বুধবার ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, মাঘ ২২ ১৪৩২, ১৬ শা'বান ১৪৪৭

ব্রেকিং

‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে ফেরার ছক কষছেন ভারতে নির্বাসিত আওয়ামী লীগ নেতারা’ বুথে পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিলেন কারাবন্দিরা কূটনৈতিক পাসপোর্ট জমা দিয়েছি, কোথাও ‘যাব না’: অর্থ উপদেষ্টা অস্থির সোনা-রূপার বাজার, সকাল–বিকাল দাম বাড়ছে এনসিটি ইজারা: এবার লাগাতার কর্মবিরতি ঘোষণা নির্বাচনি সফর: তারেক এবার যাচ্ছেন বরিশাল ও ফরিদপুরে তীব্র শীতে কিয়েভে আবারও রাশিয়ার হামলা র‌্যাব নাম বদলে হচ্ছে এসআইএফ বিটিভিতে বিএনপি নেতার ভোটের ভাষণ ৯ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করবে ভারত, মার্কিন শুল্ক কমে ১৮ শতাংশ হচ্ছে কাইয়ুমের প্রার্থিতা নিয়ে নাহিদের রিট খারিজ শবে বরাতে ঢাকায় আতশবাজি-পটকা নিষিদ্ধ পবিত্র শবে বরাত আজ সারোয়ার আলমগীরের নির্বাচনে বাধা নেই টানা ছয় মাস পতনের ধারায় রপ্তানি আয় ভোরে ভূমিকম্পে কাঁপল দেশ

রাজনীতি

সাংবাদিক রোজিনার জামিনের আদেশ আজ

 প্রকাশিত: ০৯:৪১, ২৩ মে ২০২১

সাংবাদিক রোজিনার জামিনের আদেশ আজ

প্রথম আলোর জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম সরকারি ‘গোপন নথি’ সরানোর মামলায় জামিন বিষয়ে আদেশ আজ রোববার দেওয়া হবে।

মামলাটি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে বিচারাধীন।

 বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটের দিকে শুনানি শুরু হয়। ১ ঘণ্টার অধিক সময় ধরে শুনানি চলে। দুপুর ১টা ৫৬ মিনিটের দিকে শুনানি শেষ হয়।
 কিন্তু  আদালত সেদিন তাৎক্ষণিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত দেননি। রাষ্ট্রপক্ষের তথ্য উপস্থাপন ও জামিন বিষয়ে আজ রোববার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেন আদালত।

 সাংবাদিক রোজিনা ইসলামের পক্ষে সিনিয়র আইনজীবী এহেসানুল হক সমাজী, আশরাফুল আলম, আমিনুল গণি টিটো, প্রশান্ত কুমার কর্মকার, ব্যারিস্টার জ্যোর্তিময় বড়ুয়া এবং আইন ও সালিশ কেন্দ্রের আব্দুর রশিদ জামিন শুনানি করেন।
 রোজিনা ইসলামের পক্ষে আইন ও সালিশ কেন্দ্র, মহিলা পরিষদ ও ব্লাস্টের একাধিক আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত মঙ্গলবার  সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে আদালতে হাজির করে ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। অপরদিকে রোজিনা ইসলামের পক্ষে রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিন আবেদন করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড আবেদন নাকচ করে জামিন শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।

 সাংবাদিক রোজিনা ইসলাম পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য সোমবার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান। স্বাস্থ্য সচিবের পিএস সাইফুল ইসলামের রুমে ফাইল থেকে গোপন নথি সরানোর অভিযোগে তাকে আটকে রাখা হয়। তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। তার ওপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হয়। একপর্যায়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

 সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে আটকে রাখার খবর পেয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে যান। তারা রোজিনাকে আটকে রাখার কারণ জানতে চাইলে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা কিছুই জানাননি।

রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত সাংবাদিকরা সচিবালয়ের বাইরে একত্রিত হয়ে রোজিনা ইসলামকে হেনস্তার প্রতিবাদ করেন।

রাত সাড়ে ৮টার পর রোজিনা ইসলামকে স্বাস্থ্য সচিবের পিএসের রুম থেকে বের করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। মধ্যরাতে তার বিরুদ্ধে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টে মামলা করা হয়।

অনলাইন নিউজ পোর্টাল