বৃহস্পতিবার ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ৭ ১৪৩২, ০২ রমজান ১৪৪৭

জিকির: বিষণ্ণতা থেকে মুক্তির পথ
জিকির: বিষণ্ণতা থেকে মুক্তির পথ

অধুনা বিশ্বে মানুষ উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছেছে। সবকিছু পেয়েছে। মালিক হয়েছে—গাড়ি, বাড়ি, ধন-দৌলতসহ সুখ-প্রশান্তির যাবতীয় উপকরণের। তবুও দিন শেষে মানুষের মাঝে শান্তির হাহাকার। ‘ভালো লাগে না কিছুই’ এই বাক্যটি যেন একটা রোগে পরিণত হয়েছে আজকাল। কী এর নিরাময়? কীসে আছে এর মুক্তি? মানুষের দেহ মাটির তৈরি। ফলে দৈহিক প্রশান্তি নশ্বর দুনিয়ার যাবতীয় উপকরণে সম্ভব হলেও আত্মিক প্রশান্তি তাতে অসম্ভব। কারণ, আত্মা মাটির তৈরি কোনো বস্তু নয়। এ আল্লাহ তায়ালার ফুঁকে দেওয়া এক নেয়ামত। সুতরাং আত্মিক প্রশান্তি সম্ভব আত্মার সৃষ্টিকর্তার নির্দেশিত পথেই। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘জেনে রাখ, আল্লাহর জিকির দ্বারাই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।’ (সুরা রা`দ: ২৮) আর রাসূল সা. বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি তার প্রতিপালকের জিকির করে আর যে করে না, তাদের তুলনা জীবিত ও মৃতের ন্যায়।’ (সহিহ বুখারি: ৬৪০৭)

বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:০৬

রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া
রোজার নিয়ত ও ইফতারের দোয়া

রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম ফরজ ইবাদত। হিজরতের দেড় বছর পর আল্লাহ তাআলা রোজা ফরজ করেন। তিনি ইরশাদ করেন— “হে ঈমানদারগণ! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা তাকওয়া অর্জন করতে পারো।”(সূরা বাকারা: ১৮৩) রোজা মানুষকে আল্লাহর নৈকট্যের পথে এগিয়ে দেয়, অন্তরকে পরিশুদ্ধ করে এবং তাকওয়া অর্জনে সহায়তা করে। হাদিসে এসেছে, সহিহ বুখারি ও জামি আত-তিরমিজি-তে বর্ণিত— রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি ঈমান ও সওয়াবের আশায় রমজানের রোজা রাখবে, আল্লাহ তার পূর্ববর্তী গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেবেন।” (বুখারি: ১৯০১; তিরমিজি: ৬৮৩) রোজার নিয়ত: কী ও কীভাবে রোজার জন্য নিয়ত করা অপরিহার্য। তবে নিয়ত মানে মুখে উচ্চারণ নয়; বরং অন্তরের দৃঢ় ইচ্ছাই হলো প্রকৃত নিয়ত। তাই রোজা রাখার উদ্দেশ্যে সেহরির জন্য জাগ্রত হওয়া ও আহার করাই নিয়তের অন্তর্ভুক্ত। কেউ যদি মুখে আরবি বাক্য না-ও পড়ে, তবুও তার রোজা আদায় হয়ে যাবে—যদি অন্তরে রোজার ইচ্ছা থাকে।

বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৬:০৪