রোববার ২৫ জানুয়ারি ২০২৬, মাঘ ১২ ১৪৩২, ০৬ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

দুর্নীতির টুঁটি চেপে ধরা হবে: তারেক রহমান সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের ভাই আনিসের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সেহেরি ও ইফতার: ৯ মিনিট যোগ বা বিয়োগের হিসাব ‘ভুল ও ভিত্তিহীন’ কোভিড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সমালোচনা ভুল: ডব্লিউএইচও প্রধান ন্যাটো বিতর্কের মাঝেও যুক্তরাজ্যের সেনাদের প্রশংসায় ট্রাম্প ভূমিধসে নিখোঁজদের খোঁজে ইন্দোনেশিয়ায় উদ্ধার তৎপরতা ভাইয়া ডাকলে ভালো লাগবে: তারেক রহমান তরুণদের সঙ্গে মতবিনিময় তারেক রহমানের দুই দশক পর কুমিল্লায় যাচ্ছেন তারেক রহমান, উৎসবের আমেজ সাকিবকে জাতীয় দলের জন্য বিবেচনা করার ঘোষণা বিসিবির আইসিসির ‘দ্বৈত নীতি’র শিকার বাংলাদেশ: শহীদ আফ্রিদি

জাতীয়

সুরের লকারে এক কেজি স্বর্ণ, দেড় লাখের বেশি ডলার

 প্রকাশিত: ০৮:৪৭, ২৭ জানুয়ারি ২০২৫

সুরের লকারে এক কেজি স্বর্ণ, দেড় লাখের বেশি ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক ডেপুটি গভর্নর সিতাংশু কুমার সুর চৌধুরীর (এস কে সুর) তিনটি লকারে অভিযান চালিয়ে এক কেজি স্বর্ণ, এক লাখ ৬৯ হাজার ডলার, ৫৫ হাজার ইউরো এবং ৭০ লাখ টাকার এফডিআর পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সবমিলিয়ে এসবের আনুমানিক মূল্য প্রায় চার কোটি ৭৫ লাখ টাকা।

রোববার (২৬ জানুয়ারি) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে এসকে সুরের লকার খুলতে দুদকের সাত সদস্যের একটি দল যায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। দুদকের পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জমানের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দা সালেহা নুর। টানা সাড়ে ১০ ঘণ্টা তল্লাশি শেষে অভিযান সমাপ্ত করা হয় রাত ৯টা ২০ মিনিটে।

অভিযান প্রসঙ্গে দুদকের পরিচালক কাজী সায়েমুজ্জমান বলেন, তার (এস কে সুর) সম্পদের হিসাব দেওয়ার জন্য নোটিশ দেওয়া হয়। কিন্তু তিনি হিসাব জমা দেননি। এ জন্য আমরা তার সম্পদ অনুসন্ধানের জন্য তার বাসায় অভিযান চালাই।  

তিনি বলেন, অভিযানে তথ্য পাওয়া যায় তার বাংলাদেশ ব্যাংকের লকারে মালামাল রয়েছে। তার ভিত্তিতে আদালতের অনুমোদনক্রমে রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকের লকারে তল্লাশি করা হয়।

তিনি আরও বলেন, সারা দিন তল্লাশি শেষে এক কেজি পাঁচ গ্রাম স্বর্ণ, এক লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ ডলার, ৫৫ হাজার ইউরো ও ৭০ লাখ টাকার এফডিআর পেয়েছি। যেসব এফডিআর পাওয়া গেছে, সেসব তার নামে নয়। যেসব অ্যাকাউন্ট আছে, তা আমরা যাচাই করব।

আলোচিত পি কে হালদারের আর্থিক কেলেঙ্কারিতে নাম আসায় ২০২২ সালে এস কে সুর চৌধুরীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। ওই বছরের মার্চে তাকে দুদকে তলব করা হয়। এস কে সুর চৌধুরী ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে ডেপুটি গভর্নরের পদ থেকে অবসরে যান।