শনিবার ২০ জুন ২০২৬, আষাঢ় ৬ ১৪৩৩

ব্রেকিং

আবার হরমুজ বন্ধের ঘোষণা ইরানের বিক্ষোভ-অবরোধে অচল বলিভিয়া, জরুরি অবস্থা ঘোষণা অগাস্টে চালু হচ্ছে ঢাকা-পাবনা সরাসরি ট্রেন: রেলমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ‘বাজি’ ধরলে কখনো ‘পস্তাতে হবে না’: রাষ্ট্রদূত হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৭ শিশুর মৃত্যু হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের শর্ত ঘোষণা করল ইরান ২২ হাজার প্রবাসীর এনআইডি আবেদন বাতিল চীনা প্রেসিডেন্টের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ২৬ জুন মালয়েশিয়ার সঙ্গে চীন মিলিয়ে ছয় দিনের প্রথম বিদেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী বেনজীরকে ফেরাতে দুবাইয়ে কাগজ গেছে তিন দিনের মধ্যে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টাঙ্গাইলে পরিত্যক্ত কূপে নেমে বাবা-ছেলেসহ ৪ জনের মৃত্যু আমি না থাকলে ইসরায়েল চূর্ণবিচূর্ণ হয়ে যেত: ট্রাম্প প্রথমার্ধের তিন গোলে ব্রাজিলের স্বস্তির জয়

আন্তর্জাতিক

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুল্ক যুদ্ধে চীন কি মার্কিন ঋণ ব্যবহার করতে পারে?

ওএনপি২৪ নিউজ ডেস্ক

 প্রকাশিত: ০৯:৫৬, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

ট্রাম্পের বিরুদ্ধে শুল্ক যুদ্ধে চীন কি মার্কিন ঋণ ব্যবহার করতে পারে?

চীনের পাল্টা অস্ত্র হতে পারে মার্কিন ঋণ, বাড়ছে বাণিজ্য যুদ্ধের উত্তেজনা -

যুক্তরাষ্ট্র ও চীন বর্তমানে বাণিজ্য যুদ্ধের সম্মুখীন। গত ২০২৪ সালে, যুক্তরাষ্ট্র চীনে ১৪ হাজার ৩০০ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছে, এবং চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য ঘাটতি ২৯৫ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। এই ঘাটতি কমাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের ওপর পাল্টা শুল্ক ১৪৫ শতাংশে বাড়িয়েছেন। এর জবাবে চীনও মার্কিন পণ্যের ওপর ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে।

চীনের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা 'শেষ পর্যন্ত লড়াই' করার জন্য প্রস্তুত এবং যুক্তরাষ্ট্র বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নিয়ম ভঙ্গ করছে।

চীনের জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হিসেবে মার্কিন ঋণ রয়েছে। চীন বর্তমানে মার্কিন ঋণের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধারক, যার পরিমাণ ৭৬০ বিলিয়ন ডলার। চীন যদি মার্কিন ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে দেয়, তবে এর ফলে মার্কিন ডলারের মূল্য কমতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলবে।

তবে চীন যদি এই পদক্ষেপ নেয়, তা তাদের নিজস্ব মুদ্রা ইউয়ানের শক্তিশালী হওয়ার ঝুঁকি তৈরি করবে, যা চীনের রপ্তানির জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। চীন চায় না তার মুদ্রা শক্তিশালী হোক, কারণ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মার্কিন ডলার এখনও প্রধান মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

এছাড়া, ফেডারেল রিজার্ভ যদি এই পরিস্থিতিতে সাড়া দেয়, তবে তারা সুদহার কমিয়ে বা আর্থিক সম্পদ কিনে অর্থনীতিতে নতুন করে অর্থ সঞ্চালন করতে পারে। তবে, মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানায় যে, তারা শিগগিরই সুদহার কমাবে না।

অন্যদিকে, মার্কিন ভোক্তারা উদ্বিগ্ন হয়ে খরচ কমাতে শুরু করেছেন, এবং তাদের আস্থা অনেকটাই কমে গেছে। যদি এ ধরনের পদক্ষেপের হুমকি বৃদ্ধি পায়, তবে ভোক্তাদের আস্থা আরও হ্রাস পেতে পারে।