শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২৩ ১৪৩২, ১৮ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

চুক্তিতে পৌঁছাতে জেলেনস্কিকে এগোতে হবে, পুতিন প্রস্তুত: ট্রাম্প ড্রোন হামলা ঠেকাতে ইউক্রেনের সহায়তা চায় যুক্তরাষ্ট্র খামেনিকে হত্যায় যুদ্ধ আইনের লঙ্ঘন হয়নি : ইসরাইল খলিলুর ও রিজওয়ানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে জড়িত’ ছিলেন: জামায়াতের তাহের ‘হুজুগে’ পাম্পে পাম্পে তেল কেনার হিড়িক স্কুল ও কলেজের জন্য ‘র‍্যাংকিং সিস্টেম’ হবে: শিক্ষামন্ত্রী ‘দেশের পরিস্থিতি বিবেচনায়’ ইফতারের জাঁকজমক কমালেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরে বিমানবন্দরের রাষ্ট্রাচার সীমিত, থাকবেন শুধু ৪ প্রতিনিধি খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ ঈদে এবার সাত দিনের ছুটি এক মামলায় জামিন পেলেন আনিস আলমগীর ট্রাইব্যুনালে আবু সাঈদ হত্যার রায় ৯ এপ্রিল ৯৬ শতাংশ পুলিশ চায় পুরোনো ইউনিফর্ম নারায়ণগঞ্জে মারামারিতে যুবক খুন, বন্ধু হাসপাতালে ইরানের নতুন কৌশলে নতুন করে হিসাব মেলাতে হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রকে বড় পতনের পর এশিয়ার বাজার ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত

ইসলাম

সূরা ফাতিহার ‍গুরুত্ব ও ফজিলত

 আপডেট: ২০:৫১, ১৯ ডিসেম্বর ২০২১

সূরা ফাতিহার ‍গুরুত্ব ও ফজিলত

সূরা ফাতিহা পবিত্র কুরআনের প্রথম সূরা। উম্মুল কুরআন বা কুরআনের মা হিসেবে পরিচিত এ সূরাটি প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজে আমরা ত্রিশ বারের বেশি পাঠ করি। 

সূরা ফাতিহার পাঠ ছাড়া কোনো নামাজ আদায় সম্পূর্ণ হয়না। 

এখানে সূরা ফাতিহার গুরুত্ব সম্পর্কে পাঁচটি হাদীস উল্লেখ করা হলো।

১. 
হযরত আবু সাঈদ আল-মুয়াল্লা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, “আমি কি তোমাকে বলবো না কুরআনের সর্বোচ্চ মর্যাদাবান সূরা কোনটি? সেটি হলো ‘আলহামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন’ (সূরা ফাতিহা) যেটি সাত আয়াতের সমষ্টি এবং কুরআন কারীমের অংশ, যা আমাকে দান করা হয়েছে।” (বুখারী)

২. 
হযরত উবাদা ইবনে সামিত (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি তার নামাজে সূরা ফাতিহা পাঠ করবেনা, তার নামাজ কবুল হবেনা।” (বুখারী)

৩. 
হযরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) বলেছেন, “বারবার পাঠ করা এই সাত আয়াত (সূরা ফাতিহা) হলো কুরআনের মা (উম্মুল কুরআন) ও কুরআনের সারাংশ।” (বুখারী)

৪.
হযরত আবু সাঈদ আল-খুদরী (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এর কিছু সাহাবী একবার এক বেদুইন গোত্রের কাছে গেলে তারা তাদের মেহমানদারী করা বা কিছু খেতে দেওয়া থেকে বিরত থাকে। সেই গোত্রের নেতা যখন অসুস্থ হয়ে পড়ে, তখন তারা রাসূলের সাহাবীদের কাছে এসে জিজ্ঞেস করে, “তোমাদের কাছে কোনো ঔষধ আছে কি?” তারা তখন উত্তর দেন, “হ্যা, আছে। কিন্তু তোমরা আমাদের মেহমান হিসেবে গ্রহণ করোনি বা কিছু খেতেও দাওনি। সুতরাং তোমরা কিছু না দেওয়া পর্যন্ত আমরা কিছুই করবোনা।” তারা তখন একটি ভেড়া দিলে রাসূলের সাহাবীদের মধ্যে একজন গিয়ে সূরা ফাতিহা তেলওয়াত করে আসেন এবং অসুস্থ ব্যক্তিটি সুস্থ হয়ে যায়। 

ঐ সাহাবীরা এসে রাসূল (সা.) কে ঘটনাটি বললে রাসূল (সা.) বলেন, “কিভাবে জানলে এটি (সূরা ফাতিহা) রোগের প্রতিষেধক?” (তিরমিজি)

৫.
হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসূল (সা.) এর সাথে একবার জিবরাইল (আ.) থাকা অবস্থায় আকাশ থেকে তিনি এক শব্দ শুনলেন। জিবরাইল (আ.) তার দৃষ্টি আকাশে তুলে বললেন, “আসমানের একটি দরজা খোলা হয়েছে এবং এটি আগে কখনো খোলা হয়নি।”

সে দরজা দিয়ে একজন ফেরেশতা রাসূল (সা.) এর কাছে এসে বললেন, “আপনাকে দেওয়া দুই আলোর (নূর) সুসংবাদ গ্রহণ করুন, যা আপনার পূর্বের কোনো নবী-রাসূলকে দেওয়া হয়নি: কিতাবের সূচনা (সূরা ফাতিহা) এবং আল-বাকারার শেষ আয়াতসমূহ। এগুলো তেলওয়াত করে এর কল্যাণ থেকে কখনোই আপনি বঞ্চিত হবেননা।” (মুসলিম)

অনলাইন নিউজ পোর্টাল