বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
মজার সাথে শিক্ষা - ক্লাস ৩

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: বলের মহা অভিযান

আশরাফ উল আসাদ 14 সেপ্টেম্বর 2026, 09:26 সকাল 20 বার পঠিত
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: বলের মহা অভিযান

তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৬: বস্তুর উপর বলের প্রভাব


অধ্যায় ১০: বলের মহা অভিযান


লেখক: আশরাফ উল আসাদ


ফারজানা মরিয়ম শিক্ষিকা শ্রেণিকক্ষে ঢুকেই বললেন, “আজ আমাদের বিজ্ঞান গল্পের শেষ অধ্যায়। তবে আজকের ক্লাস হবে একটি মহা অভিযান!”

নুসরাত জাহান আনন্দে বলল, “আমরা কি বিজ্ঞানী হতে যাচ্ছি?”

আনিশা মারজান বলল, “নাকি রকেট বানাব?”

সাফুয়ান বলল, “আমি কিন্তু ফুটবল বিজ্ঞানী হতে চাই!”

সবাই হেসে উঠল।

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “আজ আমরা একটি বিশেষ অভিযানে বের হব। এই অভিযানে তোমরা দেখবে, বল কীভাবে কোনো বস্তুকে চালায়, থামায়, তার দিক পরিবর্তন করে এবং আকার বদলে দেয়।”


অভিযানের প্রস্তুতি


শিক্ষিকা একটি বড় বাক্স নিয়ে এলেন।

বাক্সের ভেতরে ছিল:


- একটি খেলনা গাড়ি

- কয়েকটি মার্বেল

- একটি ফুটবল

- একটি রাবারের বল

- একটি স্পঞ্জ

- একটি খালি প্লাস্টিকের বোতল

- কিছু মাটি

- একটি রাবার ব্যান্ড

- একটি দড়ি

- কয়েকটি কাগজ

- একটি কলম

- একটি ছোট খেলনা ব্যাট


মেফতাহুল জান্নাত বলল, “এত কিছু দিয়ে আমরা কী করব?”

শিক্ষিকা বললেন, “আজ তোমরা দলবদ্ধভাবে বিভিন্ন পরীক্ষা করবে এবং খুঁজে বের করবে, কোথায় কীভাবে বল কাজ করছে।”


তিনি সবাইকে চারটি দলে ভাগ করলেন।

নুসরাত, আনিশা ও মেফতাহুল হলো প্রথম দল।

আবাবিল আল আলিফ, সাফুয়ান ও আসাদুল্লাহ আল গালিব হলো দ্বিতীয় দল।

আবু তালহা ও মরিয়ম আক্তার হলো তৃতীয় দল।

শিক্ষিকা নিজে সব দলের কাজ পর্যবেক্ষণ করবেন।


প্রথম অভিযান: স্থির বস্তু চালানো


প্রথম দল একটি খেলনা গাড়ি মেঝেতে রাখল।

গাড়িটি স্থির ছিল।

নুসরাত গাড়িটিকে হালকা ধাক্কা দিল।

গাড়িটি সামনে চলতে শুরু করল।

আনিশা বলল, “স্থির গাড়ি বল প্রয়োগের কারণে চলতে শুরু করেছে!”

মেফতাহুল গাড়িটিকে আরও জোরে ধাক্কা দিল।

গাড়িটি আগের চেয়ে দ্রুত চলল।

শিক্ষিকা বললেন, “এখানে ধাক্কা বা ঠেলার বল স্থির গাড়িকে গতিশীল করেছে।”

তিনি বোর্ডে লিখলেন:


স্থির বস্তু + বল = গতি শুরু হতে পারে


এরপর শিক্ষিকা বললেন, “এবার তোমরা পরীক্ষা করো, গাড়ির ওপর হালকা ও জোরে ধাক্কার কী পার্থক্য হয়।”

দলটি দেখল, ধাক্কার পরিমাণ পরিবর্তিত হলে গাড়ির গতি ও চলার দূরত্বও পরিবর্তিত হতে পারে।


দ্বিতীয় অভিযান: চলন্ত বস্তু থামানো


দ্বিতীয় দল একটি মার্বেল টেবিলের ওপর গড়িয়ে দিল।

মার্বেলটি চলতে শুরু করল।

সাফুয়ান তার সামনে একটি পেন্সিল রাখল।

মার্বেলটি পেন্সিলে ধাক্কা খেয়ে থেমে গেল।

আবাবিল বলল, “বাধা বিপরীত দিকে বল প্রয়োগ করেছে, তাই মার্বেল থেমে গেছে।”

শিক্ষিকা বললেন, “খুব ভালো।”

এরপর আসাদুল্লাহ গালিব হাত দিয়ে একটি চলন্ত খেলনা গাড়ি থামিয়ে দিল।

শিক্ষিকা বললেন, “হাত দিয়ে বিপরীত দিকে বল প্রয়োগ করেও চলন্ত বস্তুকে থামানো যায়।”


তিনি বোর্ডে লিখলেন:


চলন্ত বস্তু + বিপরীতমুখী বল = গতি কমতে বা থামতে পারে


তৃতীয় অভিযান: গতির দিক পরিবর্তন


তৃতীয় দল একটি মার্বেল গড়িয়ে দিল।

আবু তালহা মার্বেলের পাশে একটি কাঠের ব্লক রাখল।

মার্বেলটি ব্লকে ধাক্কা খেয়ে অন্যদিকে চলে গেল।

মরিয়ম আক্তার বলল, “মার্বেলের পথ বদলে গেছে!”

শিক্ষিকা বললেন, “কারণ পাশ থেকে বাধা দেওয়ায় মার্বেলের গতির দিক পরিবর্তিত হয়েছে।”

এরপর তারা একটি খেলনা গাড়ি চালিয়ে তার পাশে একটি বই রাখল।

গাড়িটি বইয়ে ধাক্কা খেয়ে বাঁদিকে ঘুরে গেল।


শিক্ষিকা বললেন, “চলন্ত বস্তুর ওপর পাশ থেকে বল প্রয়োগ করলে তার দিক পরিবর্তিত হতে পারে।”


তিনি বোর্ডে লিখলেন:


চলন্ত বস্তু + পাশের বল = গতির দিক পরিবর্তন হতে পারে


চতুর্থ অভিযান: বস্তুর আকার পরিবর্তন


ফারজানা মরিয়ম এবার সবাইকে একটি স্পঞ্জ দিলেন।

শিক্ষার্থীরা স্পঞ্জ চেপে ধরল।

স্পঞ্জটি ছোট হয়ে গেল।

চাপ ছেড়ে দিলে আবার আগের আকারে ফিরে এল।

এরপর তারা মাটির দলা নিয়ে চাপ দিয়ে চ্যাপ্টা করল।

মাটির আকার বদলে গেল।

মাটি আবার গোল করতে হলে হাতে নতুন করে আকার দিতে হলো।

আনিশা বলল, “স্পঞ্জ চাপ ছেড়ে দিলে আগের আকারে ফিরে আসে, কিন্তু মাটি নিজে থেকে ফিরে আসে না!”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক তাই।”

তিনি একটি খালি প্লাস্টিকের বোতল চেপে ধরলেন।

বোতলটির গায়ের আকার পরিবর্তিত হলো।


শিক্ষিকা বোর্ডে লিখলেন:


চাপ, টান বা বাঁকানো বল = বস্তুর আকার পরিবর্তন হতে পারে


পঞ্চম অভিযান: টান ও ধাক্কার প্রতিযোগিতা


শিক্ষিকা একটি দড়ি বের করলেন।

দড়ির এক প্রান্তে প্রথম দল এবং অন্য প্রান্তে দ্বিতীয় দল দাঁড়াল।

তিনি বললেন, “এবার সবাই দড়ি টানো।”

দুই দল বিপরীত দিকে টানতে শুরু করল।

দড়িটি মাঝামাঝি অবস্থায় রইল।

এরপর দ্বিতীয় দল একটু বেশি জোরে টানল।

দড়িটি তাদের দিকে এগিয়ে গেল।

মেফতাহুল বলল, “যেদিকে বেশি বল, দড়ি সেদিকেই যাচ্ছে!”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক তাই।”

তিনি বললেন, “সমান ও বিপরীত বল থাকলে অবস্থার খুব বেশি পরিবর্তন হয় না। কিন্তু একদিকে বল বেশি হলে বস্তু সেই দিকে চলতে পারে।”


ষষ্ঠ অভিযান: খেলাধুলায় বল


শিক্ষিকা মাঠে একটি ফুটবল রাখলেন।

সাফুয়ান বলটিকে লাথি দিল।

বলটি সামনে চলে গেল।

নুসরাত বলটির সামনে পা রেখে থামিয়ে দিল।

আবাবিল পাশ থেকে বলটিকে হালকা ধাক্কা দিল।

বলটি অন্যদিকে চলে গেল।

শিক্ষিকা বললেন, “একটি ফুটবলের ওপর বল প্রয়োগ করে আমরা তিনটি কাজ করতে পারি—চালাতে পারি, থামাতে পারি এবং দিক পরিবর্তন করতে পারি।”

এরপর তিনি খেলনা ব্যাট দিয়ে একটি ছোট বল আঘাত করলেন।

বলটি সামনে ছুটে গেল।

আসাদুল্লাহ গালিব বলল, “ব্যাটের আঘাত বলের ওপর ধাক্কার মতো কাজ করেছে!”

শিক্ষিকা বললেন, “একদম ঠিক।”


সপ্তম অভিযান: লেখার বল


ফারজানা মরিয়ম একটি কাগজ ও কলম নিয়ে বললেন, “এবার দেখো, লেখার সময় বল কীভাবে কাজ করে।”

তিনি কলমটি কাগজের ওপর চালালেন।

একটি দাগ তৈরি হলো।

তিনি হালকা চাপ দিয়ে লিখলেন।

দাগটি ফিকে হলো।

এরপর একটু বেশি চাপ দিয়ে লিখলেন।

দাগটি গাঢ় হলো।

মরিয়ম বলল, “হাতের চাপ বদলালে লেখার দাগও বদলে যায়!”

শিক্ষিকা বললেন, “হ্যাঁ। কলম ও কাগজের মধ্যে ঘর্ষণও লেখার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি একটি রাবার দিয়ে পেন্সিলের লেখা মুছে দেখালেন।

শিক্ষিকা বললেন, “রাবার ও কাগজের ঘর্ষণের কারণে পেন্সিলের দাগ উঠে যায়।”


অষ্টম অভিযান: ভারী বোঝা সরানো


শিক্ষিকা একটি খালি বাক্স এবং একটি বইভর্তি বাক্স সামনে রাখলেন।

তিনি বললেন, “এবার দুটি বাক্স ঠেলে দেখো।”

নুসরাত খালি বাক্সটি সহজে ঠেলে সরিয়ে ফেলল।

কিন্তু বইভর্তি বাক্সটি সরাতে তার বেশি কষ্ট হলো।

আনিশা ও মেফতাহুল একসঙ্গে ঠেললে বইভর্তি বাক্সটি ধীরে ধীরে এগোল।

শিক্ষিকা বললেন, “ভারী বোঝা সরাতে সাধারণত বেশি বল দরকার হয়। একাধিক ব্যক্তি একই দিকে বল প্রয়োগ করলে কাজটি সহজ হতে পারে।”

আবু তালহা বলল, “তাহলে ঠেলাগাড়ি ও ভ্যানেও এই নিয়ম কাজ করে!”

শিক্ষিকা বললেন, “অবশ্যই।”


নবম অভিযান: ঘর্ষণের পরীক্ষা


শিক্ষিকা খেলনা গাড়িটি প্রথমে মসৃণ টেবিলের ওপর চালালেন।

গাড়িটি অনেক দূর গেল।

এরপর তিনি গাড়িটি একটি রুক্ষ কাপড়ের ওপর চালালেন।

গাড়িটি দ্রুত থেমে গেল।

মেফতাহুল বলল, “রুক্ষ পৃষ্ঠে ঘর্ষণ বেশি হওয়ায় গাড়িটি তাড়াতাড়ি থেমে গেল।”

শিক্ষিকা বললেন, “ঠিক বলেছ।”

তিনি বললেন, “ঘর্ষণ কখনো বস্তুর গতি কমায়, আবার কখনো আমাদের হাঁটা, লেখা ও জিনিস ধরা সহজ করে।”


দশম অভিযান: বলের চারটি প্রধান প্রভাব


সব পরীক্ষা শেষে ফারজানা মরিয়ম শিক্ষার্থীদের বললেন, “এবার তোমরা বলের চারটি প্রধান প্রভাব বলো।”

নুসরাত বলল, “বল প্রয়োগ করে স্থির বস্তুকে চলানো যায়।”

আনিশা বলল, “চলন্ত বস্তুকে থামানো যায়।”

মেফতাহুল বলল, “চলন্ত বস্তুর গতির দিক পরিবর্তন করা যায়।”

আবাবিল বলল, “বস্তুর আকার পরিবর্তন করা যায়।”

শিক্ষিকা আনন্দিত হয়ে বললেন, “তোমরা আজকের পাঠের মূল বিষয়গুলো খুব সুন্দরভাবে বুঝেছ।”


তিনি বোর্ডে লিখলেন:


১. স্থির বস্তুকে গতিশীল করা


২. চলন্ত বস্তুকে থামানো


৩. গতির দিক পরিবর্তন করা


৪. বস্তুর আকার পরিবর্তন করা


বিজ্ঞানীদের মতো পর্যবেক্ষণ


ফারজানা মরিয়ম বললেন, “একজন ভালো বিজ্ঞানী শুধু পরীক্ষা করেন না, তিনি পর্যবেক্ষণও করেন।”

তিনি শিক্ষার্থীদের বললেন:


- বস্তুটি প্রথমে স্থির ছিল কি না লক্ষ করো।

- কী ধরনের বল প্রয়োগ করা হয়েছে, তা বোঝো।

- বলের দিক কোন দিকে ছিল, তা দেখো।

- বল প্রয়োগের পর বস্তুর গতি বদলেছে কি না লক্ষ করো।

- বস্তুর আকার পরিবর্তিত হয়েছে কি না দেখো।

- বল সরিয়ে নিলে বস্তু আগের অবস্থায় ফিরেছে কি না পরীক্ষা করো।

- পরীক্ষার ফল খাতায় লিখে রাখো।


সাফুয়ান বলল, “তাহলে বিজ্ঞান শেখার জন্য শুধু উত্তর মুখস্থ করলেই হবে না, নিজের চোখে দেখে বুঝতে হবে।”

শিক্ষিকা বললেন, “এটাই সত্যিকারের শেখা।”


একটি শেষ প্রশ্ন


শিক্ষিকা সবাইকে জিজ্ঞেস করলেন, “ধরো, একটি বল মাটিতে স্থির আছে। তুমি সেটিকে লাথি দিলে সামনে গেল। পরে তোমার বন্ধু পা দিয়ে সেটিকে থামাল। এরপর সে পাশ থেকে বলটিকে ধাক্কা দিল, আর বলটি অন্যদিকে গেল। এখানে বলের কোন কোন প্রভাব দেখা গেল?”

সবাই একসঙ্গে উত্তর দিল:

“প্রথমে স্থির বল চলতে শুরু করেছে, পরে চলন্ত বল থেমেছে, তারপর বলের গতির দিক পরিবর্তিত হয়েছে!”

শিক্ষিকা বললেন, “চমৎকার।”

তিনি আরও বললেন, “আর যদি বলটি স্পঞ্জের মতো হতো এবং চাপ দিলে চ্যাপ্টা হয়ে যেত, তাহলে আকার পরিবর্তনের প্রভাবও দেখা যেত।”


নিরাপত্তার শেষ পাঠ


ফারজানা মরিয়ম বললেন, “বলের ব্যবহার শেখার সঙ্গে সঙ্গে নিরাপত্তাও মনে রাখতে হবে।”

তিনি বললেন:


- কোনো বস্তুর ওপর অতিরিক্ত বল প্রয়োগ করা যাবে না।

- ভারী বোঝা একা তুলতে বা ঠেলতে হবে না।

- কারও দিকে জোরে বল ছোড়া যাবে না।

- মার্বেল মুখে দেওয়া যাবে না।

- ব্যাট ব্যবহারের সময় চারপাশে খেয়াল রাখতে হবে।

- ধারালো বস্তুতে চাপ দেওয়া যাবে না।

- রাবার ব্যান্ড অতিরিক্ত টানা যাবে না।

- পিচ্ছিল জায়গায় দৌড়ানো যাবে না।

- পরীক্ষার সময় শিক্ষকের নির্দেশ মানতে হবে।


সমাপনী কথা


দিনের শেষে শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারল, বল কোনো দূরের বা কঠিন বিষয় নয়।

তারা যখন দরজা খোলে, ব্যাগ তোলে, হাঁটে, দৌড়ায়, কলম দিয়ে লেখে, খেলনা গাড়ি চালায়, ফুটবল খেলে বা ভ্যান ঠেলে—তখনই বলের প্রভাব দেখতে পায়।

ফারজানা মরিয়ম শিক্ষিকা বললেন, “বিজ্ঞান আমাদের চারপাশে আছে। তোমরা যদি কৌতূহলী চোখে তাকাও, তাহলে প্রতিটি কাজের মধ্যে নতুন কোনো রহস্য খুঁজে পাবে।”

নুসরাত বলল, “আজ থেকে আমি প্রতিটি কাজের মধ্যে বলের প্রভাব খুঁজব।”

আনিশা বলল, “আমি বাড়িতে নিরাপদে কিছু পরীক্ষা করব।”

সাফুয়ান বলল, “আমি ফুটবল খেলব আর দেখব, কখন বলের গতি বাড়ে, কখন থামে এবং কখন দিক বদলায়!”

সবাই হাসল।

ফারজানা মরিয়ম বললেন, “তাহলে আজকের বিজ্ঞান অভিযান এখানেই শেষ। কিন্তু তোমাদের অনুসন্ধান যেন কখনো শেষ না হয়।”


আজকের শিক্ষণীয় কথা


টান ও ধাক্কা হলো বল প্রয়োগের দুটি প্রধান উপায়।

বল প্রয়োগ করে স্থির বস্তুকে চলতে শুরু করানো যায়।

বল প্রয়োগ করে চলন্ত বস্তুকে থামানো যায়।

পাশ থেকে বল প্রয়োগ করলে চলন্ত বস্তুর গতির দিক পরিবর্তিত হতে পারে।

চাপ, টান, বাঁকানো ও মুচড়ানোর মাধ্যমে বস্তুর আকার পরিবর্তন করা যায়।

ভারী বস্তু সরাতে সাধারণত বেশি বল প্রয়োজন হয়।

ঘর্ষণ বস্তুর গতি কমাতে পারে এবং হাঁটা, লেখা ও জিনিস ধরা সহজ করে।

বল প্রয়োগের সময় বস্তুর ধরন, বলের পরিমাণ, বলের দিক এবং নিরাপত্তার বিষয় মনে রাখতে হয়।


অধ্যায় শেষে বহুনির্বাচনী প্রশ্ন


১. বল প্রয়োগের দুটি প্রধান উপায় কী?

ক. টান ও ধাক্কা

খ. আলো ও শব্দ

গ. তাপ ও ঠান্ডা

ঘ. গন্ধ ও রং


২. স্থির খেলনা গাড়িকে চলাতে কী করতে হয়?

ক. ধাক্কা দিতে হয়

খ. শুধু দেখতে হয়

গ. পানি ঢালতে হয়

ঘ. গান গাইতে হয়


৩. চলন্ত মার্বেলকে থামাতে কী করা যায়?

ক. বিপরীত দিকে বল প্রয়োগ করা

খ. আলো জ্বালানো

গ. দূরে দাঁড়িয়ে থাকা

ঘ. নাম পরিবর্তন করা


৪. চলন্ত বলের পাশ থেকে বল প্রয়োগ করলে কী হতে পারে?

ক. গতির দিক পরিবর্তিত হতে পারে

খ. বল অদৃশ্য হতে পারে

গ. বলের গন্ধ বদলাতে পারে

ঘ. বল সব সময় স্থির থাকবে


৫. স্পঞ্জ চেপে ধরলে কী পরিবর্তন হয়?

ক. আকার

খ. নাম

গ. গন্ধ

ঘ. শব্দ


৬. ভারী বাক্স সরাতে সাধারণত কী দরকার হয়?

ক. বেশি বল

খ. কোনো বল নয়

গ. শুধু আলো

ঘ. শুধু শব্দ


৭. ঘর্ষণ কী করতে পারে?

ক. বস্তুর গতি কমাতে পারে

খ. সব সময় গতি বাড়ায়

গ. বস্তু অদৃশ্য করে

ঘ. বস্তু আলোতে পরিণত করে


৮. কলম দিয়ে লেখার সময় কোনটি কাজ করে?

ক. হাতের বল ও ঘর্ষণ

খ. শুধু বাতাস

গ. শুধু আলো

ঘ. শুধু শব্দ


৯. বল প্রয়োগের সময় কোন বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ?

ক. বলের পরিমাণ ও দিক

খ. শুধু বস্তুর রং

গ. শুধু বস্তুর গন্ধ

ঘ. শুধু বস্তুর নাম


১০. বলের চারটি প্রধান প্রভাবের একটি কোনটি?

ক. বস্তুর আকার পরিবর্তন

খ. শুধু বস্তুর নাম পরিবর্তন

গ. শুধু বস্তুর গন্ধ পরিবর্তন

ঘ. শুধু বস্তুর রং পরিবর্তন


উত্তরমালা


১. ক

২. ক

৩. ক

৪. ক

৫. ক

৬. ক

৭. ক

৮. ক

৯. ক

১০. ক

#শিক্ষা