শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ৩ ১৪৩২, ২৭ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

ইরানের প্রতি হুমকি ‘অস্থিরতা’ বৃদ্ধি করেছে: জাতিসংঘ কর্মকর্তা প্রধানমন্ত্রী তাকাইচিকে চ্যালেঞ্জ জানাতে জাপানে বিরোধীদের জোট নির্বাচনে জামায়াত ১৭৯ আসনে, এনসিপি ৩০ আসনে লড়বে ‘এবার গুলি ফস্কাবে না’, ট্রাম্পের রক্তাক্ত ছবি দেখিয়ে হুমকি ইরানের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ হচ্ছে সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে এবার মামলা করছে দুদক হাদি হত্যা মামলার পুনঃতদন্তে সিআইডি অধ্যাদেশের দাবিতে সোমবার থেকে সায়েন্স ল্যাব মোড়ে অবস্থান কর্মসূচি, অনড় শিক্ষার্থীরা চলন্ত বাসে ছাত্রীকে রাতভর ‘দলবেঁধে ধর্ষণ’, চালক-হেলপারসহ আটক ৩ কয়েক ঘণ্টা বন্ধ রাখার পর আকাশসীমা আবার খুলেছে ইরান এসএসসি পরীক্ষা শুরু ২১ এপ্রিল ইরানে হত্যাকাণ্ড বন্ধ, তেহরানের দাবি: ফাঁসির পরিকল্পনা নেই ট্রাম্পের ‘যুদ্ধক্ষমতা সীমিত’ লক্ষ্য থেকে সরে এল সিনেট ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি: অধ্যাদেশের দাবিতে ফের সড়কে সাত কলেজ পাবনা ১ ও ২ আসনে ভোটের বাধা কাটল হাসিনার আমৃত্যু কারাদণ্ডের মামলা আপিলের কার্য তালিকায় বাংলাদেশ, পাকিস্তানসহ ৭৫ দেশের অভিবাসী ভিসা বন্ধ করছে যুক্তরাষ্ট্র বিক্ষোভকারী এরফানের মৃত্যুদণ্ড স্থগিত করল ইরান

আন্তর্জাতিক

তিব্বতকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চাচ্ছে চীন

 প্রকাশিত: ২১:৪২, ৩ জুন ২০২১

তিব্বতকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চাচ্ছে চীন

চীনের নিপীড়ন তিব্বতীদের ওপর অব্যাহত থাকায় বিদায়ী তিব্বতী রাষ্ট্রপতি-নির্বাসিত লবসাং সাংগে সতর্ক করে দিয়েছেন যে তিব্বতকে প্রদেশে রূপান্তরিত করতে চায় চীন।

এক সাক্ষাৎকারে সাংগে বলেন, তারা তিব্বতকে চীনের একটি প্রদেশে পরিণত করতে চায় এবং তারা তিব্বতীদের চীনা ভাষায় কথা বলতে বাধ্য করতে চায়।

তিনি আরও বলেন, তিব্বতে চীনের সামরিক বাহিনীর সদস্যরা নারীদের জোর করে বন্ধ্যা করে দিচ্ছে, লোকজনকে গ্রেফতার করা হচ্ছে, নির্যাতন করা হচ্ছে এবং হত্যা করা হচ্ছে। এগুলো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।

কেন্দ্রীয় তিব্বতী প্রশাসনের (সিটিএ) বিদায়ী প্রেসিডেন্ট সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফর করেছেন। তার এ সফরের উদ্দেশ্য ছিল চীনা আগ্রাসন বৃদ্ধির বিরুদ্ধে তিব্বতের প্রতি আরও সমর্থনের জন্য বাইডেন প্রশাসনের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।  

ফ্রিডম হাউস, একটি বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) বলছে, তিব্বত এখন বিশ্বের সবচেয়ে কম মুক্ত দেশ হিসেবে সিরিয়ার সঙ্গে স্থান পেয়েছে। সারা দেশের বেশিরভাগ বৌদ্ধ স্থান নিষিদ্ধ, তাদের পতাকা ছিঁড়ে ফেলা হয়েছে এবং সন্ন্যাসীদের ক্যাম্পে আটকে রাখা হয়েছে। তাদের হাজার বছরের প্রাচীন সংস্কৃতি মুছে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে।  

চীন তিব্বতের বিরুদ্ধে একই দমন কৌশল ব্যবহার করছে যা তারা জিনজিয়াংয়ে উইগুর এবং অন্যান্য জাতিগত সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করে আসছে। তিব্বতে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে শ্রম শিবিরে বন্দী রাখা হয়েছে।  

চীনা সরকার ১৯৫০ সালে তিব্বত দখল করে, ৯৮ শতাংশ মঠ ধ্বংস করে। তারপর থেকে এই অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল