মঙ্গলবার ৩০ জুন ২০২৬, আষাঢ় ১৬ ১৪৩৩

ব্রেকিং

৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট সংসদে পাস নীতি সুদহার বহাল রেখে ‘সংকোচনমূলক’ মুদ্রানীতি মানবতাবিরোধী অপরাধ: জাসদ সভাপতি ইনুর ১০ বছরের কারাদণ্ড খামেনির শেষকৃত্যে যাচ্ছেন স্পিকার অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে বলেই ধর্ষণ মামলার সংখ্যা বেড়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতালি ও বলকানে দাবদাহে শত শত মানুষের মৃত্যু ছাঁটাই প্রস্তাব নাকচ, বাজেট পাসের পথে সংসদ চট্টগ্রাম সিটির ২২৬০ কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা এইচএসসি: কেন্দ্রের আশেপাশে চলাচল নিষিদ্ধ শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধায় মুস্তাফা মনোয়ারকে বিদায় নাটকীয় টাইব্রেকারে জার্মানিকে বিদায় করে শেষ ষোলোয় প্যারাগুয়ে জাপানিজ রক্ষণের দুর্ভেদ্য দেয়াল ভেঙে ব্রাজিলের জয়ের হাসি

জাতীয়

খামেনির শেষকৃত্যে যাচ্ছেন স্পিকার

 প্রকাশিত: ১৬:৫৪, ৩০ জুন ২০২৬

খামেনির শেষকৃত্যে যাচ্ছেন স্পিকার

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্যে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

ইরান সরকারের আমন্ত্রণে তার তেহরান যাওয়ার তথ্য দিয়েছেন জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মো. মনির হোসেন।

তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানাতে স্পিকার যাবেন বলে ‘সিদ্ধান্ত হয়েছে’। এখন ভিসা গ্রহণসহ বিস্তারিত সফরসূচি ঠিক করা হবে।

আলি খামেনির শেষকৃত্যের আয়োজন ৪ জুলাই তেহরানে শুরু হওয়ার কথা জানিয়েছে ইরান সরকার। রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে ৯ জুলাই জন্মস্থান মাশহাদে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন তিনি।

মার্চে এই শেষকৃত্যের আয়োজনের পরিকল্পনা করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ চলতে থাকায় তা স্থগিত করা হয়।

তিনদিনের শেষকৃত্যের আয়োজন হবে তেহরানে এবং কওম নগরীতে শেষকৃত্যের আয়োজন শুরু হবে ৭ জুলাই।

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের শাসক গোষ্ঠীর পতন ঘটানোর ঘোষণা দিয়ে দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল মিলে বিমান হামলা শুরু করে। হামলার প্রথম দিনই নিজ বাসভবনে নিহত হন ৮৬ বছর বয়সি আলি খামেনি।

ইরানি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির মৃত্যুর পর ১৯৮৯ সালের শেষ দিক থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন আলি খামেনি।

১৯৭৯ সালে ইরানি বিপ্লবে রেজা শাহ পাহলভির পতনের পেছনে আদর্শিক নেতা ছিলেন রুহুল্লাহ খোমেনি। আর ওই বিপ্লবে সামরিক ও আধা-সামরিক বাহিনীকে সংগঠিত করার পেছনে মুখ্য ভূমিকায় ছিলেন আলি খামেনি।

ইরানের ক্ষমতাকেন্দ্রে ৪৭ বছরের সময়ে তিনি দেশটির সামরিক ও আধুনিকায়নের পাশাপাশি তেহরানের নিজস্ব শাসন কাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন।

১৯৮১ সাল থেকে দুই মেয়াদে ইরান প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালনের মধ্যে সর্বোচ্চ নেতার দায়িত্ব আসেন আলি খামেনি এবং হয়ে ওঠেন ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের মুখ।

যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় আলি খামেনির মৃত্যুর পর তার ছেলে মুজতাবা খামেনিকে সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে বেছে নিয়েছে ইরান। ইরানের সর্বোচ্চ নেতার কম্পাউন্ডে ওই হামলায় তিনিও আহত হয়েছিলেন।

হামলায় গুরুতর আহত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির আলোচনায় মুজতাবা খামেনি সক্রিয় ভূমিকা রাখার কথা উঠে এসেছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর কথায়।