেন।

চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী জিনাত সোহানা জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পূর্বে নগরজুড়ে ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে সবার দৃষ্টি কাড়েন। পাশাপাশি বিভিন্ন মাদ্রাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে জঙ্গিবাদ, মাদকবিরোধী প্রচারণা চালাচ্ছেন।

তিনি বলেন, ‘আমি স্কুলজীবন থেকে ছাত্র রাজনীতির সাথে জড়িত। আওয়ামী লীগ ছাড়াও সহযোগী ও সামাজিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করছি। মনোনীত হলে তরুণদের কর্মসংস্থান ও স্বপ্ন বাস্তবায়নে কাজ করবো। চট্টগ্রামকে আধুনিক নগরে রূপান্তরিত করবো।

এ জেলায় নারীরা রাজনীতিতে পিছিয়ে আছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমি দল থেকে মনোনীত হলে নারীদের রাজনীতিতে আনতে বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করবো। নারী সমাজের অগ্রগতি ছাড়া একটি দেশ উন্নয়নের পূর্ণতা পায় না। চট্টগ্রামের নারীরা আর পিছিয়ে থাকবে না, রাজনীতিতে অগ্রগামী হবে।

জিনাত সোহানা বলেন, আমি সারাজীবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে যেতে চাই। এলাকার মানুষের পাশে থেকে তাদের আশা-আকাঙ্খা, অভাব অভিযোগের কথা জেনেছি। দল আমাকে মূল্যায়ন করবে, আমি শতভাগ আশাবাদী।

চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির কার্যকরী সদস্য জিনাত সোহানা চৌধুরী অ্যাডিশনাল পাবলিক প্রসিকিউটরের  পাশাপাশি বেসরকারি কারা পরিদর্শক ও চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের আইনবিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি মনে করেন, নারীর ক্ষমতায়ন, সমসুযোগ, সম-অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দারিদ্র্যমুক্ত সুখী-সমৃদ্ধ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নারী-পুরুষ সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

রাজনীতিতে নারীর সম্পৃক্তায়ন নারী অধিকার প্রতিষ্ঠার  অন্যতম ধাপ উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিশ্ব রাজনীতিতে নারীদের অবস্থান আজ বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়। এটি একদিকে যেমন নারী জাতির অস্তিত্বের বহিঃপ্রকাশ, তেমনি নারীর ক্ষমতায়নের বিশেষ দিক। রাজনীতিতে প্রবেশাধিকার নারীদের আত্মবিশ্বাসী করে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ ও নেতৃত্বে  উন্নয়ন আজ দৃশ্যমান। ব্যবসা-বাণিজ্য, রাজনীতি, বিচার বিভাগ, প্রশাসন, কূটনীতি, সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, শান্তিরক্ষা মিশনসহ সবক্ষেত্রে নারীর সফল অংশগ্রহণের মাধ্যমে দেশ ক্রমান্বয়ে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। নারীর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করায় নারীর ক্ষমতায়নে শক্ত ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের বিস্ময়কর সাফল্যের পেছনে নারীর বড় ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ কতটা হচ্ছে, আইনগুলো কীভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়মিতভাবে তদারক করা প্রয়োজন।

‘দেশের মোট জনগোষ্ঠীর প্রায় অর্ধেক নারী। তাই এ বিপুল জনগোষ্ঠীকে নিরক্ষর, অবহেলিত ও অদক্ষতায় পেছনে রেখে দেশের সার্বিক উন্নয়ন কোনোভাবেই সম্ভব নয়। একটি দেশের উন্নয়নের পূর্বশর্ত নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন। সমাজে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী নারীদের অবস্থান দৃঢ় হয়। পরিবারে তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভূমিকা রাখতে পারেন। তাই দরকার নারীবান্ধব কর্মপরিবেশ সৃষ্টি করা’ যোগ করেন তিনি।


অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই বিভাগের আরো খবর