সোমবার ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২০ ১৪৩২, ১৪ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

শবে বরাত: অন্যায়-অবিচার পরিহারের আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার লুটেরাদের পেটে হাত ঢুকিয়ে সব বের করে আনা হবে: জামায়াত আমির একাত্তরে তাদের কারণে মা-বোনদের সম্মান গেছে, এখনো দরদ নেই: তারেক গৃহকর্মী নির্যাতন: গ্রেপ্তারের পর কারাগারে বিমানের এমডি ও স্ত্রী শেখ হাসিনার বাইরে গিয়েও ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক এগোতে পারে: ফখরুল আরও বাড়ল এলপিজির দাম ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ২ জন নিহত : কর্তৃপক্ষ এরা মিথ্যাবাদী, মিথ্যাবাদীরা দেশ চালাতে পারে না: তারেক রহমান আমুর ৮ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ ববি ও রূপন্তীর প্লটের বরাদ্দ বাতিলের নির্দেশ প্লট দুর্নীতি: হাসিনা-টিউলিপের সঙ্গে এবার ববি ও রূপন্তীর সাজা ‘এনসিটি’ নিয়ে আন্দোলন: তৃতীয় দিনে ৮ ঘণ্টার কর্মবিরতি সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার যাচ্ছে জেলায় জেলায় লক্ষ্মীপুর-৪: বিএনপির প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়ে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র প্রার্থী জানুয়ারিতে রেমিট্যান্স এলো ৩৮ হাজার কোটি টাকা আসতে পারে শৈত্যপ্রবাহ, হতে পারে বজ্র ও শিলাবৃষ্টি বিশ্বকাপে খেলবে পাকিস্তান, বয়কট করবে ভারত ম্যাচ

আন্তর্জাতিক

তিব্বতকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চাচ্ছে চীন

 প্রকাশিত: ২১:৪২, ৩ জুন ২০২১

তিব্বতকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চাচ্ছে চীন

চীনের নিপীড়ন তিব্বতীদের ওপর অব্যাহত থাকায় বিদায়ী তিব্বতী রাষ্ট্রপতি-নির্বাসিত লবসাং সাংগে সতর্ক করে দিয়েছেন যে তিব্বতকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চায় চীন।

এক সাক্ষাৎকারে সাংগে বলেন, তারা তিব্বতকে চীনের একটি প্রদেশে পরিণত করতে চায় এবং তারা তিব্বতীদের চীনা ভাষায় কথা বলতে বাধ্য করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, তিব্বতে চীনের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা নারীদের জোর করে বন্ধ্যা করে দিচ্ছে, লোকজনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে এবং হত্যা করা হচ্ছে। এগুলো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় তিব্বতী প্রশাসনের (সিটিএ) বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন। তার এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল চীনা আগ্রাসন বৃদ্ধির বিরুদ্ধে তিব্বতের প্রতি আরও সমর্থনের জন্য বাইডেন প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।  

ফ্রিডম হাউস, একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) বলছে, তিব্বত এখন বিশ্বের সবচেয়ে কম মুক্ত দেশ হিসেবে সিরিয়ার সঙ্গে স্থান পেয়েছে। সারা দেশের বেশিরভাগ বৌদ্ধ স্থান নিষিদ্ধ, তাদের পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং সন্ন্যাসীদের ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে। তাদের হাজার বছরের প্রাচীন সংস্কৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।  

চীন তিব্বতের বিরুদ্ধে একই দমন কৌশল ব্যবহার করছে যা তারা জিনজিয়াংয়ে উইগুর এবং অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে আসছে। তিব্বতে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে শ্রম শিবিরে বন্দী রাখা হয়েছে।  

চীনা সরকার ১৯৫০ সালে তিব্বত দখল করে, ৯৮ শতাংশ মঠ ধ্বংস করে। তারপর থেকে এই অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল