রোববার ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১২ ১৪৩২, ০৬ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

১২ ফেব্রুয়ারি ফ্যাসিবাদ কবর দেওয়ার ডাক জামায়াত আমিরের ১২ ফেব্রুয়ারি ‘চাঁদাবাজ-দখলদাররা’ পরাজিত হবে: নাহিদ রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে ব্যয় বাড়ল সাড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার রুল দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই আনিসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সেহেরি ও ইফতার: ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগের হিসাব ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ কোভিড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা ভুল: ডব্লিউএইচও প্রধান ন্যাটো বিতর্কের মাঝেও যুক্তরাজ্যের সেনাদের প্রশংসায় ট্রাম্প ভূমিধসে নিখোঁজদের খোঁজে ইন্দোনেশিয়ায় উদ্ধার তৎপরতা তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় তারেক রহমানের সাকিবকে জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করার ঘোষণা বিসিবির আইসিসির ‘দ্বৈত নীতি’র শিকার বাংলাদেশ: শহীদ আফ্রিদি

ইসলাম

সিজদার আয়াত কি আস্তে নাকি জোরে তিলাওয়াত করা উচিত?

 প্রকাশিত: ০৭:৪২, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬

সিজদার আয়াত কি আস্তে নাকি জোরে তিলাওয়াত করা উচিত?

প্রশ্ন. আমরা বাসা-বাড়িতে প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করি। সাধারণত ফজরের পর তিলাওয়াত করা হয়। এ সময় ঘরের সদস্যদের কেউ অন্য কাজে ব্যস্ত থাকে। কেউবা যিকির-আযকার করে কেউ ঘুমায়। তিলাওয়াত কিছুটা উঁচু আওয়াজে পড়লেই ভালো লাগে। এখন জানতে চাই, সিজদার আয়াত এলে তখন কি আমার জন্য আস্তে পড়া জরুরি? যেন ঘরের অন্য কেউ না শোনে। আমি এমনটি করি, কিন্তু মনে খটকা লাগে যে, সিজদা করতে কষ্ট কিসের? জোরেই পড়া উচিত। যেন সকলে শুনতে পায় এবং সিজদা আদায় করে। কোনটি সঠিক?

উত্তর. উপস্থিত লোকজন যদি অন্য কোনো কাজে ব্যস্ত না থাকে; বরং অযুসহ সিজদা আদায়ের পরিবেশ থাকে তবে এক্ষেত্রে তিলাওয়াতকারী উচ্চ আওয়াজে সিজদার আয়াত পড়তে পারে। কিন্তু যদি উপস্থিত লোকজন অন্য কাজে লিপ্ত থাকে কিংবা সিজদা আদায়ের জন্য প্রস্তুত না থাকে, ফলে এ সময় সিজদার আয়াত জোরে পড়লে তাদের কষ্ট হবে কিংবা পরবর্তীতে আদায় করতে ভুল যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে এসব ক্ষেত্রে সিজদার আয়াত আস্তে পড়াই শ্রেয়। কেননা, এ ধরনের পরিস্থিতিতে জোরে পড়লে তাদেরকে কষ্টে ফেলা হবে কিংবা অবহেলা বা ব্যস্ততার দরুণ সিজদা আদায় না করার গুনাহে পতিত করা হবে।

-মাজমাউল আনহুর ১/২৩৮; বাদায়েউস সানায়ে ১/৪৫০; ইনায়া ১/৪৭৮; আননাহরুল ফায়েক ১/৩৪৩; ফাতাওয়া সিরাজিয়া ১৪

মাসিক আলকাউসার