শুক্রবার ০২ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ১৯ ১৪৩২, ১৩ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

৪৬তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ বিএনপি আমলে র‌্যাবকে ‘রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি’, দাবি বাবরের সঞ্চয়পত্রে মুনাফার সর্বোচ্চ সীমা কমলো আওয়ামী লীগ থেকে এসে যোগ দেন, দায়-দায়িত্ব আমাদের: জামায়াতের লতিফুর রংপুর-১: জাপা প্রার্থী মঞ্জুম আলীর মনোনয়নপত্র বাতিল এনইআইআর চালু, প্রতিবাদে বিটিআরসি কার্যালয়ে মোবাইল ব্যবসায়ীদের হামলা, ভাঙচুর ২৮৫৭ কোটি টাকা আত্মসাৎ: সালমান এফ রহমান, ভাই ও ছেলেদের বিরুদ্ধে চার মামলা করছে দুদক নিউ ইয়র্কের মেয়র হিসেবে কোরান ছুঁয়ে শপথ নিলেন জোহরান মামদানি পাবলিক প্লেসে ধূমপান-তামাক সেবনে জরিমানা ২ হাজার ই-সিগারেট, ভ্যাপ নিষিদ্ধ করে অধ্যাদেশ জারি পশ্চিম তীরের শরণার্থী শিবিরে ২৫ ভবন গুঁড়িয়ে দিচ্ছে ইসরাইল মাদকবাহী নৌকায় হামলায় নিহত ৮

জাতীয়

গুমের মামলায় ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

 আপডেট: ১৮:৪৪, ৬ জানুয়ারি ২০২৫

গুমের মামলায় ট্রাইব্যুনালে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা

গত ১৫ বছরে বলপূর্বক গুম ও বিচার বহির্ভূত হত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

এছাড়া এরই মধ্যে অন্য অভিযোগে গ্রেফতার হয়ে কারাবন্দি বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে আজকের অভিযোগে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনালে হাজির করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আজ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বে বিচারিক প্যানেল শেখ হাসিনা ও তার সাবেক নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং সাবেক আইজিপি বেনজির আহমেদসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এছাড়া একই অভিযোগে বরখাস্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানকে দেখানোর আবেদন করা হয়। এরপর ট্রাইব্যুনাল আদেশ দেন। এ সময় ট্রাইব্যুনালে গুমের শিকার ব্যাক্তি ও পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পদত্যাগ করে ৫ আগস্ট দেশ থেকে পালিয়ে যান সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর মধ্য দিয়ে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে টানা প্রায় ১৬ বছরের শাসনের পতন হয়।

গত জুলাই-আগস্টে গড়ে ওঠা ছাত্র-জনতার আন্দোলন নির্মূলে আওয়ামী লীগ সরকার, দলীয় ক্যাডার ও সরকারের অনুগত প্রশাসন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি অংশ গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ সংগঠিত করে। জাজ্জ্বল্যমান এই অপরাধের বিচার অনুষ্ঠিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালে।