বৃহস্পতিবার ০৫ মার্চ ২০২৬, ফাল্গুন ২০ ১৪৩২, ১৬ রমজান ১৪৪৭

ব্রেকিং

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মচারীর ছুরিকাঘাতে নারী শিক্ষক খুন ‘ই-হেলথ’ কার্ড চালু ও অব্যবহৃত ভবনে স্বাস্থ্যকেন্দ্র করার নির্দেশ ইরানে সম্ভাব্য সামরিক অভিযান নিয়ে ‘কুর্দিদের সঙ্গে আলোচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র’ খামেনির রাষ্ট্রীয় জানাজা স্থগিত ইরানে নিহত বেড়ে ১,১৪৫, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসের কথা জানাল তুরস্ক দুইজন উপদেষ্টা এবং আটজন প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন মুন্সীগঞ্জে চোর সন্দেহে ‘গণপিটুনি’, হাসপাতালে ২ জনের মৃত্যু যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহে চাপ, সাশ্রয়ে জোর জ্বালানিমন্ত্রীর ভূমধ্যসাগরে পরমাণু রণতরী ‘চার্লস দ্য গল’ পাঠাচ্ছে ফ্রান্স ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধে ব্যবসায়ীদের বিশেষ ঋণ সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের ব্যাংক হিসাব তলব ভিসা ও গ্রিন কার্ডের প্রসেসিং ফি বাড়ালো যুক্তরাষ্ট্র আটকা পড়া প্রবাসীদের জন্য দুবাইয়ে ইউএস-বাংলার দুটি বিশেষ ফ্লাইট ইরানের পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা খামেনির ছেলে: ইসরায়েলি ও মার্কিন সংবাদমাধ্যম

খেলা

মাঠে ইউক্রেনের ফুটবলারদের অন্য যুদ্ধ

 প্রকাশিত: ১৬:১২, ২৮ মে ২০২২

মাঠে ইউক্রেনের ফুটবলারদের অন্য যুদ্ধ

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের প্লে-অফের সেমিফাইনাল ম্যাচকে সামনে রেখে ওলেকজান্দার জিনচেনকো বলেছেন তিনি ইউক্রেনের মানুষের মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফোটাতে চান। 

আগামী বুধবার গ্লাসগোতে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে। মার্চে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবার কথা থাকলেও রাশিয়ান সামরিক আগ্রাসনের কারনে তা পিছিয়ে দেয়া হয়। যুদ্ধ শুরু হবার পর এই প্রথমবারের মত প্রতিদ্বন্দ্বীতামুলক কোন ম্যাচে মাঠে নামতে যাচ্ছে ইউক্রেন। স্বাভাবিকভাবেই পুরো বিশ্বের সমর্থনও থাকবে তাদের দিকেই। 

ম্যানচেস্টার সিটির ২৫ বছর বয়সী ডিফেন্ডার জিনচেনকো বলেছেন, ‘ইউক্রেন এখনো বেঁচে আছে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইউক্রেন লড়াই চালিয়ে যাবে। এটাই আমাদের মানসিকতা। আমরা কখনই ছেড়ে দেই না। বিশ্বের চারিদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকার প্রতিটি সমর্থকের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। স্কটল্যান্ড খুবই ভাল দল। তাদের অসাধারণ একটি ফ্র্যান ক্লাব আছে। প্রতিটি ইউক্রেনিয়ার মানুষের কাছে আমি প্রতিজ্ঞা করতে চাই আমার দলের প্রত্যেকেই নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলবে। এই ম্যাচে জয়ী হয়ে আমরা ইউক্রেনকে গর্বিত করতে চাই।’

সিটির হয়ে গত সপ্তাহে প্রিমিয়ার লিগের শিরোপা জয় করেছেন জিনচেনকো। ইউক্রেন যুদ্ধের প্রথম দিকে ফুটবলের প্রতি মনোযোগী হবার মানসিকতা ছিল না বলে জিনচেনকো উল্লেখ করেছেন। এ সম্পর্কে তিনি বলেন, এই মুহূর্তে আমার সব চিন্তা ইউক্রেনকে ঘিরে, ইউক্রেনের জনগণকে ঘিরে। আমি শুধুমাত্র সবাইকে একটি বিষয় জানাতে চাই এই মুহূর্তে আমার জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ হচ্ছে এটি। 

এদিকে স্কটল্যান্ড বাঁচা মরার লড়াইয়ে ছেড়ে কথা বলবে না। ১৯৯৮ সালের বিশ্বকাপে পর এইবারই প্রথমবারের মত বিশ্বমঞ্চে খেলার যোগ্যতা অর্জনের জন্য মাঠে নামবে স্কটল্যান্ড।