ব্রেকিং:
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্বাচন উপলক্ষে ১৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন.

বুধবার   ১৩ নভেম্বর ২০১৯   কার্তিক ২৯ ১৪২৬  

সর্বশেষ:
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ ওয়েজবোর্ডের বিষয়টিকে আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি
১৫৯৬

চট্টগ্রামে নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ করতে ছদ্মবেশে জামায়াত

প্রকাশিত: ৮ ডিসেম্বর ২০১৮  

দেশের সবচেয়ে বড় ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে স্বাধীনতা বিরোধী এ দলটির ২০১৩ সালের ১ আগস্ট নিবন্ধন অবৈধ এবং সংগঠনটিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের অযোগ্য বলে ঘোষণা করে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট। ফলে আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রতীকে ভোটের মাঠে নামতে পাড়ছে না দলটি। তবে নির্বাচনে দলীয় প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করতে না পারলেও তাদের জোটগত দল বিএনপিকে ভোটে জয়যুক্ত করতে চট্টগ্রামে তিনস্তরে চলছে তাদের নির্বাচনী প্রস্তুতি।

চট্টগ্রামের বিভিন্ন স্থানে নাশকতা ও বিভিন্ন থানায় দায়ের হওয়া বিস্ফোরক মামলায় গ্রেফতার হওয়া কর্মীরা রিমান্ডে পুলিশকে এমনই তথ্য দিয়েছে বলে জানিয়েছেন এক পুলিশ কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এ পুলিশ কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করতে না পারলেও ছদ্মবেশ, আর্থিক প্রলোভন ও ভোটের মাঠে নারী কর্মীর ব্যবহার সহ সর্বমোট ৩ স্তরে নির্বাচনী প্রস্তুতি নিচ্ছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী দলটি। এছাড়াও ভোটের ১৫ দিন আগে নির্বাচনী মাঠে প্রকাশ্যে প্রচারণায় নামাসহ ভোটের দিন কেন্দ্র দখলে মরিয়া হয়ে উঠতে পারে জামায়াত।

পুলিশ কর্মকর্তার দেয়া তথ্য অনুসারে জামায়াতে ইসলামী দলটির ৩ স্তরের নির্বাচনী প্রস্তুতিতে যেসব পরিকল্পনা থাকছে-

ছদ্মবেশ :  

বাংলাদেশের পূর্বের নির্বাচনী ইতিহাসগুলোতে দেখা গেছে,  জামায়াতে ইসলামী দলটি তাদের নিজস্ব কিছু আসনে দলীয় মনোনীত প্রার্থীদের জয়যুক্ত করতে, আশেপাশের বিভিন্ন এলাকা ও দেশের বিভন্ন অঞ্চল থেকে তাদের একনিষ্ঠ কর্মীদের ছদ্মবেশে নির্ধারিত নির্বাচনী এলাকায় এনে জড়ো করতো। যেখানে ভোটের দিন তাদের প্রার্থীকে জয়যুক্ত করতে মরিয়া হয়ে উঠতো এসব একনিষ্ঠ কর্মীরা।

এছাড়াও ভোটের আগে ছদ্মবেশে লুকিয়ে থাকলেও ভোটের ১৫ দিন আগে থেকে নির্বাচনী মাঠে প্রকাশ্যে প্রচারণায় নামবে জামায়াত। এমনকি ভোটের দিন ছদ্মবেশে নৌকার স্লোগান দিয়ে কেন্দ্র দখল করতে পারে তারা।

আর্থিক প্রলোভন :

চট্টগ্রামে জামায়াতের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত সাতকানিয়া-লোহাগাড়া, মহেশখালী-কুতবদিয়া ও কক্সবাজার আসনে নির্বাচন কমিশনের নিযুক্ত প্রিজাইডিং অফিসারদের মোটা অংকের টাকার প্রলোভন দিবে দলটি। শুধু তাই নয়, দলটি  নির্বাচনের দিন নির্বাচন কমিশনের অধীনে কর্মরত সকল দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের টাকার প্রলোভন দিবে।

নারী কর্মীর ব্যবহার :

চট্টগ্রামের যেসব আসনে তাদের সংখ্যা গরিষ্ঠতা আছে সে আসনগুলোর মহিলা ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দিতে উৎসাহিত করার জন্য কাজ করবে দলটির নারী কর্মীরা। পাশাপাশি তরুণ ভোটার ও পুরুষ ভোটারদের ধানের শীষে ভোট দিতে উৎসাহিত করবে জামায়াত।

রিমান্ড তথ্য থেকে পাওয়া জামায়াতের এ নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে কি ভাবছে পুলিশ জানতে চাইলে এ পুলিশ কর্মকর্তা প্রতিবেদককে জানান, আমরা জামায়াতের সকল ধরণের কর্মকান্ডের উপর বিশেষভাবে নজরদারি করছি। নির্বাচন প্রশ্নবিদ্ধ হবে এমন কাজ করার সাহস বা সুযোগ কোনটাই জামায়াত পাবেনা।


অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই বিভাগের আরো খবর