রোববার ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৯ ১৪৩২, ০৫ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

গণমাধ্যমের অভিভাবক হওয়ার দায়িত্ব আমার: তথ্যমন্ত্রী মোংলা-খুলনা রেলপথে একাধিক ট্রেন চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: মন্ত্রী নাগরিক কমিটিকে সম্পৃক্ত করে টিসিবির কার্যক্রম স্বচ্ছ করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী কুষ্টিয়ায় গ্যাস লরির সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৫ তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রথম দিন: বৃক্ষরোপণ ও ডাকটিকিট অবমুক্ত ছুটির দিনে প্রথমবার তেজগাঁওয়ে অফিস করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’-এর শপথের কোনো প্রয়োজন নেই: পানিসম্পদ মন্ত্রী এ্যানি বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করলে পরিণতি ভয়াবহ হবে: রুমিন ইরানে সীমিত আকারে হামলা হতে পারে, জানালেন ট্রাম্প আদালতের তিরস্কারের পর ট্রাম্পের ১০% শুল্ক ঘোষণা ইতিহাসে প্রথমবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জামায়াত আমিরের শ্রদ্ধা একুশের প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা দেশজুড়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ, মানুষের ঢল মৌলভীবাজারে পিকআপ-অটোরিকশার সংঘর্ষে নিহত ৩ প্রশান্ত মহাসাগরে সন্দেহভাজন নৌযানে মার্কিন হামলায় নিহত ৩

ইসলাম

ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স নিয়ে মারা গেলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করা প্রসঙ্গে

 আপডেট: ১২:২৬, ১৩ মার্চ ২০২৩

ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স নিয়ে মারা গেলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করা প্রসঙ্গে

প্রশ্ন: সিম থেকে ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স নিয়ে ইন্তেকাল করলে আখেরাতে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে?

উত্তর: মোবাইলের মাধ্যেমে সিম থেকে ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স নেয়ার মানে হলো, আপনি ঐ সিম কোম্পানীর কাছ থেকে উক্ত টাকা ঋণ হিসেবে নিয়েছেন।

অন্যান্য ঋণ যেভাবে পরিশোধ করা আপনার দায়িত্ব ও কর্তব্য, তেমনি মোবাইল রিচার্জের ঋণও পরিশোধ করা আপনার কর্তব্য।

যদি তা আদায় না করে কেউ মৃত্যুবরণ করে, আত্মীয়-স্বজনদের উচিত সেই ঋণ পরিশোধ করে দেয়া।

যদি আপনার ইচ্ছে থাকার সত্বেও উক্ত ঋণ পরিশোধ করার আগেই মৃত্যুবরণ করে থাকেন, তাহলে আশা করা যায় যে, হয়তো আল্লাহ তাআলা আপনাকে ক্ষমা করে দিবেন। কিন্তু ইচ্ছেকৃতভাবে পরিশোধ না করা বা পরিশোধ না করার ইচ্ছে থাকা অবস্থায় ইন্তেকাল করলে আল্লাহ তা’আলার কাছে এর জবাবদিহি করতে হবে।


তথ্যসুত্র: ১. সূরাতুন নিসা ৪৮; ২. তিরমিজি ১/২০৩; ৩. নাসাঈ ২/২০২; ৪. রদ্দুল মুহতার ২/৫৩৩; ৪. মাবছুত ৩/১২৪


والله اعلم بالصواب
উত্তর লিখনে
মুফতি বেলাল রহমানী

উস্তাজুল ইফতা– ইসলামিক রিসার্চ একাডেমি বাংলাদেশ, বসুমতি, ভাটারা, ঢাকা।