বুধবার ১৭ জুন ২০২৬, আষাঢ় ৩ ১৪৩৩

ব্রেকিং

‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলা দলের বিরুদ্ধে সজাগ থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী কাঁটাতারের বেড়া বসবে মিয়ানমার সীমান্তে, ভারত সীমান্ত ‘বিবেচনায়’: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চুক্তি বাস্তবায়ন না হলে ফের ইরানে হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের ১৬ দিনে প্রবাসীরা পাঠালেন ২১ হাজার ২২৩ কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে বিমানবন্দর থেকে ‘সাথে সাথেই’ সংসদে এমরান স্পিনে বাংলাদেশকে ধরাশায়ী করে সিরিজে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া রেলযাত্রা দ্রুত ও নিরাপদ করতে চালু হবে বৈদ্যুতিক ট্রেন: প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে হত্যা মানবাধিকারের লঙ্ঘন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাকলিয়ার শিশু ধর্ষণ: আসামি মনির হোসেনের যাবজ্জীবন হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৪ জনের মৃত্যু ময়মনসিংহে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে তুলে নিয়ে ‘দলবেঁধে ধর্ষণ’ পাঁচ জেলায় বন্যার শঙ্কা শিশু আয়াত হত্যা: আসামি আবীরের ফাঁসির রায় সিলেটে চা শ্রমিকদের ফুলবৃষ্টিতে সিক্ত প্রধানমন্ত্রী, পথে পথে অভ্যর্থনা সীমান্তে ভারতের পুশ-ইন নিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচের উদ্বেগ গোলের চূড়ায় ক্লোসার সঙ্গী এখন মেসি এমবাপে ২ হলান্ড ২ মেসি ৩, বিশ্বকাপের বিশ্ব কাঁপানো দিন

জাতীয়

কোটা থাকবে, সরকার হার পরিবর্তন করতে পারবে: হাই কোর্টের রায়

 প্রকাশিত: ১৯:২৮, ১১ জুলাই ২০২৪

কোটা থাকবে, সরকার হার পরিবর্তন করতে পারবে: হাই কোর্টের রায়

সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান ও করপোরেশনে চাকরিতে সরাসরি নিয়োগে দুটি গ্রেডে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে দেওয়া রায়ের মূল অংশ প্রকাশ করেছে হাই কোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের বেঞ্চ এ রায় প্রকাশ করে বলে জানিয়েছেন ডেপুটি অ্যটর্নি জেনারেল শেখ সাইফুজ্জামান রায়।

আন্দোলনকারী ও সরকারের তরফে কোটা সংস্কারের যে কথা বলা হচ্ছে, এই রায়ের মধ্য দিয়ে তার পথ প্রশস্ত হলো।

রায়ে বলা হয়েছে, সরকার চাইলে কোটা পদ্ধতির পরিবর্তন ও পরিবর্ধন করতে পারবে। কোটা পূরণ না হলে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ দিতে পারবে।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির সরকারি চাকরিতে সব কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করে সরকার। এক রিট আবেদনের রায়ে গত ৫ জুন মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করে হাই কোর্ট।

এরপর থেকেই ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নতুন করে আন্দোলনে নামেন চাকরিপ্রত্যাশী তরুণরা। প্রথম কয়েক দিন মিছিল, মানববন্ধনের মত কর্মসূচি থাকলেও এ সপ্তাহের শুরু থেকে শুরু হয় তাদের অবরোধ কর্মসূচি, যার নাম তারা দিয়েছে ‘বাংলা ব্লকেড’।

‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ব্যানারে আন্দোলনকারীরা শুরুতে চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ করলেও এখন তারা মাঠে রয়েছে এক দফা নিয়ে।

তাদের দাবি হল- সব গ্রেডে সব ধরনের ‘অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক’ কোটা বাতিল করে সংবিধানে উল্লেখিত অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ‘ন্যূনতম পর্যায়ে’ এনে সংসদে আইন পাস করে কোটা পদ্ধতিকে সংশোধন করতে হবে৷

ওই ‘ন্যূনতম পর্যায়’ বলতে প্রতিবন্ধী ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ অনগ্রসর লোকদের জন্য ৫ শতাংশ পর্যন্ত কোটা ‘গ্রহণযোগ্য’ মনে করছে তারা।

আন্দোলনকারীরা গত রবি ও সোমবার বিকালে ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড় অবরোধ করে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করেন। এরপর বুধবার সকাল-সন্ধ্যা সারা দেশে তাদের একই কর্মসূচি চলে। তাতে যানজট এবং পরিবহন না পেয়ে দুর্ভোগে পড়ে মানুষ।

এই আন্দোলনের মধ্যেই সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ বুধবার কোটা নিয়ে স্থিতাবস্থা জারির আদেশ দেয়।

কিছু পর্যবেক্ষণ ও নির্দেশনা দিয়ে সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, কোটা নিয়ে এখন কোনো কথা বলা যাবে না। হাই কোর্টের রায়ের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হলে আপিল বিভাগ আবার বিষয়টি শুনবে।