কয়েকজন উপদেষ্টা ‘কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার’ করেছেন
ভবিষ্যতে বিদেশ সফরের প্রয়োজন বিবেচনায় সময়মতো ভিসা পেতে অন্তর্বর্তী সরকারের একাধিক উপদেষ্টা আগেভাগেই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ (এমআরডিআই) ও ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত এক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে এক সাংবাদিক ‘পররাষ্ট্র উপদেষ্টা-তার স্ত্রী এবং তার আরও দুজন সহকর্মী কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন’ এবং ‘আরও কয়েকজন উপদেষ্টা বিদেশ সফরে যাচ্ছেন’ এমন তথ্য শোনা যাচ্ছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
জবাবে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, আমি বা আমার স্ত্রী কেউই কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করিনি।
আমার পাসপোর্ট এখনো আমার কাছেই আছে এবং যথারীতি বহাল রয়েছে। দায়িত্বকালীন সময়ে একজন পররাষ্ট্র উপদেষ্টার কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করা খুবই অস্বাভাবিক ঘটনা হতো। আমি সেটা করিনি।
তিনি বলেন, তবে উপদেষ্টাদের মধ্যে অনেকে কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন, এটা ঠিক।
কারণ ভবিষ্যতে তাদের বিদেশ যাওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। সে কারণে সময়মতো ভিসা পাওয়ার সুবিধার জন্য আগেভাগেই তারা পাসপোর্ট সারেন্ডার করেছেন।
নির্বাচনে বিদেশিদের হস্তক্ষেপের বিষয়ে জানতে চাইলে উপদেষ্টা বলেন, প্রত্যেক দেশেরই ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত কিছু ট্র্যাডিশন দাঁড়িয়ে যায়। ভারতে যেমন এক ধরনের ট্র্যাডিশন দাঁড়িয়ে গেছে।
আমাদের এখানেও এমন আছে। এটা আমাদের কালচারের অংশ হয়ে গেছে, এখানের কূটনৈতিক কমিউনিটির সদস্যরা এসব বিষয়ে কথা বলেন। আমারও অনেক সময় মনে হয়, আমাদের সমাজের একটি বড় অংশও চায় তারা কথা বলুক। কাজেই তাদেরকে আমি দোষ দিতে পারি না। এটা আমাদের সংস্কৃতিরই অংশ হয়ে গেছে।