বুধবার ২৫ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১১ ১৪৩২, ০৬ শাওয়াল ১৪৪৭

ব্রেকিং

জ্বালানি সংকট সামলাতে কোভিডকালের নিয়মে ফেরার চিন্তায় এশিয়ার দেশগুলো দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে অর্ধশতাধিক যাত্রী নিয়ে বাস পদ্মায়, হতাহতের শঙ্কা ২০২৭ সাল থেকে এসএসসির বিষয় কমানোর চিন্তা স্পট মার্কেট থেকে আরো ২ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার মানিকগঞ্জে নদীতে গোসলে নেমে ভাই-বোনের মৃত্যু নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জেনারেল মাসুদকে এবার দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষায় জোর দেওয়ার তাগিদ জোবাইদা রহমানের প্রাথমিকের ‘আটকে যাওয়া’ বৃত্তি পরীক্ষা শুরু ১৫ এপ্রিল যুদ্ধ বন্ধের আলোচনায় ভ্যান্স-রুবিও, ‘শুনতে আগ্রহী’ ইরান মধ্যপ্রাচ্যে আরও ‘তিন-চার হাজার সেনা পাঠাতে যাচ্ছে’ যুক্তরাষ্ট্র কক্সবাজারে ছুরিকাঘাতে ‘জুলাই যোদ্ধা’ নিহত স্বাধীনতা দিবস ঘিরে স্মারক ডাক টিকেট উন্মোচন প্রধানমন্ত্রীর ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচ শর্ত

আন্তর্জাতিক

সৌদিতে আরবে আরো ২ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

 প্রকাশিত: ১১:২৫, ১ জুলাই ২০২২

সৌদিতে আরবে আরো ২ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

সৌদি আরবে গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) পবিত্র হজ পালনে গিয়ে আরো দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

এর মধ্যে একজন নারী ও অপরজন পুরুষ। এ নিয়ে এ বছর সৌদিতে হজ পালনে গিয়ে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু হলো। এর মধ্যে পুরুষ ৬ জন এবং নারী ৩ জন রয়েছেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ম্যানেজমেন্ট পোর্টাল পিলগ্রিমের ডেথ নিউজে এসব তথ্য জানা গেছে।

পিলগ্রিম সূত্রে জানা যায়, ৩০ জুন মৃত দু’জনের মধ্যে একজনের নাম ফাতেমা বেগম (৬০)। তার গ্রামের বাড়ি রাজধানী ঢাকার বাড্ডা এলাকায়। তার পাসপোর্ট নম্বর- ইই০৩৮২৮৪৩। তার হজ গাইড মো. রজমান আলী ভূঁইয়া, মোনাজ্জেম মোহাম্মদ আবদুছ ছালাম ভূঁইয়া।

এছাড়া এদিন মৃত অন্যজন হলেন রফিকুল ইসলাম (৪৭)। তার পাসপোর্ট নং বিটি০৪৮৫৪৩৩। তিনি সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থানার জামতৈল গ্রামের বাসিন্দা।

এর আগে, আরো সাতজন বাংলাদেশি মারা গেছেন। এর মধ্যে জাহাঙ্গীর কবির (৫৯) ১১ জুন, নুরুল আমিন (৬৪) ১৬ জুন, রামুজা বেগম (৫৪), মো. হেলাল উদ্দিন মোল্লা (৬৩) ১৭ জুন, আবদুল জলিল খান (৬২) ও বিউটি বেগম (৪৭) ২১ জুন এবং ২৮ জুন মো. আব্দুল গফুর মিয়া (৬১) মারা যান।

সৌদি আরেবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। মৃতদেহ তার নিজ দেশে নিতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না।