বুধবার ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২১ ১৪৩২, ১৬ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন ভারতে নির্বাসিত আওয়ামী লীগ নেতারা’ বুথে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন কারাবন্দিরা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছি, কোথাও ‘যাব না’: অর্থ উপদেষ্টা অস্থির সোনা-রূপার বাজার, সকাল–বিকাল দাম বাড়ছে এনসিটি ইজারা: এবার লাগাতার কর্মবিরতি ঘোষণা নির্বাচনি সফর: তারেক এবার যাচ্ছেন বরিশাল ও ফরিদপুরে তীব্র শীতে কিয়েভে আবারও রাশিয়ার হামলা র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ বিটিভিতে বিএনপি নেতার ভোটের ভাষণ ৯ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করবে ভারত, মার্কিন শুল্ক কমে ১৮ শতাংশ হচ্ছে কাইয়ুমের প্রার্থিতা নিয়ে নাহিদের রিট খারিজ শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি-পটকা নিষিদ্ধ পবিত্র শবে বরাত আজ সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচনে বাধা নেই টানা ছয় মাস পতনের ধারায় রপ্তানি আয় ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

ইসলাম

পবিত্র শবে বরাত আজ

 প্রকাশিত: ১১:২১, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

পবিত্র শবে বরাত আজ

মহিমান্বিত রজনী লাইলাতুল বরাত আজ। হিজরী বর্ষের শাবান মাসের ১৪ তারিখ দিবাগত রাতটিকে মুসলমানরা মহিমান্বিত রজনী হিসেবে পালন করে থাকেন। পবিত্র শবে বরাত মাহে রমজানেরও আগমনী বার্তা দেয়।

গুনাহ থেকে ক্ষমা প্রাপ্তির মহিমান্বিত এক রজনী পবিত্র শবে বরাত।

এই রাতকে ভাগ্য নির্ধারণের রাতও বলা হয়। তদ্রূপ মুক্তির রজনী নামেও পরিচিত এই রাত।

এই রাতে স্বয়ং আল্লাহতায়ালা বান্দাকে ক্ষমার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ডাকতে থাকেন।

রিযিক বৃদ্ধির জন্য আহ্বান করেন।

অসুস্থদের সুস্থতার সুসংবাদ দান করেন মহান সুবহানাহু ওয়া তায়ালা। ফজর উদিত হওয়া পর্যন্ত এভাবেই বান্দাকে ডাকতে থাকেন তিনি। এসব কারণে এ রাতের গুরুত্ব তাৎপর্য ও ফজিলত অন্যান্য সাধারণ রাতের তুলনায় অনেক বেশি।

এই রাতে রাস্তায় হাঁটাহাঁটি, ঘোরাফেরা, আতশবাজি, পটকা ফুটানো, হালুয়া রুটি বানানোসহ অন্যান্য দুনিয়াবী কাজে ব্যস্ত না থেকে যথা সম্ভব আল্লাহ তায়ালার ইবাদাতে, জিকির আজকার, তওবা ইস্তিগফার, দলবদ্ধ না হয়ে একাকী কবর জিয়ারত, নফল নামাজ ও কুরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে যতটুকু সম্ভব রাত যাপন করা সওয়াবের কাজ।

আর শবে বরাত পরবর্তী দিনে রোজা রাখা অনেক বড় নেক আমল।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, যখন শাবান মাসের মধ্যবর্তী রাত উপস্থিত হয় তখন তোমরা এ রাত (ইবাদতের মধ্যে) জাগরণ কর এবং দিনে রোজা রাখ (আল হাদিস)।

অন্যত্র নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, এই রাতে আল্লাহ তায়ালা প্রথম আসমানে অবতরণ করেন এবং ফজর উদিত হওয়ার আগ পর্যন্ত বলতে থাকেন গুনাহ থেকে ক্ষমা চাওয়ার কে আছ ? আমি তাকে ক্ষমা করে দিব। অসুস্থতা থেকে সুস্থ চাওয়ার কে আছ আমি তাকে সুস্থ করে দিব।

রিযিক অন্বেষণকারী কে আছ? আমি তার রিযিকের ব্যবস্থা করে দিব।

কে আছ তওবাকারী? আমি তার তওবা কবুল করে নিব (আল হাদিস)।

এই রজনীতে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা পরম করুণাময়ের অনুগ্রহ লাভের আশায় নফল নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত, জিকিরে মগ্ন থাকেন। অনেকে রোজা রাখেন, দান-খয়রাত করেন। অতীতের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা, ভবিষ্যৎ জীবনের কল্যাণ কামনা ও বিভিন্ন মহামারি থেকে মুক্তির জন্য মুসলমানরা মোনাজাতে অংশ নেবেন। এছাড়া অনেকেই এ রাতে মা-বাবাসহ আত্মীয়দের কবর জিয়ারত ও দোয়া করেন।