সোমবার ০৫ জানুয়ারি ২০২৬, পৌষ ২২ ১৪৩২, ১৬ রজব ১৪৪৭

ব্রেকিং

বিমানের ঢাকা-ম্যানচেস্টার ফ্লাইট স্থগিত দাম বাড়ল এলপিজির প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: সকালে নয়, পরীক্ষা হবে শুক্রবার বিকালে ভারতে বিশ্বকাপ খেলবে না বাংলাদেশ, ভেন্যু সরাতে বলবে বিসিবি আইপিএল সম্প্রচার বন্ধের প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা এত মানুষের শ্রদ্ধা জানানোর দৃশ্য আমাদের পরিবার ভুলবে না: তারেক রহমান কাওরানবাজারে পুলিশের সঙ্গে মোবাইল ব্যবসায়ীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া মামলার জট কমাতে সহযোগিতা চাইলেন নতুন প্রধান বিচারপতি শরীয়তপুরে খোকন দাস হত্যায় ৩ আসামি গ্রেপ্তার ২০২৫ সালে সড়কে ঝরেছে ৯১১১ প্রাণ ভেনেজুয়েলায় ডেলসি অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট, হাইকোর্টের নির্দেশ বাংলাদেশের বিশ্বকাপ দলে নেই জাকের, আছেন সোহান পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক জোরদার হবে, আশা জয়শঙ্করের সংসদ নির্বাচন: সর্বোচ্চ ব্যয়সীমা ২৫ থেকে ৮৪ লাখ টাকা, না মানলে ৭ বছর জেল বাংলাদেশে আইপিএল সম্প্রচার বন্ধে তথ্য উপদেষ্টাকে অনুরোধ আসিফ নজরুলের

আন্তর্জাতিক

কাউকে দেখামাত্রই গুলির নির্দেশ ছিল মিয়ানমার সেনাদের

 প্রকাশিত: ০৬:১১, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২০

কাউকে দেখামাত্রই গুলির নির্দেশ ছিল মিয়ানমার সেনাদের

রাখাইনে রোহিঙ্গা গণহত্যা জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে (আইসিসি) মামলায় মিয়ানমারের দুই সেনা সদস্য এ স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের নির্দেশেই রাখাইন রাজ্যের বেশ কিছু রোহিঙ্গা গ্রামে তারা হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।


মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহিনীর অভিযানের সময় কাউকে দেখামাত্রই গুলির নির্দেশ ছিল সেনা সদস্যদের প্রতি। এক্ষেত্রে শিশু থেকে বৃদ্ধ, কেউ যেন বাদ না যায়। সে নির্দেশও ছিল তাদের।

মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের দ্য নিউইয়র্ক টাইমস এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, মিয়ানমারের সেনা সদস্য জো নাইং তুন বলেন, তার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশনা ছিল শিশু বা প্রাপ্তবয়স্ক যাকেই দেখবে মেরে ফেলবে।

এ বিষয়ে দ্য নিউইয়র্ক টাইমস বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশ করলেও নিরপেক্ষ কোনো সূত্র থেকে এ স্বীকারোক্তির সত্যতা নিশ্চিত হতে পারেনি। গত মাসে ওই দুই সেনা সদস্য মিয়ানমার থেকে পালিয়ে যান। এরপর গত সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) তাদের নেদারল্যান্ডসের দ্য হেগে নেওয়া হয়। এ শহরেই জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত অবস্থিত। ওই দুই সেনা সদস্যকে গ্রেফতার দেখানো না হলেও তাদের এ আদালতের হেফাজতে রাখা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, মামলায় তাদের সাক্ষী করা হবে। আবার অপরাধী হিসেবে তাদের বিচারও করা হতে পারে। মিয়ানমারের সাবেক ওই দুই সেনা সদস্য স্বীকার করেছেন, রোহিঙ্গা গণহত্যা, হত্যার পর গণকবর দেওয়া, রোহিঙ্গা গ্রামগুলোয় ধ্বংসযজ্ঞ চালানো এবং ধর্ষণের যেসব অভিযোগ মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে উঠেছে তার সবই সত্য।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল