তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: পদার্থের রহস্য
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৪: পদার্থ
অধ্যায় ১: পদার্থের রহস্য
লেখক: আশরাফ উল আসাদ
সকালের রোদ তখন স্কুলের জানালা দিয়ে শ্রেণিকক্ষে ঢুকছে। নুসরাত জাহান, আনিশা মারজান, মেফতাহুল জান্নাত, আবাবিল আল আলিফ, সাফুয়ান, আসাদুল্লাহ আল গালিব, আবু তালহা ও মরিয়ম আক্তার নিজেদের বেঞ্চে বসে গল্প করছিল। হঠাৎ ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করলেন। তাঁর হাতে ছিল একটি ছোট বাক্স।
মেফতাহুল সঙ্গে সঙ্গে বলল, “ম্যাডাম, বাক্সের ভেতরে কী আছে?”
ম্যাডাম রহস্যময়ভাবে হাসলেন। “আজকের বিজ্ঞান ক্লাসের প্রথম প্রশ্নের উত্তর এই বাক্সের মধ্যেই লুকিয়ে আছে।”
সবাই বাক্সটির দিকে তাকিয়ে রইল।
আবাবিল বলল, “ভেতরে কি কোনো বৈজ্ঞানিক যন্ত্র আছে?”
সাফুয়ান বলল, “নাকি কোনো গুপ্তধন?”
ম্যাডাম বললেন, “গুপ্তধনই বলতে পারো। তবে এটি সোনাদানা নয়।”
মেফতাহুল বলল, “তাহলে নিশ্চয়ই চকলেট!”
সবাই হেসে উঠল।
ফারজানা মরিয়ম বাক্সটি টেবিলের ওপর রাখলেন। তারপর ধীরে ধীরে ঢাকনা খুললেন।
বাক্সের ভেতরে ছিল একটি পাথর, একটি রাবার, একটি কাঠের টুকরো, একটি ছোট প্লাস্টিকের বল এবং একটি খালি কাঁচের গ্লাস।
নুসরাত অবাক হয়ে বলল, “এগুলো তো সাধারণ জিনিস!”
ম্যাডাম বললেন, “সাধারণ? তোমরা কি জানো, এই সাধারণ জিনিসগুলোর মধ্যেই বিজ্ঞানের একটি বিশাল রহস্য লুকিয়ে আছে?”
আনিশা বলল, “কী রহস্য?”
ম্যাডাম বোর্ডের দিকে এগিয়ে গেলেন।
তিনি বড় করে লিখলেন—পদার্থ।
পদার্থ কী?
ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম বললেন, “তোমরা তোমাদের চারপাশে তাকাও। কী কী দেখতে পাচ্ছ?”
নুসরাত বলল, “বই।”
আনিশা বলল, “খাতা।”
আবাবিল বলল, “চেয়ার ও টেবিল।”
আসাদুল্লাহ বলল, “জানালা।”
মরিয়ম বলল, “দেয়াল।”
আবু তালহা বলল, “পানি।”
সাফুয়ান বলল, “বাতাসও তো আছে।”
ম্যাডাম বললেন, “একদম ঠিক। বই, খাতা, কলম, চেয়ার, টেবিল, পাথর, মাটি, পানি, বাতাস—এসবই পদার্থের উদাহরণ।”
মেফতাহুল একটু অবাক হয়ে বলল, “বাতাসও পদার্থ?”
“হ্যাঁ,” বললেন ম্যাডাম। “বাতাস আমরা দেখতে পাই না, কিন্তু এটি স্থান দখল করে এবং এর ওজনও রয়েছে। তাই বাতাসও পদার্থ।”
মেফতাহুল জানালার দিকে তাকিয়ে বলল, “তাহলে বাতাসকে না দেখতে পেলেও তাকে বিজ্ঞান থেকে বাদ দেওয়া যাবে না!”
ম্যাডাম হেসে বললেন, “একদমই না।”
চারপাশের পদার্থ খোঁজার অভিযান
ফারজানা মরিয়ম বললেন, “আজ তোমাদের একটি কাজ আছে। শ্রেণিকক্ষে যত পদার্থ খুঁজে পাও, তাদের নাম বলবে।”
সবাই চারদিকে তাকাতে শুরু করল।
নুসরাত বলল, “বোর্ড!”
আনিশা বলল, “চক!”
সাফুয়ান বলল, “পেন্সিল!”
আবু তালহা বলল, “ব্যাগ!”
মরিয়ম বলল, “পানির বোতল!”
আবাবিল বলল, “জুতা!”
আসাদুল্লাহ বলল, “ঘড়ি!”
মেফতাহুল বলল, “আমার টিফিন বক্স!”
ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো। এবার বলো, এগুলোর মধ্যে কোনটি পদার্থ নয়?”
সবাই একে অপরের দিকে তাকাল।
মেফতাহুল বলল, “আমার টিফিনের ভেতরের খাবারও কি পদার্থ?”
ম্যাডাম বললেন, “অবশ্যই। খাবারও পদার্থ।”
মেফতাহুল বলল, “তাহলে আমার টিফিন বক্স থেকে বিজ্ঞানও বের হয়ে গেল!”
আবার সবাই হেসে উঠল।
পদার্থের ওজন
ম্যাডাম টেবিল থেকে পাথরটি হাতে তুলে নিলেন।
“এটি হাতে নিয়ে কেমন লাগছে?”
আবু তালহা বলল, “ভারী।”
এরপর তিনি তুলার একটি ছোট বল হাতে দিলেন।
“এবার এটি কেমন?”
মরিয়ম বলল, “খুব হালকা।”
ম্যাডাম বললেন, “পাথর ও তুলা—দুটিই পদার্থ। কিন্তু তাদের ওজন এক নয়। কিছু পদার্থ তুলনামূলক ভারী, আবার কিছু পদার্থ হালকা।”
আসাদুল্লাহ বলল, “ইট ও পাথরের ওজন বেশি হতে পারে।”
“ঠিক।”
আনিশা বলল, “তুলা ও বাতাস তুলনামূলক হালকা।”
ম্যাডাম বললেন, “সঠিক। তবে মনে রাখবে, হালকা হলেও বাতাসেরও ওজন আছে।”
একটি অদ্ভুত পরীক্ষা
ফারজানা মরিয়ম দুটি একই আকারের বল বের করলেন।
একটি ছিল প্লাস্টিকের, অন্যটি ছিল কাঠের।
তিনি বললেন, “দুটোর আকার প্রায় একই। কিন্তু তোমরা কি মনে করো, দুটির ওজনও একই?”
মেফতাহুল দুটো বল হাতে নিয়ে বলল, “না ম্যাডাম! কাঠের বলটা বেশি ভারী মনে হচ্ছে।”
ম্যাডাম বললেন, “এই পরীক্ষাই আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শেখায়। শুধু আকার দেখেই কোনো পদার্থের ওজন সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় না।”
নুসরাত বলল, “অর্থাৎ দেখতে একই রকম হলেও পদার্থের ওজন আলাদা হতে পারে।”
“ঠিক,” বললেন ম্যাডাম।
পদার্থের আয়তন
এরপর ম্যাডাম একটি বড় বাক্স ও একটি ছোট বাক্স সামনে রাখলেন।
“তোমরা বলো, কোন বাক্সটি বেশি জায়গা দখল করছে?”
সবাই বলল, “বড় বাক্সটি।”
ম্যাডাম বললেন, “পদার্থ কতটুকু জায়গা দখল করে, তাকে তার আয়তন বলা হয়।”
আবাবিল বলল, “তাহলে বড় বস্তুর আয়তন সাধারণত বেশি হতে পারে।”
“হ্যাঁ,” বললেন ম্যাডাম। “ছোট বস্তু কম জায়গা দখল করে, আর বড় বস্তু বেশি জায়গা দখল করতে পারে।”
মেফতাহুল নিজের স্কুলব্যাগটি সামনে এনে বলল, “আমার ব্যাগের আয়তন অনেক বেশি।”
সাফুয়ান বলল, “তোমার ব্যাগে এত কিছু থাকে বলেই!”
মেফতাহুল বলল, “আমি আসলে বিজ্ঞান পরীক্ষার জন্য সবকিছু সঙ্গে রাখি।”
আনিশা বলল, “গতকাল তোমার ব্যাগ থেকে তিনটা খেলনা বের হয়েছিল!”
মেফতাহুল কিছুটা লজ্জা পেয়ে বলল, “সেগুলোও গবেষণার অংশ ছিল।”
একই পদার্থ, ভিন্ন আকার
ম্যাডাম এবার একটি মাটির দলা হাতে নিলেন।
তিনি বললেন, “এখন আমি এই মাটিকে চাপ দিয়ে অন্য আকৃতি দিতে পারি।”
তিনি মাটির দলাটিকে গোল করলেন।
তারপর সেটিকে লম্বা করে দিলেন।
তারপর চ্যাপ্টা করলেন।
মরিয়ম অবাক হয়ে বলল, “মাটির আকৃতি বদলে গেল!”
ম্যাডাম বললেন, “হ্যাঁ। বল প্রয়োগ করলে কিছু পদার্থের আকৃতি পরিবর্তন করা যায়।”
মেফতাহুল বলল, “তাহলে মাটি দিয়ে আমি একটি হাতি বানাতে পারব?”
“পারবে,” বললেন ম্যাডাম।
মেফতাহুল বলল, “তাহলে আজ বিজ্ঞান ক্লাসে হাতিও তৈরি হবে!”
ম্যাডাম বললেন, “হাতি তৈরি করতে হলে আগে তোমার শিল্পীর দক্ষতা পরীক্ষা করতে হবে!”
সবাই আবার হাসতে লাগল।
আকৃতি কী?
ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে একটি বল, একটি বই এবং একটি বাক্স আঁকলেন।
“এগুলোর আকৃতি কেমন?”
নুসরাত বলল, “বল গোলাকার।”
আনিশা বলল, “বই আয়তাকার।”
আবু তালহা বলল, “বাক্সও আয়তাকার হতে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “কোনো কঠিন পদার্থের বাহ্যিক গঠন বা রূপকে তার আকৃতি বলা যায়।”
আসাদুল্লাহ বলল, “তাই বলের আকৃতি গোলাকার আর ইটের আকৃতি অন্যরকম।”
“ঠিক।”
পানি কি পদার্থ?
ম্যাডাম এবার একটি গ্লাসে পানি ঢাললেন।
“এটি কী?”
সবাই বলল, “পানি।”
“পানি কি পদার্থ?”
আবাবিল বলল, “হ্যাঁ।”
“কীভাবে বুঝলে?”
আবাবিল বলল, “পানি ওজনযুক্ত এবং জায়গা দখল করে।”
ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার।”
তিনি পানিটি একটি গোলাকার বাটিতে ঢাললেন।
পানির আকৃতি বদলে গেল।
তারপর একটি লম্বা গ্লাসে ঢাললেন।
আবার পানির আকৃতি বদলে গেল।
মেফতাহুল বলল, “পানি তো পাত্র বদলালেই নিজের আকৃতি বদলে ফেলছে!”
ম্যাডাম বললেন, “এই বিষয়টি আমরা পরের অধ্যায়গুলোতে আরও ভালোভাবে বুঝব।”
বাতাসের রহস্য
ফারজানা মরিয়ম এবার একটি খালি বেলুন হাতে নিলেন।
তিনি বেলুনটি দেখিয়ে বললেন, “এখন বলো, এর ভেতরে কী আছে?”
সাফুয়ান বলল, “কিছুই নেই।”
ম্যাডাম বললেন, “সত্যিই কি কিছুই নেই?”
তিনি বেলুনে বাতাস ভরলেন।
বেলুন ফুলে উঠল।
মরিয়ম বলল, “ওহ! বেলুন তো ফুলে গেল!”
ম্যাডাম বললেন, “কারণ বাতাস জায়গা দখল করে।”
নুসরাত বলল, “তাহলে বেলুনের ভেতরে বাতাস আছে বলেই বেলুনটা ফুলে উঠেছে।”
“ঠিক,” বললেন ম্যাডাম।
আসাদুল্লাহ বলল, “এখন বুঝতে পারছি, বাতাস দেখা না গেলেও তার উপস্থিতি বোঝা যায়।”
পদার্থের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য
ফারজানা মরিয়ম বোর্ডে লিখলেন—
ওজন
আয়তন
আকৃতি
তিনি বললেন, “আজ আমরা পদার্থের তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানলাম।”
নুসরাত বলল, “পদার্থের ওজন থাকতে পারে।”
আনিশা বলল, “পদার্থ জায়গা দখল করে, অর্থাৎ তার আয়তন আছে।”
আবাবিল বলল, “কঠিন পদার্থের নির্দিষ্ট আকৃতি থাকতে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “চমৎকার। তোমরা আজকের রহস্যের অনেকটাই সমাধান করে ফেলেছ।”
শ্রেণিকক্ষের শেষ পরীক্ষা
ম্যাডাম টেবিলের ওপর পাঁচটি বস্তু রাখলেন—একটি পাথর, একটি বই, একটি গ্লাস পানি, একটি বেলুন এবং একটি কাঠের টুকরো।
তিনি বললেন, “প্রতিটি বস্তু সম্পর্কে একটি করে বৈশিষ্ট্য বলো।”
নুসরাত বলল, “পাথর একটি পদার্থ এবং এর ওজন আছে।”
আনিশা বলল, “বই জায়গা দখল করে এবং এর নির্দিষ্ট আকৃতি আছে।”
আবু তালহা বলল, “পানি জায়গা দখল করে।”
সাফুয়ান বলল, “বেলুনের ভেতরের বাতাসও জায়গা দখল করে।”
আসাদুল্লাহ বলল, “কাঠের টুকরোর নির্দিষ্ট আকৃতি ও ওজন আছে।”
ম্যাডাম বললেন, “অসাধারণ!”
রহস্যের প্রথম দরজা
ক্লাস শেষ হওয়ার ঘণ্টা বেজে উঠল।
মেফতাহুল বলল, “ম্যাডাম, আজ তো আমরা শুধু সাধারণ জিনিস নিয়েই পড়লাম।”
ফারজানা মরিয়ম বললেন, “বিজ্ঞানের সৌন্দর্য এখানেই। সাধারণ জিনিসের মধ্যেই অসাধারণ রহস্য লুকিয়ে থাকে।”
মরিয়ম বলল, “আজ আমরা জানলাম, আমাদের চারপাশের জিনিসগুলো পদার্থ।”
নুসরাত বলল, “আর পদার্থের ওজন ও আয়তন আছে।”
আনিশা বলল, “কঠিন পদার্থের আকৃতিও থাকে।”
ম্যাডাম বললেন, “কিন্তু আজকের রহস্যের মাত্র একটি দরজা তোমরা খুলেছ।”
মেফতাহুল অবাক হয়ে বলল, “আরও দরজা আছে?”
ম্যাডাম বোর্ডের দিকে তাকিয়ে বললেন, “অবশ্যই। পদার্থ সব সময় একই অবস্থায় থাকে না। কিছু পদার্থ শক্ত ও নির্দিষ্ট আকৃতির, কিছু প্রবাহিত হয়, আবার কিছু চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।”
আবাবিল বলল, “তাহলে পদার্থেরও কি বিভিন্ন অবস্থা আছে?”
ফারজানা মরিয়ম মৃদু হেসে বললেন, “এই প্রশ্নের উত্তরই হবে আমাদের পরবর্তী অভিযানের শুরু।”
সবাই একসঙ্গে বলে উঠল, “আমরা প্রস্তুত!”
ফারজানা মরিয়ম জানালার বাইরে তাকালেন। আকাশে সাদা মেঘ ভেসে যাচ্ছে, পাশে গাছের পাতায় বাতাস দোলা দিচ্ছে, আর শ্রেণিকক্ষের টেবিলে রাখা পানির গ্লাসটি সূর্যের আলোয় ঝিলমিল করছে।
একই পৃথিবীতে পাথর, পানি ও বাতাস—তিনটি সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপে আমাদের চারপাশে রয়েছে।
কিন্তু তাদের সবার পরিচয় একটাই—পদার্থ।
চলবে...
📝 অধ্যায় ১: MCQ
১. পদার্থ কী?
ক) শুধু যেসব বস্তু দেখা যায়
খ) আমাদের চারপাশের বস্তু, যেমন বই, পানি, মাটি ও বাতাস
গ) শুধু কঠিন বস্তু
ঘ) শুধু জীবিত বস্তু
২. নিচের কোনটি পদার্থের উদাহরণ?
ক) পানি
খ) বাতাস
গ) পাথর
ঘ) সবগুলো
৩. পদার্থের একটি বৈশিষ্ট্য কোনটি?
ক) ওজন
খ) আয়তন
গ) আকৃতি
ঘ) সবগুলো
৪. পদার্থের জায়গা দখল করার ক্ষমতাকে কী বলে?
ক) ওজন
খ) আয়তন
গ) রং
ঘ) গন্ধ
৫. নিচের কোনটি তুলনামূলক ভারী পদার্থের উদাহরণ?
ক) পাথর
খ) তুলা
গ) বাতাস
ঘ) পালক
৬. বলের সাধারণ আকৃতি কী?
ক) গোলাকার
খ) ত্রিভুজাকার
গ) চ্যাপ্টা
ঘ) সরু
৭. বেলুন ফুলে ওঠে কেন?
ক) এর ভেতরে বাতাস জায়গা দখল করে
খ) বেলুন নিজে পানি তৈরি করে
গ) বেলুনের রং বদলে যায়
ঘ) বেলুনের ওজন হারিয়ে যায়
৮. নিচের কোনটি পদার্থের উদাহরণ নয়?
ক) বই
খ) পানি
গ) বাতাস
ঘ) কেবল একটি কল্পনা
৯. বড় বস্তু সাধারণত কী করে?
ক) বেশি জায়গা দখল করতে পারে
খ) কোনো জায়গা দখল করে না
গ) সব সময় হালকা হয়
ঘ) সব সময় তরল হয়
১০. আজকের অধ্যায়ে কোন তিনটি বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানা গেল?
ক) ওজন, আয়তন ও আকৃতি
খ) রং, স্বাদ ও গন্ধ
গ) তাপ, আলো ও শব্দ
ঘ) গতি, বল ও শক্তি
উত্তরমালা:
১. খ | ২. ঘ | ৩. ঘ | ৪. খ | ৫. ক | ৬. ক | ৭. ক | ৮. ঘ | ৯. ক | ১০. ক