রোববার ১৫ মার্চ ২০২৬, চৈত্র ১ ১৪৩২, ২৬ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

সংসদের সাউন্ড সিস্টেম নিয়ে ‘লুটপাটের’ অভিযোগ শাহজাহান চৌধুরীর রাজশাহীতে জমেছে রেশমি পোশাকের বিকিকিনি, দাম নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া মধ্যরাতের পর থেকে ইসরায়েলে ইরানের পঞ্চম ক্ষেপণাস্ত্র হামলা, আহত ২ ইস্পাহানে কারখানায় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ১৫ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ: সংঘাতের বলি হচ্ছে প্রকৃতি ও পরিবেশ পারমাণবিক রকেট লঞ্চারের পরীক্ষা উত্তর কোরিয়ার ইরানি বিপ্লবী গার্ডের ঘোষণা: নেতানিয়াহুকে খুঁজে হত্যা করবে। ঈদের আগে শেষ বৈঠকে সংসদ দেশে প্রথমবারের মতো ট্রেনে স্টারলিংকের ইন্টারনেট চালু চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহের ঘোষণা সিরিজ জয়ের লড়াইয়ে বাংলাদেশ-পাকিস্তান খার্কে আরও হামলার হুমকি ট্রাম্পের, মিত্রদের হরমুজে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান

খেলা

মাঠে ইউক্রেনের ফুটবলারদের অন্য যুদ্ধ

 প্রকাশিত: ১৬:১২, ২৮ মে ২০২২

মাঠে ইউক্রেনের ফুটবলারদের অন্য যুদ্ধ

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্লে-অফের সেমিফাইনাল ম্যাচকে সামনে রেখে ওলেকজান্দার জিনচেনকো বলেছেন তিনি ইউক্রেনের মানুষের মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফোটাতে চান। 

আগামী বুধবার গ্লাসগোতে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। মার্চে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও রাশিয়ান সামরিক আগ্রাসনের কারনে তা পিছিয়ে দেয়া হয়। যুদ্ধ শুরু হবার পর এই প্রথমবারের মত প্রতিদ্বন্দ্বীতামুলক কোন ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে ইউক্রেন। স্বাভাবিকভাবেই পুরো বিশ্বের সমর্থনও থাকবে তাদের দিকেই। 

ম্যানচেস্টার সিটির ২৫ বছর বয়সী ডিফেন্ডার জিনচেনকো বলেছেন, ‘ইউক্রেন এখনো বেঁচে আছে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইউক্রেন লড়াই চালিয়ে যাবে। এটাই আমাদের মানসিকতা। আমরা কখনই ছেড়ে দেই না। বিশ্বের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার প্রতিটি সমর্থকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। স্কটল্যান্ড খুবই ভাল দল। তাদের অসাধারণ একটি ফ্র্যান ক্লাব আছে। প্রতিটি ইউক্রেনিয়ার মানুষের কাছে আমি প্রতিজ্ঞা করতে চাই আমার দলের প্রত্যেকেই নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলবে। এই ম্যাচে জয়ী হয়ে আমরা ইউক্রেনকে গর্বিত করতে চাই।’

সিটির হয়ে গত সপ্তাহে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয় করেছেন জিনচেনকো। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রথম দিকে ফুটবলের প্রতি মনোযোগী হবার মানসিকতা ছিল না বলে জিনচেনকো উল্লেখ করেছেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমার সব চিন্তা ইউক্রেনকে ঘিরে, ইউক্রেনের জনগণকে ঘিরে। আমি শুধুমাত্র সবাইকে একটি বিষয় জানাতে চাই এই মুহূর্তে আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হচ্ছে এটি। 

এদিকে স্কটল্যান্ড বাঁচা মরার লড়াইয়ে ছেড়ে কথা বলবে না। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে পর এইবারই প্রথমবারের মত বিশ্বমঞ্চে খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য মাঠে নামবে স্কটল্যান্ড।