শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১৪ ১৪৩২, ১০ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

যমুনা ছাড়ছেন ইউনূস, তারেক ওঠার আগে সংস্কারে যাবে ১ মাস পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাল আরাকান আর্মিও ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত গণভোটের ফলাফল সংশোধন, প্রায় ১১ লাখ ভোট কমল খুলনায় দিন দুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা পর্দা উঠলো একুশে বইমেলার বরিশালে ৩ দাবিতে আদালত বর্জন আইনজীবীদের, ভোগান্তি বিচারপ্রার্থীদের রিটার্ন জমার সময় আরো একমাস বাড়ল হাদি হত্যা: ১১ মার্চের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ ব্রিটিশ এমপি টিউলিপকে গ্রেপ্তারে ‘রেড নোটিস’ জারির পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ গুণীজনদের দিকনির্দেশনায় আলোকিত সমাজ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবতাবিরোধী মামলা: বাগেরহাটের আকরাম খালাস ঢাকায় স্কুলছাত্রী হত্যা: আসামি সিয়াম গ্রেপ্তার

জাতীয়

কয়লা খনি দুর্নীতি মামলায় অব্যাহতি পেলেন খালেদা জিয়াসহ তিনজন

 প্রকাশিত: ১৫:৫৩, ২৭ নভেম্বর ২০২৪

কয়লা খনি দুর্নীতি মামলায় অব্যাহতি পেলেন খালেদা জিয়াসহ তিনজন

দিনাজপুরের বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াসহ তিনজনকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

অপর দুইজন হলেন-সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী এবং সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন।

ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক মো. আবু তাহের আজ তাদের মামলার দায় হতে অব্যাহতি দেন।

আজ সকালে খালেদা জিয়ার পক্ষে তার আইনজীবী হাজিরা দাখিল করে তিনজনের অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। এসময় রাষ্ট্রপক্ষ অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত খালেদা জিয়াসহ তিনজনকে অব্যাহতি দেন।

একইসাথে এই তিনজন ব্যতীত মামলার অপর আসামি হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন,সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মঈনুল আহসান ও মো. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জিয়া উদ্দিন ও হান্নান ভুইয়া বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

বড়পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলায় মোট আসামি ছিলেন ১৩ জন। এর মধ্যে জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

মামলা চলাকালীন অপর চার আসামি-ব্যারিস্টার আমিনুল হক, সাবেক কৃষিমন্ত্রী এম কে আনোয়ার, সাবেক তথ্যমন্ত্রী এম শামসুল ইসলাম এবং সাবেক জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী এ কে এম মোশারফ হোসেন মারা যান।

২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে শাহবাগ থানায়  বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি দুর্নীতি মামলাটি করেন দুদকের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম। একই বছরের ৫ অক্টোবর ১৬ আসামির বিরুদ্ধে দুদক উপ-পরিচালক মো.আবুল কাসেম ফকির অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসি’র সঙ্গে বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতিসাধন হয়েছে। বড় পুকুরিয়া কয়লা খনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতিসাধন করা হয়।