বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ১৯ ১৪৩২, ১৫ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

খামেনির পর ইসরায়েলের নিশানায় পেজেশকিয়ান, ইরানের প্রেসিডেন্টের দপ্তরে হামলা বাড়তে পারে ঈদের ছুটি, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের অপেক্ষা সব জেলায় জিলা স্কুল হবে: শিক্ষামন্ত্রী হরমুজ প্রণালি বন্ধে বাড়ছে তেলের মূল্য বৃদ্ধির শঙ্কা সৌদি আরামকোতে ড্রোন হামলায় ইসরায়েলকে দায়ী করল ইরান, বলল ছদ্মবেশী অভিযান দুদক চেয়ারম্যানসহ পুরো কমিশনের পদত্যাগ নিজেকে এক বছরের জন্য ‘ভিভিআইপি’ ঘোষণা করে গেছেন ইউনূস চার দিনে শাহজালাল ও শাহ আমানতে ১৮২ ফ্লাইট বাতিল কণ্ঠশিল্পী আসিফের মদের মামলার রায় ৯ মার্চ স্টারমারের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প ঈদযাত্রা: ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু ফের বাড়লো সোনার দাম, প্রতি ভরি ২৭৭৪২৮ টাকা ইরানের সরাসরি হামলায় কুয়েতে ৬ মার্কিন সেনা নিহত ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি: রিয়াদের ঘটনায় ‘খুব শিগগির` জবাব দেওয়া হবে রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে ড্রোন হামলা এটি অনন্ত যুদ্ধ নয় বরং শান্তির প্রবেশদ্বার: নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক

সৌদিতে আরবে আরো ২ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

 প্রকাশিত: ১১:২৫, ১ জুলাই ২০২২

সৌদিতে আরবে আরো ২ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু

সৌদি আরবে গতকাল বৃহস্পতিবার (৩০ জুন) পবিত্র হজ পালনে গিয়ে আরো দুই বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

এর মধ্যে একজন নারী ও অপরজন পুরুষ। এ নিয়ে এ বছর সৌদিতে হজ পালনে গিয়ে ৯ বাংলাদেশির মৃত্যু হলো। এর মধ্যে পুরুষ ৬ জন এবং নারী ৩ জন রয়েছেন।
ধর্ম মন্ত্রণালয়ের হজ ম্যানেজমেন্ট পোর্টাল পিলগ্রিমের ডেথ নিউজে এসব তথ্য জানা গেছে।

পিলগ্রিম সূত্রে জানা যায়, ৩০ জুন মৃত দু’জনের মধ্যে একজনের নাম ফাতেমা বেগম (৬০)। তার গ্রামের বাড়ি রাজধানী ঢাকার বাড্ডা এলাকায়। তার পাসপোর্ট নম্বর- ইই০৩৮২৮৪৩। তার হজ গাইড মো. রজমান আলী ভূঁইয়া, মোনাজ্জেম মোহাম্মদ আবদুছ ছালাম ভূঁইয়া।

এছাড়া এদিন মৃত অন্যজন হলেন রফিকুল ইসলাম (৪৭)। তার পাসপোর্ট নং বিটি০৪৮৫৪৩৩। তিনি সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থানার জামতৈল গ্রামের বাসিন্দা।

এর আগে, আরো সাতজন বাংলাদেশি মারা গেছেন। এর মধ্যে জাহাঙ্গীর কবির (৫৯) ১১ জুন, নুরুল আমিন (৬৪) ১৬ জুন, রামুজা বেগম (৫৪), মো. হেলাল উদ্দিন মোল্লা (৬৩) ১৭ জুন, আবদুল জলিল খান (৬২) ও বিউটি বেগম (৪৭) ২১ জুন এবং ২৮ জুন মো. আব্দুল গফুর মিয়া (৬১) মারা যান।

সৌদি আরেবের আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি হজ করতে গিয়ে যদি মৃত্যুবরণ করেন তাহলে তার মরদেহ সৌদি আরবে দাফন করা হয়। মৃতদেহ তার নিজ দেশে নিতে দেওয়া হয় না। এমনকি পরিবার-পরিজনের কোনো আপত্তি গ্রাহ্য করা হয় না।