ব্রেকিং:
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নির্বাচন উপলক্ষে ১৮ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন.

সোমবার   ১৪ অক্টোবর ২০১৯   আশ্বিন ২৮ ১৪২৬  

সর্বশেষ:
সংরক্ষিত নারী আসনের ভোট ৪ মার্চ ওয়েজবোর্ডের বিষয়টিকে আমরা বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছি
১৪৬

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন: হাটে-মাঠে তৎপর সম্ভাব্য প্রার্থীরা

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ১৬ জানুয়ারি ২০১৯  

 

 
উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের তফসিল এখনো ঘোষণা হয়নি। তবে পটিয়া উপজেলায় আগাম মাঠে নেমেছেন এখানকার সম্ভাব্য প্রার্থীরা। তারা বিভিন্নভাবে লবিং শুরু করেছেন। যোগ দিচ্ছেন সামাজিক অনুষ্ঠানে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয়ভাবে মনোনয়ন পেতে অনেকে ইতোমধ্যে শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াও প্রার্থী হওয়ার বিষয়টি ফেসবুকসহ বিভিন্নভাবে তুলে ধরছেন।

নির্বাচন কমিশনার আগামী মার্চ মাসে উপজেলা পরিষদের নির্বাচন দফায় দফায় করার ইঙ্গিত দিলে এখানকার সম্ভাব্যপ্রার্থীরা আগেভাগে মাঠে প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। সম্ভাব্য চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন, পটিয়া উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী টিপু, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান তিমির বরণ চৌধুরী, দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান নাছির আহমদ, পটিয়া পৌরসভা যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা নুর আলম ছিদ্দিকী।

জানা গেছে, ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত পটিয়া উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ছিলেন জেলা আ. লীগের সহ-সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম। দলের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে ওই সময় নির্বাচিত হন উপজেলা বিএনপি নেতা ইদ্রিস মিয়া। ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন আওয়ামী লীগ নেতা তিমির বরণ চৌধুরী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন সিপিবি সমর্থিত মাজেদা বেগম শিরু। ২০১৪ সালে নির্বাচিত হন বিএনপির প্রার্থী অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী টিপু। 

এতে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন ইসলামী ফ্রন্টের পটিয়া উপজেলার সভাপতি এয়ার মুহাম্মদ পেয়ারু, বঙ্গবন্ধু ফজিলুতন নেছা ফাউন্ডেশন পটিয়ার সভাপতির পদ ত্যাগ করে বিএনপি থেকে মহিলা ভাইস চেয়ারমান নির্বাচিত হন আফরোজা বেগম জলি।

পটিয়া উপজেলা পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ চৌধুরী টিপু বলেন, আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে যদি দল অংশগ্রহণ করে তাহলে তিনি বিএনপির প্রার্থী হিসেবে পুনরায় নির্বাচন করবেন। তিনি নির্বাচন করলে বিজয়ী হবেন বলে আশা প্রকাশ করেন। গত ৫ বছরে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। যার কারণে জনগণ তা মূল্যায়ন করবে। তবে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মত যদি ভোট প্রদানের পরিবেশ নষ্ট হয় তা হলে তিনি নির্বাচন করবেন না।

দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোতাহেরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ২০০৯ সালে অনুষ্ঠিত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তিনি অংশগ্রহণ করেছেন। আগামী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করতে চান। দলীয়ভাবে তিনি মনোনয়ন পেলে অবশ্যই বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পটিয়ার মাটি ও মানুষের নেতা সামশুল হক চৌধুরী গত ১০ বছরে পটিয়াতে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ করেছেন। গত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পটিয়ার জনগণ বিপুল ভোটে নৌকার প্রার্থী সামশুল হক চৌধুরীকে বিজয়ী করেছেন। দলীয়ভাবে তিনি (মোতাহেরুল ইসলাম) নৌকা প্রতীক নিয়ে উপজেলা পরিষদের নির্বাচনের নির্বাচন করলে অবশ্যই বিজয়ী হবেন। তাছাড়া তিনি নির্বাচিত হলে উপজেলা পরিষদে যে কোন ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি বন্ধ করবেন।

দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক তিমির বরণ চৌধুরী বলেন, উপজেলা পরিষদে তিনি ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব সুনামের সঙ্গে পালন করেছেন। যার কারণে তিনি উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে এবার চেয়ারম্যান পদে লড়বেন। উপজেলার ১৭ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় তার যথেষ্ট সুনাম রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। দলীয়ভাবে তিনি নির্বাচন করলে বিজয়ী হতে পারবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান নাছির আহমদ বলেন, পটিয়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে এবার তিনি নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করতে চান। দলীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় তিনি নির্বাচন করতে চান। ২০০৯ সালে তিনি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেছেন।

পটিয়া পৌরসভা যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক ছাত্রনেতা নুর আলম ছিদ্দিকী বলেন, আমি উপজেলা নির্বাচন করার আশা ব্যক্ত করেছি। এই কারণে যে, উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কারিগর রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা তারুণ্যের শক্তিকে মূল্যায়ন করছেন। সংসদ সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে কাজ করার অঙ্গীকার করছি।


অনলাইন নিউজ পোর্টাল
অনলাইন নিউজ পোর্টাল
এই বিভাগের আরো খবর