ডাকসু ‘মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’: সেই জামায়াত নেতা বহিষ্কার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ-ডাকসুকে ‘মাদকের আড্ডা ও বেশ্যাখানা’ বলা বরগুনার সেই জামায়াতে ইসলামী নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
দলের জেলা কমিটির আমির মহিবুল্লাহ হারুন মঙ্গলবার এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেন, শামীম আহসানকে জেলা কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেলের পদ থেকে অব্যাহতি এবং তার সদস্য পদ (রুকন) স্থগিত করা হয়েছে। তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার রাতে বরগুনা জেলা জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি জেনারেল ও পাথরঘাটা উপজেলার কিরণপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. শামীম আহসান এক নির্বাচনি জনসভায় বলেন, “আমরা দেখছি ডাকসু নির্বাচনের পরে যে ডাকসু মাদকের আড্ডা ছিল, যে ডাকসু বেশ্যাখানা ছিল, সেটা ইসলামী ছাত্রশিবির পরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছে।”
তার এ কথার প্রতিবাদে ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ হয়।
জেলা জামায়াতের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “পাথরঘাটায় অনুষ্ঠিত জনসভায় দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ ও ‘প্রাচ্যের অক্সফোর্ড’ খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে বেফাঁস মন্তব্য করায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মর্মাহত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন। এ ধরনের মন্তব্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি এবং এতে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়েছে।
এ কারণে জেলা কর্মপরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শামীম আহসানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে জেলা জামায়াতের আমির মহিবুল্লাহ হারুন বলেন, “জামায়াতে ইসলামি একটি সুশৃঙ্খল রাজনৈতিক দল। শৃঙ্খলাবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত হলে কাউকে ছাড় দেওয়া হয় না। তাই শামীম আহসানের সদস্যপদ স্থগিতসহ সব দায়িত্ব থেকে তাকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।”