সোমবার ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৭ ১৪৩২, ২১ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

৪৬তম বিসিএসে চাকরি পাচ্ছেন ১ হাজার ৪৫৭ প্রার্থী টানা তিন মাস মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী ১২ তারিখ দেশ পুনর্গঠনের নির্বাচন: তারেক রহমান হাদি হত্যাকাণ্ড তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার ভোট ঘিরে মোবাইল ব্যাংকিং সীমিত রাখার নির্দেশ বন্দরে ধর্মঘট নিয়ে হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের যুক্তরাষ্ট্রে বৈঠকের পর হন্ডুরাসের নতুন নেতার প্রশংসায় ট্রাম্প ঋণখেলাপি-ব্যাংকডাকাতদের নিয়ে দুর্নীতি দমন করবেন, হাস্যকর : জামায়াত আমির বন্দরের অচলাবস্থা নিরসনে উদ্যোগ নিতে ৪ ব্যবসায়ী সংগঠনের চিঠি টিআইবির প্রতিবেদন গভীর পর্যালোচনার দাবি রাখে : বলছে সরকার জামায়াতসহ ৩০টি দল কোনো নারীকে প্রার্থিতা দেয়নি: টিআইবি চট্টগ্রাম বন্দর সচল আছে, দাবি চেয়ারম্যানের ফের লাগাতার ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুদানে আরএসএফের ড্রোন হামলায় ২৪ বেসামরিক নিহত

আন্তর্জাতিক

তিব্বতকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চাচ্ছে চীন

 প্রকাশিত: ২১:৪২, ৩ জুন ২০২১

তিব্বতকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চাচ্ছে চীন

চীনের নিপীড়ন তিব্বতীদের ওপর অব্যাহত থাকায় বিদায়ী তিব্বতী রাষ্ট্রপতি-নির্বাসিত লবসাং সাংগে সতর্ক করে দিয়েছেন যে তিব্বতকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চায় চীন।

এক সাক্ষাৎকারে সাংগে বলেন, তারা তিব্বতকে চীনের একটি প্রদেশে পরিণত করতে চায় এবং তারা তিব্বতীদের চীনা ভাষায় কথা বলতে বাধ্য করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, তিব্বতে চীনের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা নারীদের জোর করে বন্ধ্যা করে দিচ্ছে, লোকজনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে এবং হত্যা করা হচ্ছে। এগুলো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় তিব্বতী প্রশাসনের (সিটিএ) বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন। তার এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল চীনা আগ্রাসন বৃদ্ধির বিরুদ্ধে তিব্বতের প্রতি আরও সমর্থনের জন্য বাইডেন প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।  

ফ্রিডম হাউস, একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) বলছে, তিব্বত এখন বিশ্বের সবচেয়ে কম মুক্ত দেশ হিসেবে সিরিয়ার সঙ্গে স্থান পেয়েছে। সারা দেশের বেশিরভাগ বৌদ্ধ স্থান নিষিদ্ধ, তাদের পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং সন্ন্যাসীদের ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে। তাদের হাজার বছরের প্রাচীন সংস্কৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।  

চীন তিব্বতের বিরুদ্ধে একই দমন কৌশল ব্যবহার করছে যা তারা জিনজিয়াংয়ে উইগুর এবং অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে আসছে। তিব্বতে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে শ্রম শিবিরে বন্দী রাখা হয়েছে।  

চীনা সরকার ১৯৫০ সালে তিব্বত দখল করে, ৯৮ শতাংশ মঠ ধ্বংস করে। তারপর থেকে এই অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল