সোমবার ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২২ ১৪৩২, ১৬ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

নাইজেরিয়ায় নৌকা ডুবে নিহত ২৬ আমাদের প্রেসিডেন্টকে মুক্তি দিন’, বিক্ষোভে মাদুরো সমর্থকদের দাবি রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে নিহত ২ বিমানের ঢাকা-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট স্থগিত দাম বাড়ল এলপিজির প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: সকালে নয়, পরীক্ষা হবে শুক্রবার বিকালে ভারতে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ, ভেন্যু সরাতে বলবে বিসিবি আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা এত মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য আমাদের পরিবার ভুলবে না: তারেক রহমান কাওরানবাজারে পুলিশের সঙ্গে মোবাইল ব্যবসায়ীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া মামলার জট কমাতে সহযোগিতা চাইলেন নতুন প্রধান বিচারপতি শরীয়তপুরে খোকন দাস হত্যায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার ২০২৫ সালে সড়কে ঝরেছে ৯১১১ প্রাণ ভেনেজুয়েলায় ডেলসি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, হাইকোর্টের নির্দেশ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে নেই জাকের, আছেন সোহান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক জোরদার হবে, আশা জয়শঙ্করের সংসদ নির্বাচন: সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ২৫ থেকে ৮৪ লাখ টাকা, না মানলে ৭ বছর জেল বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধে তথ্য উপদেষ্টাকে অনুরোধ আসিফ নজরুলের

ইসলাম

নিশ্চিত জান্নাত যাদের জন্য

 প্রকাশিত: ১৫:২১, ১৩ অক্টোবর ২০২১

নিশ্চিত জান্নাত যাদের জন্য

সব ঈমানদার মুসলমানের একটাই চাওয়া, মৃত্যু পরবর্তী জীবনে জান্নাতবাসী হওয়া। শান্তির সেই জায়গায় কারা নিশ্চিতভাবে থাকতে পারবেন, সে বর্ণনা আল্লাহ তায়ালা কোরআনে উল্লেখ করেছেন। সুরা মু’মিনুনের প্রথম দিকের কয়েকটি আয়াত নাযিল করে আল্লাহ তায়ালা জানিয়ে দিয়েছেন কার ভাগ্যে রয়েছে শান্তিময় সেই জান্নাত।   

উরওয়াহ ইবনে যুবাইরের একটি বর্ণনা থেকে জানা যায়, তিনি আবদুর রহমান ইবনে আবদুল কারীর বরাত দিয়ে হযরত উমরের (রা.) উদ্ধৃতি বর্ণনা করেছেন যে, সুরাটি তার উপস্থিতিতেই নাযিল হয়। ওহি নাযিলের সময় মহানবীর (সা.) অবস্থা কেমন হয়েছিল তা তিনি নিজের চোখে দেখেছিলেন। এ অবস্থা কেটে যাওয়ার পর নবী (সা.) বলেন, এ সময় আমার ওপর এমন ১০টি আয়াত নাযিল হয়েছে, যদি কেউ সেগুলোর মানদণ্ডে পুরোপুরি উতরে যায়, তাহলে সে নিশ্চয় জান্নাতে প্রবেশ করবে। তারপর তিনি এ সুরার প্রথম দিকের আয়াতগুলো শোনান।  

সুরা মু’মিনুনের ১ থেকে ১১ আয়াতে সেই মানদণ্ডের কথা বলা হয়েছে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, ‘নিশ্চয় সফলকাম হয়েছে মুমিনরা। যারা নিজেদের নামাজে বিনয় অবলম্বন করে। অনর্থক আচরণ থেকে দূরে থাকে। যাকাতের পথে সক্রিয় থাকে। নিজেদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে। নিজেদের স্ত্রীদের ও অধিকারভুক্ত বাঁদীদের ছাড়া এদের কাছে (হেফাজত না করলে) তারা তিরস্কৃত হবে না। তবে যারা এর বাইরে আরও কিছু চাইবে, তারাই হবে সীমালঙ্ঘনকারী। নিজেদের আমানত ও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করে। নিজেদের নামাজের হেফাজত করে। তারাই এমন ধরনের উত্তরাধিকারী, যারা নিজেদের উত্তরাধিকার হিসেবে ফিরদৌস (সবচেয়ে উত্তম ও সর্বোচ্চ জান্নাত) লাভ করবে এবং সেখানে চিরকাল থাকবে।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল