তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: পদার্থের তিন রূপ
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৪: পদার্থ
অধ্যায় ৪: পদার্থের তিন রূপ
লেখক: আশরাফ উল আসাদ
সেদিন সকাল থেকেই শ্রেণিকক্ষে যেন উৎসবের আমেজ।
নুসরাত জাহান, আনিশা মারজান, মেফতাহুল জান্নাত, আবাবিল আল আলিফ, সাফুয়ান, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু তালহা ও মরিয়ম আক্তার সবাই অধীর আগ্রহে ফারজানা মরিয়ম ম্যাডামের অপেক্ষা করছিল।
গত ক্লাসে তারা শিখেছিল পদার্থ জায়গা দখল করে এবং সেই জায়গার পরিমাণকে আয়তন বলা হয়।
কিন্তু আজকের ক্লাসে কী শেখানো হবে, তা কেউ জানত না।
মেফতাহুল ফিসফিস করে বলল, “আজ নিশ্চয়ই কোনো বড় পরীক্ষা হবে।”
আনিশা বলল, “তুমি কীভাবে জানো?”
“ম্যাডাম গতকাল বলেছিলেন, পদার্থের রহস্য আরও গভীর হবে।”
ঠিক তখনই দরজা খুলে ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করলেন।
তাঁর হাতে ছিল একটি বরফের টুকরো, একটি স্বচ্ছ গ্লাসে পানি এবং একটি ফুলে থাকা বেলুন।
তিনি তিনটি জিনিস টেবিলের ওপর পাশাপাশি রাখলেন।
সবাই অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।
ম্যাডাম বললেন, “আজ তোমরা দেখবে, একই পৃথিবীতে থাকা পদার্থ কত ভিন্ন রূপে আমাদের সামনে হাজির হতে পারে।”
তিনটি অদ্ভুত জিনিস
ম্যাডাম প্রথমে বরফের টুকরোটি হাতে তুলে ধরলেন।
“এটি কী?”
সবাই বলল, “বরফ!”
“এটি কেমন?”
নুসরাত বলল, “শক্ত।”
“এটির কি একটি নির্দিষ্ট আকার আছে?”
আবাবিল বলল, “হ্যাঁ।”
ম্যাডাম বরফটি টেবিলে রাখলেন।
বরফটি নিজের আকার ধরে রাখল।
তিনি এবার গ্লাসের পানি দেখিয়ে বললেন, “এটি কী?”
মরিয়ম বলল, “পানি।”
“এটির কি নিজের নির্দিষ্ট আকার আছে?”
আনিশা বলল, “না।”
“কেন?”
“কারণ পানি গ্লাসের আকৃতি নিয়েছে।”
ম্যাডাম এবার বেলুনটি দেখালেন।
“এর ভেতরে কী আছে?”
সাফুয়ান বলল, “বাতাস।”
ম্যাডাম বললেন, “বাতাসকে কি আমরা হাত দিয়ে ধরে রাখতে পারি?”
সবাই মাথা নাড়ল।
“না।”
ম্যাডাম বোর্ডে লিখলেন—
কঠিন — তরল — বায়বীয়।
কঠিন পদার্থ
ফারজানা মরিয়ম বললেন, “যেসব পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে, তাদের কঠিন পদার্থ বলা হয়।”
তিনি একটি বই হাতে নিলেন।
“এই বইয়ের কি একটি নির্দিষ্ট আকার আছে?”
আবু তালহা বলল, “হ্যাঁ।”
“এটির আয়তনও আছে?”
“হ্যাঁ।”
ম্যাডাম বললেন, “তাহলে বই একটি কঠিন পদার্থ।”
তিনি টেবিল, পেন্সিল, রাবার, ইট ও পাথরের উদাহরণ দিলেন।
মেফতাহুল নিজের রাবার তুলে বলল, “আমার রাবারও কঠিন পদার্থ!”
ম্যাডাম বললেন, “অবশ্যই।”
মেফতাহুল গর্ব করে বলল, “আজ আমার রাবারও বিজ্ঞানী হয়ে গেল!”
সবাই হেসে উঠল।
কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার
ম্যাডাম এবার একটি বল ও একটি বই টেবিলে রাখলেন।
“বলটির আকার কেমন?”
নুসরাত বলল, “গোলাকার।”
“বইয়ের?”
আসাদুল্লাহ বলল, “আয়তাকার।”
ম্যাডাম বললেন, “দুটিই কঠিন পদার্থ, কিন্তু তাদের আকার আলাদা।”
আনিশা বলল, “অর্থাৎ সব কঠিন পদার্থের আকার এক রকম নয়।”
“ঠিক।”
“তবে প্রত্যেক কঠিন পদার্থের নিজস্ব নির্দিষ্ট আকার থাকতে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো।”
শক্ত করে ধরা পাথর
ম্যাডাম একটি পাথর আবাবিলের হাতে দিলেন।
“এবার পাথরটি অন্য পাত্রে রাখো।”
আবাবিল পাথরটি একটি ছোট বাটিতে রাখল।
পাথরের আকার বদলাল না।
সে আবার পাথরটি একটি বড় বাক্সে রাখল।
তবুও পাথরের আকার একই রইল।
ম্যাডাম বললেন, “এটাই কঠিন পদার্থের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য।”
সাফুয়ান বলল, “পাথর পাত্রের আকার ধারণ করে না।”
“ঠিক।”
ম্যাডাম বললেন, “কারণ এটি কঠিন পদার্থ।”
তরল পদার্থের পালা
এবার ম্যাডাম পানির গ্লাসটি তুলে ধরলেন।
“পানি কি নিজের কোনো নির্দিষ্ট আকার ধরে রাখে?”
মরিয়ম বলল, “না।”
“কেন?”
“কারণ পানি যে পাত্রে থাকে, সেই পাত্রের আকৃতি ধারণ করে।”
ম্যাডাম একটি গ্লাস থেকে পানি একটি বাটিতে ঢাললেন।
পানির আকার বদলে গেল।
তারপর পানি একটি বোতলে ঢাললেন।
এবার পানি বোতলের ভেতরের আকৃতি ধারণ করল।
নুসরাত বলল, “পানি বারবার নিজের আকার বদলাচ্ছে!”
ম্যাডাম বললেন, “হ্যাঁ।”
“তরল পদার্থের নিজস্ব নির্দিষ্ট আকার নেই।”
আবু তালহা বলল, “কিন্তু পানির আয়তন তো আছে?”
ম্যাডাম বললেন, “অবশ্যই।”
দুধ, তেল আর রস
ম্যাডাম বললেন, “শুধু পানি নয়, আরও অনেক তরল পদার্থ আছে।”
তিনি উদাহরণ দিলেন—দুধ, তেল, ফলের রস।
“দুধ কোন অবস্থার পদার্থ?”
সবাই বলল, “তরল!”
“তেল?”
“তরল!”
“আমের রস?”
“তরল!”
মেফতাহুল বলল, “তাহলে আমার প্রিয় শরবতও তরল!”
ম্যাডাম হাসলেন।
“হ্যাঁ, শরবতও তরল পদার্থ।”
তরল কি জায়গা দখল করে?
ম্যাডাম এবার একটি খালি বোতল এবং পানিভর্তি বোতল সামনে রাখলেন।
“তোমরা বলো, পানির কি আয়তন আছে?”
নুসরাত বলল, “আছে।”
“কীভাবে বুঝলে?”
“পানি বোতলের ভেতরের জায়গা দখল করে আছে।”
ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো।”
তিনি বললেন, “তরল পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকে, কিন্তু নির্দিষ্ট আকৃতি থাকে না।”
বায়বীয় পদার্থ
এবার ম্যাডাম বেলুনটি হাতে নিলেন।
“বেলুনের ভেতরে কী আছে?”
“বাতাস!”
“বাতাস কি দেখা যায়?”
“না।”
“তবুও কি এটি জায়গা দখল করে?”
আবাবিল বলল, “হ্যাঁ।”
ম্যাডাম বললেন, “কীভাবে বুঝলে?”
আবাবিল বলল, “বেলুনে বাতাস ঢোকালে বেলুন ফুলে ওঠে।”
ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার।”
তিনি বোর্ডে লিখলেন—বায়বীয় বা গ্যাসীয় পদার্থ।
বেলুনের ভেতরের বাতাস
ম্যাডাম একটি ফুলে থাকা বেলুন নুসরাতের হাতে দিলেন।
নুসরাত বেলুনটি চেপে ধরল।
বেলুনের আকৃতি বদলে গেল।
ম্যাডাম বললেন, “বেলুনের ভেতরের বাতাস চাপের কারণে অন্যদিকে সরে যাচ্ছে।”
সাফুয়ান বলল, “তাহলে বাতাসও জায়গা দখল করে।”
“হ্যাঁ।”
“আর বেলুনের ভেতরে বাতাস না থাকলে বেলুনটি ফুলত না।”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”
গ্যাসের নির্দিষ্ট আকার নেই
ফারজানা মরিয়ম একটি খালি প্লাস্টিকের ব্যাগ নিলেন।
তিনি ব্যাগটির মুখ খুলে বাতাস ঢুকিয়ে দিলেন।
ব্যাগটি ফুলে উঠল।
তারপর ব্যাগটির মুখ অন্যভাবে ধরে বাতাস ঢোকালেন।
ব্যাগের আকার আবার বদলে গেল।
মরিয়ম বলল, “বাতাসের নিজের কোনো নির্দিষ্ট আকার নেই!”
ম্যাডাম বললেন, “সঠিক।”
“গ্যাসীয় পদার্থ যে পাত্রে থাকে, তার ভেতরের জায়গা জুড়ে ছড়িয়ে পড়তে পারে।”
ধোঁয়ার উদাহরণ
ম্যাডাম বললেন, “তোমরা কখনো ধোঁয়া দেখেছ?”
সবাই বলল, “হ্যাঁ।”
“ধোঁয়া কি একটি নির্দিষ্ট আকার ধরে রাখে?”
আসাদুল্লাহ বলল, “না।”
“ধোঁয়া বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে।”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক। ধোঁয়া গ্যাসীয় পদার্থের একটি পরিচিত উদাহরণ।”
তিনি অবশ্য সতর্ক করে দিলেন, “তবে ধোঁয়া স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে, তাই ধোঁয়ার কাছাকাছি যাওয়া উচিত নয়।”
তিন বন্ধুর গল্প
মেফতাহুল বলল, “ম্যাডাম, তিন অবস্থাকে যদি মানুষ মনে করি, তাহলে কেমন হয়?”
ম্যাডাম বললেন, “বলো তো।”
মেফতাহুল বলল, “কঠিন পদার্থ হলো এমন বন্ধু, যে নিজের জায়গায় শক্ত হয়ে বসে থাকে।”
সবাই হাসল।
সে বলল, “তরল পদার্থ হলো এমন বন্ধু, যে যে ঘরে যায়, সেই ঘরের মতো হয়ে যায়।”
আনিশা বলল, “আর বায়বীয় পদার্থ?”
মেফতাহুল বলল, “সে হলো এমন বন্ধু, যে পুরো ঘর ঘুরে বেড়ায়!”
ফারজানা মরিয়ম হেসে বললেন, “তোমার তুলনাটি মজার, তবে বিজ্ঞানের দিক থেকেও বেশ ভালো।”
তিন অবস্থার তুলনা
ম্যাডাম বোর্ডে একটি ছক আঁকলেন।
তিনি বললেন, “এবার আমরা তিন অবস্থাকে তুলনা করি।”
তিনি লিখলেন—
কঠিন: নির্দিষ্ট আকার আছে, নির্দিষ্ট আয়তন আছে।
তরল: নির্দিষ্ট আকার নেই, নির্দিষ্ট আয়তন আছে।
বায়বীয়: নির্দিষ্ট আকার নেই এবং পাত্রের ভেতর ছড়িয়ে পড়ে।
শিক্ষার্থীরা খাতায় ছকটি লিখে নিল।
নুসরাত বলল, “এভাবে তুলনা করলে মনে রাখা সহজ।”
ম্যাডাম বললেন, “বিজ্ঞানের তথ্য বোঝার জন্য তুলনা করা খুব ভালো পদ্ধতি।”
শ্রেণিকক্ষে তিন অবস্থার খোঁজ
ম্যাডাম বললেন, “এবার তোমরা শ্রেণিকক্ষে তিন অবস্থার পদার্থ খুঁজে বের করো।”
নুসরাত বলল, “বই—কঠিন।”
আনিশা বলল, “পানি—তরল।”
আবাবিল বলল, “বাতাস—বায়বীয়।”
সাফুয়ান বলল, “পেন্সিল—কঠিন।”
আবু তালহা বলল, “পানির বোতলের ভেতরের পানি—তরল।”
মরিয়ম বলল, “বেলুনের ভেতরের বাতাস—বায়বীয়।”
ম্যাডাম বললেন, “অসাধারণ।”
তিনি বললেন, “আমাদের চারপাশে পদার্থের তিন অবস্থাই রয়েছে।”
বরফ, পানি ও জলীয় বাষ্প
ম্যাডাম এবার বললেন, “একটি বিশেষ উদাহরণ দেখি।”
তিনি বরফের টুকরোটি তুলে ধরলেন।
“এটি কী?”
“কঠিন পানি।”
“আর বরফ গলে গেলে?”
“পানি!”
“পানি গরম করলে কী হতে পারে?”
আসাদুল্লাহ বলল, “জলীয় বাষ্প।”
ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো।”
তিনি বললেন, “একই পদার্থ ভিন্ন অবস্থায় থাকতে পারে।”
সবাই অবাক হয়ে গেল।
নুসরাত বলল, “অর্থাৎ পানি শুধু তরল অবস্থায় থাকে না!”
“ঠিক।”
“বরফ হলো কঠিন অবস্থা, পানি হলো তরল অবস্থা এবং জলীয় বাষ্প হলো বায়বীয় অবস্থা।”
মজার প্রশ্ন
মেফতাহুল হাত তুলল।
“ম্যাডাম, তাহলে বরফ যদি গলে পানি হয়, আর পানি থেকে বাষ্প হয়, তাহলে বাষ্প আবার পানি হতে পারে?”
ম্যাডাম বললেন, “অবশ্যই।”
“ঠান্ডা হলে জলীয় বাষ্প আবার পানিতে পরিণত হতে পারে।”
মেফতাহুল বলল, “তাহলে পানি তো রূপ বদলানোর ওস্তাদ!”
ম্যাডাম বললেন, “বিজ্ঞানীসুলভ ভাষায় বলতে পারো—পানি বিভিন্ন অবস্থায় পরিবর্তিত হতে পারে।”
আজকের শেখা
ক্লাসের শেষ দিকে ম্যাডাম সবাইকে খাতা বন্ধ করতে বললেন।
তিনি প্রশ্ন করলেন, “আজ আমরা কী শিখলাম?”
নুসরাত বলল, “পদার্থের তিনটি প্রধান অবস্থা আছে।”
আনিশা বলল, “কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে।”
সাফুয়ান বলল, “তরলের নির্দিষ্ট আয়তন থাকে, কিন্তু নির্দিষ্ট আকার থাকে না।”
আবাবিল বলল, “গ্যাসীয় পদার্থের নির্দিষ্ট আকার থাকে না এবং এটি পাত্রের ভেতরের জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।”
আসাদুল্লাহ বলল, “পানি কঠিন, তরল ও বায়বীয়—তিন অবস্থায় থাকতে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “তোমরা আজকের রহস্য পুরোপুরি সমাধান করে ফেলেছ।”
পরের রহস্য
শ্রেণিকক্ষ থেকে বের হওয়ার আগে ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে লিখলেন—
কঠিন → তরল → বায়বীয়
তার নিচে তিনি আরেকটি প্রশ্ন লিখলেন—
“পদার্থের অবস্থা কি পরিবর্তন করা যায়?”
মেফতাহুল বোর্ডের দিকে তাকিয়ে বলল, “এবার বুঝতে পারছি, পরের রহস্য আরও বড়!”
ম্যাডাম বললেন, “বিজ্ঞানে একটি উত্তর প্রায়ই নতুন প্রশ্নের দরজা খুলে দেয়।”
নুসরাত বলল, “আমরা সেই দরজা খুলব!”
সবাই একসঙ্গে বলল, “আমরা প্রস্তুত!”
বিজ্ঞান অভিযানের নতুন অধ্যায়ের অপেক্ষায় তারা শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে গেল।
চলবে...
📝 অধ্যায় ৪: MCQ
১. পদার্থকে প্রধানত কয়টি অবস্থায় ভাগ করা যায়?
ক) দুইটি
খ) তিনটি
গ) চারটি
ঘ) পাঁচটি
২. কোনটি কঠিন পদার্থ?
ক) পানি
খ) বাতাস
গ) বই
ঘ) জলীয় বাষ্প
৩. কঠিন পদার্থের কোন বৈশিষ্ট্য রয়েছে?
ক) নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন থাকে
খ) কোনো আয়তন নেই
গ) পাত্রের আকার ধারণ করে
ঘ) সব সময় ছড়িয়ে পড়ে
৪. তরল পদার্থের নির্দিষ্ট কী থাকে?
ক) শুধু আকার
খ) শুধু রং
গ) আয়তন
ঘ) গন্ধ
৫. পানি যে পাত্রে রাখা হয়, সাধারণত কী করে?
ক) পাত্রের আকৃতি ধারণ করে
খ) অদৃশ্য হয়ে যায়
গ) কঠিন হয়ে যায়
ঘ) পাত্র ভেঙে ফেলে
৬. নিচের কোনটি বায়বীয় পদার্থ?
ক) পাথর
খ) পানি
গ) বাতাস
ঘ) বরফ
৭. বেলুন ফুলে ওঠে কেন?
ক) এতে পানি ঢোকে
খ) এতে বাতাস ঢোকে
গ) এতে পাথর ঢোকে
ঘ) এতে আলো ঢোকে
৮. বরফ কোন অবস্থার পানি?
ক) তরল
খ) বায়বীয়
গ) কঠিন
ঘ) কোনোটি নয়
৯. জলীয় বাষ্প কোন অবস্থার পদার্থ?
ক) কঠিন
খ) তরল
গ) বায়বীয়
ঘ) অর্ধকঠিন
১০. কোনটি সঠিক?
ক) কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আয়তন থাকে না
খ) তরলের নির্দিষ্ট আকার থাকে
গ) গ্যাসীয় পদার্থ পাত্রের ভেতর ছড়িয়ে পড়তে পারে
ঘ) পানি শুধু তরল অবস্থায় থাকতে পারে
উত্তরমালা:
১. খ | ২. গ | ৩. ক | ৪. গ | ৫. ক | ৬. গ | ৭. খ | ৮. গ | ৯. গ | ১০. গ