মঙ্গলবার ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২১ ১৪৩২, ১৫ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

তীব্র শীতে কিয়েভে আবারও রাশিয়ার হামলা জাতীয় স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ ভোট: বিটিভিতে দলীয় প্রধানের ভাষণ ফিরছে রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করবে ভারত, মার্কিন শুল্ক কমে ১৮ শতাংশ হচ্ছে কাইয়ুমের প্রার্থিতা নিয়ে নাহিদের রিট খারিজ শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি-পটকা নিষিদ্ধ ‘এনসিটি’ নিয়ে আন্দোলন: চতুর্থ দিনের কর্মবিরতিতে ‘অচল’ চট্টগ্রাম বন্দর পবিত্র শবে বরাত আজ সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচনে বাধা নেই খাগড়াছড়ি: ১৭ বছর নিষ্ক্রিয় সমীরণকে ঘিরে ‘বিতর্ক’ টানা ছয় মাস পতনের ধারায় রপ্তানি আয় রিজার্ভ বেড়ে ৩৩ বিলিয়ন ডলার ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ শবে বরাত: অন্যায়-অবিচার পরিহারের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

ইসলাম

শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বিতরণ করা কি নাজায়েজ?

 প্রকাশিত: ১৬:৪৭, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

শবে বরাতে হালুয়া-রুটি বিতরণ করা কি নাজায়েজ?

||নাজমুল হাসান||

ইসলামে শাবান মাসের ১৫ তারিখের রাতটি বিশেষ ফজিলতপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন—

“আল্লাহ তায়ালা মধ্য শাবানের রাতে তাঁর সৃষ্টিকুলের প্রতি দয়ার দৃষ্টি দেন এবং মুশরিক ও বিদ্বেষ পোষণকারী ছাড়া সবাইকে ক্ষমা করে দেন।” (সহিহ ইবনে হিব্বান: ৫৬৬৫)

এই রাতটিই আমাদের দেশে ‘শবে বরাত’ নামে পরিচিত। এ রাতে মুসলমানদের প্রধান কর্তব্য হলো বেশি বেশি ইবাদত-বন্দেগি, তওবা, ইস্তিগফার ও দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালার সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করা, যাতে তাঁর রহমত ও ক্ষমার অন্তর্ভুক্ত হওয়া যায়।

সদকা ও হাদিয়া দেওয়া ইসলামে সর্বদাই নেক আমলের অন্তর্ভুক্ত। সে হিসেবে প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন বা দরিদ্রদের হালুয়া-রুটিসহ যেকোনো খাবার খাওয়ানো বা উপহার দেওয়া নিজেই নাজায়েজ নয়। শরিয়তের দৃষ্টিতে এতে কোনো বাধা নেই।

তবে সমস্যা সৃষ্টি হয় তখনই, যখন হালুয়া-রুটি বানানো, খাওয়া বা বিতরণ করাকে শবে বরাতের আবশ্যক বা বিশেষ ফজিলতপূর্ণ আমল হিসেবে মনে করা হয়। কারণ শবে বরাতের জন্য হালুয়া-রুটি প্রস্তুত করা বা বিতরণ করার ব্যাপারে কোরআন-হাদিসে কোনো নির্দিষ্ট প্রমাণ নেই। এ কাজকে বিশেষ আমল হিসেবে বিশ্বাস করলে তা বিদআতের অন্তর্ভুক্ত হবে।

অতএব, শবে বরাতের বিশেষ আমল মনে না করে, কিংবা এমন কোনো ভুল ধারণা ছড়ানোর আশঙ্কা না থাকলে—সাধারণ সদকা বা আপ্যায়নের নিয়তে হালুয়া-রুটি বানানো, খাওয়া ও বিতরণ করা নাজায়েজ নয়। তবে এ রাতের মূল গুরুত্ব যেন ইবাদত-বন্দেগি ও আত্মশুদ্ধির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে—সে বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।