সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২০ ১৪৩২, ১৪ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে বোমা ও বন্দুক হামলা, নিহত ১৯৩ যোগ্যতার ভিত্তিতে নারীরা দেশ গড়ার কাজ পাবেন: জামায়াত আমির সহিংসতার কারণ দলগুলোর ‘নিজেদের ভেতরের সমস্যা’, দাবি স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কয়েকজন উপদেষ্টা ‘কূটনৈতিক পাসপোর্ট সারেন্ডার’ করেছেন নারীর ‘পরিচালক’ পুরুষ, তাই শীর্ষ পদ ‘মুখ্য নয়’ জামায়াতের নারীদের কাছে শান্তি কমিটির কথা ‘আজগুবি’: জামায়াতে ইসলামী আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় ট্রাইব্যুনালে রায় ৫ ফেব্রুয়ারি এবার খুলনা ও যশোরে যাচ্ছেন তারেক রহমান ‘ভোট দিতে ভয় পাবেন না, আমরা পাশে আছি’: হিন্দুদের উদ্দেশে ফখরুল দুদকের ডাকে সাড়া দেননি উত্তর সিটির এজাজ, দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা বাহাউদ্দিন নাছিমের ৩৩ কোটি টাকার ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ‘গলা চেপে ধরার’ হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের, দমবন্ধ অবস্থায় কিউবানরা চট্টগ্রাম বন্দরে রোববারও চলছে কর্মবিরতি, অচলাবস্থা প্রার্থিতা: নিরাশ হলেন মুন্সী ও গফুর, ভোট করতে পারবেন মোবাশ্বের অন্য হাজতির পরিচয়ে কারামুক্ত হয়ে পালালেন হত্যা মামলার আসামি সব ধরনের জ্বালানি তেলের দাম কমলো রাফা সীমান্ত ক্রসিং খুলল ইসরায়েল কারিগরি ত্রুটির’ কারণে ইউক্রেনে ভয়াবহ বিদ্যুৎ বিপর্যয় আমরা মুক্ত!’: নতুন ভোরের ইঙ্গিত দেখছে ভেনেজুয়েলাবাসী

ফিচার

মুঘল নির্মাণ শৈলীতে নির্মিত কুমিল্লার সিঙ্গাচোঁ জামে মসজিদ

 প্রকাশিত: ১১:৩২, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

মুঘল নির্মাণ শৈলীতে নির্মিত কুমিল্লার সিঙ্গাচোঁ জামে মসজিদ

কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলার আগানগর ইউনিয়নে প্রত্নতত্ত্ব নিদর্শন জামে মসজিদটি মুঘল নির্মাণ শৈলীতে নির্মিত। প্রায় তিনশ বছর আগে নির্মিত এই মসজিদটি উপজেলার সিঙ্গাচোঁ ভূঁইয়া বাড়িতে অবস্থিত। মসজিদটি বর্তমানে ভগ্নদশায় পতিত হয়েছে। ইতিমধ্যেই মসজিদটিতে ফাটল ধরেছে ছাদ চুয়ে বৃষ্টির পানি পড়ছে।

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর সূত্র ও এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, মসজিদটি মুঘল সাম্রাজ্যের শেষভাগে বৃটিশ শাসনামলের আগে নির্মাণ করেন জমিদার আসকর আলী ভূঁইয়া।

সিঙ্গাচোঁ ভূঁইয়া বাড়ি মসজিদটি আয়তাকার ভূমি নকশায় নির্মিত তিন গম্বুজ বিশিষ্ট মসজিদ। মুঘল নির্মাণ শৈলীতে নির্মিত মসজিদটি বেশ কারুকার্য খচিত ফুল, লতা-পাতা ও জ্যামিতিক নকশার অলংকরণ রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল গফুর বাসসকে জানান, মসজিদটি আনুমানিক ৩৫০-৪০০ বছর আগে নির্মাণ করা হয়েছে। সে হিসেবে মসজিদটির নির্মাণকাল আনুমানিক খ্রিস্টীয় ১৭-১৮শ’ শতক হতে পারে। এতো পুরোনো এই মসজিদটি ইতিমধ্যেই কুমিল্লার প্রতœতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকায় অর্ন্তরভূক্ত করা হয়েছে এবং মসজিদের সামনে জনসাধারণের জ্ঞাতার্থে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের আঞ্চলিক পরিচালক ড. আতাউর রহমান বলেন, মসজিদটি মধ্যযুগের স্থাপত্য শিল্পের অপূর্ব নিদর্শন। মসজিদকে খুব শিগগিরই সংস্কার করা হবে।