শুক্রবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ফাল্গুন ১৫ ১৪৩২, ১০ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

যমুনা ছাড়ছেন ইউনূস, তারেক ওঠার আগে সংস্কারে যাবে ১ মাস পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানাল আরাকান আর্মিও ১২ লাখ কৃষকের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফের সিদ্ধান্ত গণভোটের ফলাফল সংশোধন, প্রায় ১১ লাখ ভোট কমল খুলনায় দিন দুপুরে ব্যবসায়ীকে গুলি করে হত্যা পর্দা উঠলো একুশে বইমেলার বরিশালে ৩ দাবিতে আদালত বর্জন আইনজীবীদের, ভোগান্তি বিচারপ্রার্থীদের রিটার্ন জমার সময় আরো একমাস বাড়ল হাদি হত্যা: ১১ মার্চের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ ব্রিটিশ এমপি টিউলিপকে গ্রেপ্তারে ‘রেড নোটিস’ জারির পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ গুণীজনদের দিকনির্দেশনায় আলোকিত সমাজ গড়তে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী একুশে পদক তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মানবতাবিরোধী মামলা: বাগেরহাটের আকরাম খালাস ঢাকায় স্কুলছাত্রী হত্যা: আসামি সিয়াম গ্রেপ্তার

খেলা

মাঠে ইউক্রেনের ফুটবলারদের অন্য যুদ্ধ

 প্রকাশিত: ১৬:১২, ২৮ মে ২০২২

মাঠে ইউক্রেনের ফুটবলারদের অন্য যুদ্ধ

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্লে-অফের সেমিফাইনাল ম্যাচকে সামনে রেখে ওলেকজান্দার জিনচেনকো বলেছেন তিনি ইউক্রেনের মানুষের মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফোটাতে চান। 

আগামী বুধবার গ্লাসগোতে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। মার্চে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও রাশিয়ান সামরিক আগ্রাসনের কারনে তা পিছিয়ে দেয়া হয়। যুদ্ধ শুরু হবার পর এই প্রথমবারের মত প্রতিদ্বন্দ্বীতামুলক কোন ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে ইউক্রেন। স্বাভাবিকভাবেই পুরো বিশ্বের সমর্থনও থাকবে তাদের দিকেই। 

ম্যানচেস্টার সিটির ২৫ বছর বয়সী ডিফেন্ডার জিনচেনকো বলেছেন, ‘ইউক্রেন এখনো বেঁচে আছে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইউক্রেন লড়াই চালিয়ে যাবে। এটাই আমাদের মানসিকতা। আমরা কখনই ছেড়ে দেই না। বিশ্বের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার প্রতিটি সমর্থকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। স্কটল্যান্ড খুবই ভাল দল। তাদের অসাধারণ একটি ফ্র্যান ক্লাব আছে। প্রতিটি ইউক্রেনিয়ার মানুষের কাছে আমি প্রতিজ্ঞা করতে চাই আমার দলের প্রত্যেকেই নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলবে। এই ম্যাচে জয়ী হয়ে আমরা ইউক্রেনকে গর্বিত করতে চাই।’

সিটির হয়ে গত সপ্তাহে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয় করেছেন জিনচেনকো। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রথম দিকে ফুটবলের প্রতি মনোযোগী হবার মানসিকতা ছিল না বলে জিনচেনকো উল্লেখ করেছেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমার সব চিন্তা ইউক্রেনকে ঘিরে, ইউক্রেনের জনগণকে ঘিরে। আমি শুধুমাত্র সবাইকে একটি বিষয় জানাতে চাই এই মুহূর্তে আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হচ্ছে এটি। 

এদিকে স্কটল্যান্ড বাঁচা মরার লড়াইয়ে ছেড়ে কথা বলবে না। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে পর এইবারই প্রথমবারের মত বিশ্বমঞ্চে খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য মাঠে নামবে স্কটল্যান্ড।