রোববার ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২৫ ১৪৩২, ২০ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

হজ ভিসা মিলবে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে নির্বাচন ঘিরে সারা দেশে দুদিন দোকানপাট বন্ধের ঘোষণা নানিবাড়ি এলাকার ভোট চাইলেন তারেক রহমান রাশিয়ার বড় ধরনের হামলায় ইউক্রেনের বিদ্যুৎ গ্রিড ক্ষতিগ্রস্ত নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, কৃষকের ঋণ মওকুফ হবে : তারেক রহমান এমপি হয়ে প্লট, শুল্কমুক্ত গাড়ি নেব না: হবিগঞ্জে জামায়াত আমির হাদি হত্যার বিচার না পাওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবো না: হাদির বোন কারাগারে মারা গেলেন সাবেক এমপি রমেশ চন্দ্র সেন এনসিটি ইজারা: রোববার থেকে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে আহত সেই শিশুর মৃত্যু আবার বাড়লো সোনার দাম, প্রতি ভরি ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আলোচনা ‘খুব ভালো’ হয়েছে : ট্রাম্প জামায়াতের সঙ্গে ঐক্য সরকার? তারেক বললেন, বিএনপি ‘একাই সক্ষম’ তারেক রহমানকে ওপেন ডিবেটের আমন্ত্রণ জামায়াত আমিরের বিশ্বকাপ শুরু, ৩০ বছর পর নেই বাংলাদেশ ইউক্রেইনে ‘মার্চের মধ্যে’ শান্তি চুক্তি ও দ্রুত নির্বাচন ‘চায় যুক্তরাষ্ট্র’
তিনবার ‘কবুল’ না বললে কি বিয়ে শুদ্ধ হয় না?
তিনবার ‘কবুল’ না বললে কি বিয়ে শুদ্ধ হয় না?

প্রশ্ন: বিয়ের প্রস্তাব দেওয়ার পর তিনবার ‘কবুল’ না বললে কি বিয়ে শুদ্ধ হয় না? আমাদের এলাকায় অনেকেই মনে করেন, তিনবার কবুল না বললে বিয়ে সম্পন্ন হয় না। আবার কনের ক্ষেত্রেও কি বিয়েতে সম্মতি জানানোর সময় ‘কবুল’ বলা জরুরি? উত্তর: শরিয়তের দৃষ্টিতে বিয়ের ইজাব (প্রস্তাব) দেওয়ার পর সাক্ষীদের শুনিয়ে একবার কবুল করলেই বিয়ে সম্পন্ন হয়ে যায়। দুইবার বা তিনবার কবুল বলা আবশ্যক নয়। (ফাতাওয়া শামী, ফাতাওয়া আলমগিরী) তবে যদি প্রথমবার কবুল বলার সময় সাক্ষীরা তা স্পষ্টভাবে না শোনেন, তাহলে তাদের শোনা নিশ্চিত করার জন্য আবার কবুল বলা যেতে পারে। কিন্তু নির্দিষ্টভাবে গুনে গুনে তিনবার কবুল বলতেই হবে—এমন ধারণা শরিয়তসম্মত নয়। একইভাবে, তিনবার কবুল না বললে বিয়ে শুদ্ধ হবে না—এই বিশ্বাসও ভুল

শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫:২২

“ষাট হাজার বাতেনী কালাম—এর প্রমাণ আছে কি?”
“ষাট হাজার বাতেনী কালাম—এর প্রমাণ আছে কি?”

প্রশ্ন. আমাদের এলাকায় একটি মাযার আছে। সেখানে কিছু সাধক আছেন যারা মাঝে মধ্যে বড় উদ্ভট কথাবার্তা বলে থাকেন। হক্কানী লোকদের ব্যাপারেও উদ্ভট মন্তব্য করে থাকেন। একদিন বললেন, মেরাজে গিয়ে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে নব্বই হাজার কালাম লাভ করেন। এর মধ্যে ত্রিশ হাজার কালাম জাহেরী আর বাকী ষাট হাজার বাতেনী। এসব কিছু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গোপনে একমাত্র আলী রা.কে বলে গেছেন। তাঁর নিকট থেকে ক্রমান্বয়ে সূফী, ফকীর ও দরবেশদের নিকট ষাট হাজার কালাম রয়েছে। যেগুলো সম্পর্কে ওলামায়ে কেরাম অজ্ঞ। ফলে তারা ফকীর-দরবেশদের কিছু বিষয়াদি নিয়ে আপত্তি করেন। এ কথাগুলো সঠিক? বাস্তবেই কি ষাট হাজার কালাম বাতেনী আছে?

শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৮:১০