বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
মজার সাথে শিক্ষা - ক্লাস ৩

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: তিন রূপের তিন রহস্য

আশরাফ উল আসাদ 09 সেপ্টেম্বর 2026, 12:04 দুপুর 97 বার পঠিত
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: তিন রূপের তিন রহস্য

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৪: পদার্থ


অধ্যায় ৬: তিন রূপের তিন রহস্য


লেখক: আশরাফ উল আসাদ


পরদিন সকালেই নুসরাত জাহান, আনিশা মারজান, মেফতাহুল জান্নাত, আবাবিল আল আলিফ, সাফুয়ান, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু তালহা ও মরিয়ম আক্তার বিজ্ঞান কক্ষের সামনে এসে দাঁড়াল।

গত কয়েকটি ক্লাসে তারা পদার্থের ওজন, আয়তন এবং তিনটি অবস্থা সম্পর্কে অনেক কিছু শিখেছে।

কিন্তু ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম গতকাল যে প্রশ্নটি করেছিলেন, সেটিই আজ সবার মাথায় ঘুরছে—কঠিন, তরল ও বায়বীয় পদার্থের বৈশিষ্ট্যগুলো আসলে কতটা আলাদা?

মেফতাহুল বলল, “আমার মনে হয় কঠিন পদার্থ সবচেয়ে সহজ।”

সাফুয়ান বলল, “তুমি এত নিশ্চিত কীভাবে?”

“কারণ বই, পাথর আর রাবারকে নাড়াচাড়া করা সহজ, কিন্তু বাতাসকে ধরাই যায় না!”

ঠিক তখনই ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম দরজা খুলে বললেন, “বিজ্ঞানীরা অনুমান করতে পারে, কিন্তু তারা পরীক্ষা করতেও জানে।”

সবাই দ্রুত ভেতরে ঢুকে পড়ল।

টেবিলের ওপর আজ সাজানো ছিল একটি বই, একটি রাবার, একটি কাঁচের গ্লাস, একটি পানির বোতল, একটি বল এবং কয়েকটি বেলুন।

ম্যাডাম বললেন, “আজ তোমরা নিজেরাই প্রমাণ করবে—তিন অবস্থার পদার্থ কেন তিন রকম আচরণ করে।”


প্রথম পরীক্ষা: বই


ম্যাডাম একটি বই হাতে নিলেন।

“বইটির আকার কি নির্দিষ্ট?”

নুসরাত বলল, “হ্যাঁ।”

“আমি বইটি টেবিলে রাখলে কি এটি টেবিলের আকৃতি ধারণ করবে?”

আনিশা বলল, “না।”

ম্যাডাম বললেন, “বই নিজের আকৃতি ধরে রাখে।”

তিনি বইটি একটি বাক্সে রাখলেন।

বইয়ের আকার বদলাল না।

ম্যাডাম বললেন, “এটি কঠিন পদার্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।”

আবু তালহা বলল, “কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার থাকে।”

“এবং নির্দিষ্ট আয়তনও থাকে,” যোগ করলেন ম্যাডাম।


দ্বিতীয় পরীক্ষা: পানি


এবার ম্যাডাম একটি গ্লাসে পানি নিলেন।

“এই পানির নিজের কি নির্দিষ্ট আকৃতি আছে?”

মরিয়ম বলল, “না।”

ম্যাডাম পানি একটি বাটিতে ঢেলে দিলেন।

পানির আকার বদলে গেল।

তিনি আবার পানিকে একটি সরু বোতলে ঢাললেন।

পানি বোতলের ভেতরের আকৃতি ধারণ করল।

আবাবিল বলল, “পানি পাত্র বদলানোর সঙ্গে সঙ্গে তার আকৃতিও বদলাচ্ছে।”

ম্যাডাম বললেন, “এটাই তরল পদার্থের বৈশিষ্ট্য।”

সাফুয়ান বলল, “কিন্তু পানি যে জায়গা দখল করছে, সেটি তো থাকছে।”

“ঠিক,” বললেন ম্যাডাম।

“তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকে, কিন্তু নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে না।”


তৃতীয় পরীক্ষা: বাতাস


এবার ম্যাডাম একটি খালি বেলুন হাতে নিলেন।

“এটি এখন কেমন?”

মেফতাহুল বলল, “চুপসে আছে।”

ম্যাডাম বেলুনে বাতাস ঢুকিয়ে দিলেন।

বেলুনটি ফুলে উঠল।

“কী হলো?”

আসাদুল্লাহ বলল, “বাতাস বেলুনের ভেতরে জায়গা দখল করেছে।”

ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”

তিনি বেলুনটি চেপে ধরলেন।

বেলুনের আকৃতি বদলে গেল।

“বাতাসের নিজের নির্দিষ্ট আকৃতি নেই।”

নুসরাত বলল, “বাতাস পাত্রের ভেতরের জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।”

ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার।”


তিনটি পাত্র


ম্যাডাম এবার তিনটি পাত্র টেবিলে রাখলেন।

একটি বাক্স, একটি গ্লাস এবং একটি বেলুন।

তিনি বললেন, “এখন ভাবো, তিনটি পাত্রের মধ্যে কঠিন, তরল ও গ্যাসীয় পদার্থ কীভাবে আচরণ করবে।”

নুসরাত বলল, “বাক্সের ভেতরে বই রাখলে বইয়ের আকার বদলাবে না।”

আনিশা বলল, “গ্লাসে পানি রাখলে পানি গ্লাসের আকৃতি নেবে।”

আবাবিল বলল, “বেলুনে বাতাস রাখলে বাতাস বেলুনের ভেতরের জায়গা পূরণ করবে।”

ম্যাডাম বললেন, “তোমরা তিনটি অবস্থার পার্থক্য খুব সুন্দরভাবে ধরতে পেরেছ।”


কঠিন পদার্থের শক্ত গঠন


ম্যাডাম একটি কাঠের স্কেল হাতে নিলেন।

“এটি বাঁকানো যায়?”

সাফুয়ান বলল, “খুব সহজে নয়।”

“কেন?”

আসাদুল্লাহ বলল, “কারণ এটি কঠিন পদার্থ।”

ম্যাডাম বললেন, “সাধারণভাবে কঠিন পদার্থের আকৃতি ধরে রাখার প্রবণতা থাকে।”

তিনি রাবার দেখিয়ে বললেন, “তবে সব কঠিন পদার্থ সমান শক্ত নয়।”

মরিয়ম রাবারটি হাতে নিয়ে বলল, “রাবার তো চাপ দিলে কিছুটা বাঁকে।”

“ঠিক,” বললেন ম্যাডাম।

“তাই কঠিন পদার্থেরও বৈশিষ্ট্যে পার্থক্য থাকতে পারে।”


তরল পদার্থের প্রবাহ


ম্যাডাম একটি গ্লাস থেকে পানি একটি সরু পাত্রে ঢাললেন।

পানি নিচের দিকে বয়ে গেল।

মেফতাহুল বলল, “পানি তো হাঁটছে!”

আনিশা বলল, “হাঁটছে না, প্রবাহিত হচ্ছে।”

ম্যাডাম হাসলেন।

“আনিশা ঠিক বলেছে।”

“তরল পদার্থ প্রবাহিত হতে পারে।”

ম্যাডাম এবার একটু পানি টেবিলের ওপর একটি ট্রেতে ঢাললেন।

পানি ছড়িয়ে পড়ল।

সাফুয়ান বলল, “তরল পদার্থ ঢাললে প্রবাহিত হয় এবং পাত্রের আকার ধারণ করে।”

“ঠিক।”


গ্যাসের বিস্তার


ম্যাডাম একটি সুগন্ধি ফুলের পাপড়ি দেখিয়ে বললেন, “এখন ধরো, শ্রেণিকক্ষের এক কোণে কোনো সুগন্ধি পদার্থের গন্ধ ছড়িয়ে পড়ল। কিছুক্ষণ পর তোমরা অন্য জায়গা থেকেও গন্ধ পেতে পারো।”

নুসরাত বলল, “কারণ গ্যাসীয় পদার্থ বাতাসের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়তে পারে।”

ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”

তিনি বললেন, “গ্যাসীয় পদার্থ সাধারণত নির্দিষ্ট আকার ধরে রাখে না এবং উপলব্ধ জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।”

মেফতাহুল বলল, “তাহলে গ্যাস হলো শ্রেণিকক্ষের সবচেয়ে বড় ভ্রমণকারী!”

সবাই হেসে উঠল।


তিন দলের প্রতিযোগিতা


ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বললেন, “এবার তোমাদের তিনটি দলে ভাগ করছি।”

প্রথম দল হবে কঠিন দল।

দ্বিতীয় দল হবে তরল দল।

তৃতীয় দল হবে বায়বীয় দল।

নুসরাত ও আবু তালহা কঠিন দলের সদস্য হলো।

আনিশা ও মরিয়ম তরল দলের সদস্য হলো।

মেফতাহুল, আবাবিল, সাফুয়ান ও আসাদুল্লাহ বায়বীয় দলের সদস্য হলো।

ম্যাডাম বললেন, “প্রত্যেক দল নিজেদের অবস্থার তিনটি বৈশিষ্ট্য বলবে।”


কঠিন দলের উত্তর


নুসরাত দাঁড়িয়ে বলল, “কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার থাকে।”

আবু তালহা বলল, “কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকে।”

নুসরাত আবার বলল, “এগুলো সাধারণত নিজের আকৃতি ধরে রাখে।”

ম্যাডাম বললেন, “অসাধারণ।”


তরল দলের উত্তর


আনিশা বলল, “তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকে।”

মরিয়ম বলল, “তরলের নির্দিষ্ট নিজস্ব আকৃতি থাকে না।”

আনিশা বলল, “তরল যে পাত্রে রাখা হয়, তার আকৃতি ধারণ করে।”

ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো।”


বায়বীয় দলের উত্তর


আবাবিল বলল, “বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে না।”

সাফুয়ান বলল, “গ্যাসীয় পদার্থ পাত্রের ভেতরের জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।”

আসাদুল্লাহ বলল, “বাতাসও একটি গ্যাসীয় পদার্থ।”

ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার।”


মেফতাহুল উঠে বলল, “আর গ্যাসীয় দলের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো—এরা লুকিয়ে থাকতে পারে!”

ম্যাডাম হেসে বললেন, “বাতাস অদৃশ্য হতে পারে, কিন্তু তার উপস্থিতি অনুভব করা যায়।”


কার আকার বদলায়?


ম্যাডাম তিনটি বস্তু সামনে রাখলেন—একটি বই, একটি পানির গ্লাস এবং একটি বেলুন।

তিনি বললেন, “আমি যদি পাত্র বদলাই, কোনটির আকার সহজে বদলাবে?”

নুসরাত বলল, “পানি।”

ম্যাডাম বললেন, “আর বাতাস?”

আবাবিল বলল, “বাতাসও পাত্রের সঙ্গে ছড়িয়ে পড়বে।”

“বই?”

“বই নিজের আকার ধরে রাখবে,” বলল আবু তালহা।

ম্যাডাম বললেন, “এই পার্থক্যটি মনে রাখবে।”


আয়তনের পার্থক্য


ম্যাডাম বললেন, “এখন আরেকটি বিষয় দেখি।”

তিনি একটি গ্লাসে পানি ভরলেন।

“পানির আয়তন আছে?”

সবাই বলল, “আছে।”

তিনি একটি বেলুনে বাতাস ভরলেন।

“বাতাসের আয়তন আছে?”

আসাদুল্লাহ বলল, “আছে।”

ম্যাডাম বললেন, “গ্যাসীয় পদার্থও জায়গা দখল করে।”

তিনি বইটি দেখিয়ে বললেন, “কঠিন পদার্থও জায়গা দখল করে।”

মেফতাহুল বলল, “তাহলে তিনজনেরই আয়তন আছে!”

“ঠিক,” বললেন ম্যাডাম।

“তবে তাদের আকার ও আচরণ আলাদা।”


শ্রেণিকক্ষের বিজ্ঞান অনুসন্ধান


ম্যাডাম বললেন, “এবার তোমরা নিজেরাই তিন অবস্থার পদার্থ খুঁজবে।”

সবাই শ্রেণিকক্ষের চারদিকে তাকাতে শুরু করল।

নুসরাত বলল, “চেয়ার—কঠিন।”

আনিশা বলল, “পানি—তরল।”

আবাবিল বলল, “বেলুনের বাতাস—বায়বীয়।”

সাফুয়ান বলল, “জানালার বাইরের বাতাসও বায়বীয়।”

মরিয়ম বলল, “ফুলের টবের মাটি—কঠিন।”

আবু তালহা বলল, “পেন্সিল—কঠিন।”

ম্যাডাম বললেন, “তোমাদের চারপাশেই তিন অবস্থার পদার্থের অসংখ্য উদাহরণ রয়েছে।”


একটি ভুল উত্তর


ম্যাডাম মেফতাহুলকে জিজ্ঞেস করলেন, “তোমার শরবত কোন অবস্থার পদার্থ?”

মেফতাহুল বলল, “কঠিন।”

সবাই অবাক।

আনিশা বলল, “শরবত তো তরল!”

মেফতাহুল বলল, “আমি ভেবেছিলাম আমার শরবত খুব ঠান্ডা, তাই কঠিন!”

ম্যাডাম বললেন, “শুধু ঠান্ডা হলেই কোনো তরল কঠিন হয়ে যায় না।”

“পদার্থের অবস্থা বোঝার জন্য তার বৈশিষ্ট্য দেখতে হবে।”

মেফতাহুল বলল, “ঠিক আছে, আজ থেকে শরবতকে তরল বলব।”


বিজ্ঞানীসুলভ তুলনা


ফারজানা মরিয়ম বললেন, “বিজ্ঞান শেখার একটি ভালো উপায় হলো তুলনা করা।”

তিনি বোর্ডে লিখলেন—

কঠিন — নির্দিষ্ট আকার

তরল — পাত্রের আকার ধারণ করে

গ্যাস — ছড়িয়ে পড়ে

তারপর লিখলেন—

তিন অবস্থাই জায়গা দখল করে।

নুসরাত বলল, “এখন বিষয়টা অনেক সহজ লাগছে।”

ম্যাডাম বললেন, “কারণ তোমরা শুধু পড়োনি, পরীক্ষা করে দেখেছ।”


শেষ পরীক্ষা


ম্যাডাম একটি স্বচ্ছ প্লাস্টিকের বাক্সে একটি বল রাখলেন।

“বলটি কি বাক্সের ভেতরে জায়গা দখল করছে?”

সবাই বলল, “হ্যাঁ।”

তিনি বাক্সে পানি ঢাললেন।

“পানিও কি জায়গা দখল করছে?”

“হ্যাঁ।”

তিনি ঢাকনা বন্ধ করে বাক্সের ভেতরে বাতাস থাকার বিষয়টি ব্যাখ্যা করলেন।

“বাতাসও কি জায়গা দখল করছে?”

“হ্যাঁ!”

ম্যাডাম বললেন, “এখন তোমরা প্রমাণ করেছ—কঠিন, তরল ও বায়বীয় তিন ধরনের পদার্থই জায়গা দখল করে।”


আজকের বিজ্ঞান ডায়েরি


ক্লাস শেষ হওয়ার আগে ম্যাডাম বললেন, “আজকের শেখাগুলো পাঁচটি বাক্যে লিখবে।”

নুসরাত লিখল, “কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে।”

আনিশা লিখল, “তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকে কিন্তু নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে না।”

আবাবিল লিখল, “বায়বীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে না এবং এটি ছড়িয়ে পড়তে পারে।”

সাফুয়ান লিখল, “তিন অবস্থার পদার্থই জায়গা দখল করে।”

আসাদুল্লাহ লিখল, “পদার্থের অবস্থার ওপর তার আচরণ নির্ভর করে।”

ম্যাডাম সবার খাতা দেখে বললেন, “আজ তোমরা সত্যিই বিজ্ঞানীর মতো কাজ করেছ।”


রহস্যের নতুন দরজা


সবাই যখন বের হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বোর্ডে আরেকটি প্রশ্ন লিখলেন—

“পদার্থ কি এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় যেতে পারে?”

মরিয়ম বলল, “আমরা তো আগের অধ্যায়ে বরফ গলে পানি হতে দেখেছি!”

ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”

“তাহলে তোমরা ইতিমধ্যেই এই রহস্যের একটি অংশ জানো।”

নুসরাত বলল, “কিন্তু নিশ্চয়ই এর পেছনে আরও অনেক রহস্য আছে!”

ম্যাডাম বললেন, “অবশ্যই।”

মেফতাহুল বলল, “তাহলে আমাদের বিজ্ঞান অভিযান আবার শুরু!”

সবাই হাসতে হাসতে শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে গেল।

বোর্ডে তখনও জ্বলজ্বল করছিল প্রশ্নটি—

“পদার্থ কি এক অবস্থা থেকে অন্য অবস্থায় যেতে পারে?”

প্রশ্নটি যেন পরবর্তী অভিযানের জন্য সবাইকে ডাকছিল।


চলবে...


📝 অধ্যায় ৬: MCQ


১. কঠিন পদার্থের সাধারণ বৈশিষ্ট্য কোনটি?

ক) নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে

খ) কোনো আয়তন থাকে না

গ) সব সময় ছড়িয়ে পড়ে

ঘ) পাত্রের আকৃতি ধারণ করে


২. তরল পদার্থের কোন বৈশিষ্ট্য সঠিক?

ক) নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে

খ) নির্দিষ্ট আকার থাকে না, তবে আয়তন থাকে

গ) কোনো আয়তন থাকে না

ঘ) সব সময় শক্ত থাকে


৩. বায়বীয় পদার্থ সাধারণত কী করতে পারে?

ক) নিজের নির্দিষ্ট আকার ধরে রাখে

খ) পাত্রের ভেতরের জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে

গ) সব সময় নিচে থাকে

ঘ) শুধু পানিতে থাকে


৪. কোনটি কঠিন পদার্থ?

ক) পানি

খ) বাতাস

গ) বই

ঘ) জলীয় বাষ্প


৫. কোনটি তরল পদার্থ?

ক) পাথর

খ) পানি

গ) বাতাস

ঘ) রাবার


৬. কোনটি বায়বীয় পদার্থ?

ক) কাঠ

খ) দুধ

গ) বাতাস

ঘ) বরফ


৭. তরল পদার্থ সাধারণত কী করে?

ক) পাত্রের আকৃতি ধারণ করে

খ) সব সময় নিজের আকৃতি ধরে রাখে

গ) অদৃশ্য হয়ে যায়

ঘ) শক্ত হয়ে যায়


৮. তিন অবস্থার কোন বৈশিষ্ট্যটি সবার মধ্যে রয়েছে?

ক) সবার নির্দিষ্ট আকৃতি আছে

খ) সবাই জায়গা দখল করে

গ) সবাই কঠিন

ঘ) সবাই পাত্রের আকৃতি ধারণ করে


৯. বেলুনে বাতাস ঢোকালে বেলুন ফুলে ওঠে কেন?

ক) বাতাস জায়গা দখল করে

খ) বাতাস কঠিন

গ) বাতাসের কোনো আয়তন নেই

ঘ) বেলুন নিজে পানি তৈরি করে


১০. বিজ্ঞান শেখার ভালো পদ্ধতি কোনটি?

ক) শুধু অনুমান করা

খ) শুধু মুখস্থ করা

গ) পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা করা

ঘ) প্রশ্ন না করা


উত্তরমালা:

১. ক | ২. খ | ৩. খ | ৪. গ | ৫. খ | ৬. গ | ৭. ক | ৮. খ | ৯. ক | ১০. গ

#শিক্ষার্থীদের পাতা #শিক্ষা