সোমবার ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৭ ১৪৩২, ২১ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

৪৬তম বিসিএসে চাকরি পাচ্ছেন ১ হাজার ৪৫৭ প্রার্থী টানা তিন মাস মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী ১২ তারিখ দেশ পুনর্গঠনের নির্বাচন: তারেক রহমান হাদি হত্যাকাণ্ড তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার ভোট ঘিরে মোবাইল ব্যাংকিং সীমিত রাখার নির্দেশ বন্দরে ধর্মঘট নিয়ে হার্ডলাইনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত সরকারের যুক্তরাষ্ট্রে বৈঠকের পর হন্ডুরাসের নতুন নেতার প্রশংসায় ট্রাম্প ঋণখেলাপি-ব্যাংকডাকাতদের নিয়ে দুর্নীতি দমন করবেন, হাস্যকর : জামায়াত আমির বন্দরের অচলাবস্থা নিরসনে উদ্যোগ নিতে ৪ ব্যবসায়ী সংগঠনের চিঠি টিআইবির প্রতিবেদন গভীর পর্যালোচনার দাবি রাখে : বলছে সরকার জামায়াতসহ ৩০টি দল কোনো নারীকে প্রার্থিতা দেয়নি: টিআইবি চট্টগ্রাম বন্দর সচল আছে, দাবি চেয়ারম্যানের ফের লাগাতার ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দর ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সুদানে আরএসএফের ড্রোন হামলায় ২৪ বেসামরিক নিহত

আন্তর্জাতিক

আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর

 প্রকাশিত: ১৯:১৪, ১ ডিসেম্বর ২০২০

আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রি বন্ধের দাবি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর

আমেরিকার প্রায় ২৩ বিলিয়ন ডলার মূল্যের যুদ্ধাস্ত্র সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে বিক্রি বন্ধের দাবিতে একটি চিঠিতে সই করেছে ২৯টি অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ এবং মানবাধিকার সংস্থা।

তারা মার্কিন কংগ্রেসের কাছে সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির বিশাল ওই চালান বাতিল করতে অনুরোধ জানিয়েছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রি আটকানোর এ প্রচেষ্টার অন্যতম উদ্যোক্তা প্রজেক্ট অন মিডল ইস্ট ডেমোক্র্যাসির (পিওএমইডি) অ্যাডভোকেসি অফিসার সেথ বাইন্ডার বলেন, ‘আশা হচ্ছে, এসব অস্ত্র বিক্রি পুরোপুরি বন্ধ করা। যদি অল্প সময়ের মধ্যে না হয়, তবে সেটি আসন্ন বাইডেন প্রশাসনকে গুরুত্বপূর্ণ সংকেত দেবে যে, বিভিন্ন সংস্থা এসব অস্ত্র সরবরাহের বিরুদ্ধে।’

ট্রাম্প প্রশাসনের চুক্তি অনুসারে, আমিরাতকে ৫০টি সর্বাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দেবে যুক্তরাষ্ট্র। পাশাপাশি, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান জেনারেল অ্যাটোমিকসের তৈরি অত্যাধুনিক ড্রোন এবং রেথিওনের তৈরি মিসাইলও সরবরাহ করা হবে আমিরাতের কাছে।

আগামী জানুয়ারিতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগেই পুরনো এ চুক্তির লেনদেন মিটিয়ে ফেলতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প। মূলত ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়ন চুক্তির অংশ হিসেবেই আমিরাতকে অত্যাধুনিক এসব অস্ত্র দিতে চেয়েছিল ট্রাম্প প্রশাসন।

তবে এ নিয়ে দ্বিমত দেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতাদের মধ্যে। ইতোমধ্যেই তিন সিনেটর এ চুক্তি বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুসারে, অস্ত্র বিক্রির বড় চুক্তি আটকে দেয়ার প্রস্তাবনা উত্থাপনের ক্ষমতা রয়েছে সিনেটরদের। তবে সেটি কার্যকর হতে সিনেটের অনুমোদন পেতে হবে। যদিও, গত চার বছরে রিপাবলিকান নেতৃত্বাধীন সিনেটের ট্রাম্পের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত দেয়ার রেকর্ড খুব একটা নেই। তাছাড়া, প্রস্তাবটিকে ডেমোক্র্যাট নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি পরিষদেও অনুমোদন পেতে হবে।

মার্কিন কংগ্রেস এবং স্বরাষ্ট্র বিভাগের কাছে মানবাধিকার সংস্থাগুলোর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, ইয়েমেন এবং লিবিয়ায় যুদ্ধরত একপক্ষ আমিরাতের কাছে অস্ত্র বিক্রি হলে তা বেসামরিক নাগরিকদের ক্ষতি এবং মানবাধিকার সংকট আরও বাড়িয়ে তুলবে।

 

অনলাইন নিউজ পোর্টাল