শুক্রবার ০৯ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২৬ ১৪৩২, ২০ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

২৯৫টি অত্যাবশ্যকীয় ওষুধের দাম বেঁধে দেবে সরকার গাজীপুরে এনসিপি নেতাকে গুলি করে মোটরসাইকেল ছিনতাই জুলাইযোদ্ধাদের দায়মুক্তির অধিকার রয়েছে, অধ্যাদেশের খসড়া তৈরি রংপুরে শিক্ষক নিয়োগে প্রশ্ন ‘ফাঁসচক্রের দুই সদস্য’ গ্রেপ্তার প্রথম আলো কার্যালয়ে হামলা: ৮ আসামি দুই দিনের রিমান্ডে দিনভর ভুগিয়ে এলপিজি ব্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত্যাহার বন্ডাই বিচে বন্দুক হামলা : রয়েল কমিশন গঠনের ঘোষণা অস্ট্রেলিয়ার সোমালিয়ায় খাদ্য সহায়তা স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র তীব্র তাপপ্রবাহে অস্ট্রেলিয়ায় ভয়াবহ দাবানলের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে ‘কর্তন নিষিদ্ধ’ গাছ কাটলে এক লাখ টাকা জরিমানা, অধ্যাদেশ জারি সাগরে গভীর নিম্নচাপ, অব্যাহত থাকবে শৈত্যপ্রবাহ দিপু হত্যা: লাশ পোড়ানোয় ‘নেতৃত্ব’ দেওয়া যুবক গ্রেপ্তার সিরাজগঞ্জে ইজিবাইক চালককে হত্যায় ৩ জনের আমৃত্যু কারাদণ্ড মুছাব্বির হত্যায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা পাতানো নির্বাচন হবে না: সিইসি গ্রিনল্যান্ড কেনার পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র ভেনেজুয়েলায় মার্কিন হামলায় ১০০ জন নিহত হয়েছেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুল্ক যুদ্ধে চীন কি মার্কিন ঋণ ব্যবহার করতে পারে?

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ০৯:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুল্ক যুদ্ধে চীন কি মার্কিন ঋণ ব্যবহার করতে পারে?

চীনের পাল্টা অস্ত্র হতে পারে মার্কিন ঋণ, বাড়ছে বাণিজ্য যুদ্ধের উত্তেজনা -

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বর্তমানে বাণিজ্য যুদ্ধের সম্মুখীন। গত ২০২৪ সালে, যুক্তরাষ্ট্র চীনে ১৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, এবং চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি ২৯৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই ঘাটতি কমাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ওপর পাল্টা শুল্ক ১৪৫ শতাংশে বাড়িয়েছেন। এর জবাবে চীনও মার্কিন পণ্যের ওপর ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে।

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা 'শেষ পর্যন্ত লড়াই' করার জন্য প্রস্তুত এবং যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম ভঙ্গ করছে।

চীনের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে মার্কিন ঋণ রয়েছে। চীন বর্তমানে মার্কিন ঋণের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধারক, যার পরিমাণ ৭৬০ বিলিয়ন ডলার। চীন যদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে দেয়, তবে এর ফলে মার্কিন ডলারের মূল্য কমতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।

তবে চীন যদি এই পদক্ষেপ নেয়, তা তাদের নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানের শক্তিশালী হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে, যা চীনের রপ্তানির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। চীন চায় না তার মুদ্রা শক্তিশালী হোক, কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলার এখনও প্রধান মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়া, ফেডারেল রিজার্ভ যদি এই পরিস্থিতিতে সাড়া দেয়, তবে তারা সুদহার কমিয়ে বা আর্থিক সম্পদ কিনে অর্থনীতিতে নতুন করে অর্থ সঞ্চালন করতে পারে। তবে, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায় যে, তারা শিগগিরই সুদহার কমাবে না।

অন্যদিকে, মার্কিন ভোক্তারা উদ্বিগ্ন হয়ে খরচ কমাতে শুরু করেছেন, এবং তাদের আস্থা অনেকটাই কমে গেছে। যদি এ ধরনের পদক্ষেপের হুমকি বৃদ্ধি পায়, তবে ভোক্তাদের আস্থা আরও হ্রাস পেতে পারে।