তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প: ওজনের আশ্চর্য জগৎ
তৃতীয় শ্রেণীর বিজ্ঞান গল্প ৪: পদার্থ
অধ্যায় ২: ওজনের আশ্চর্য জগৎ
লেখক: আশরাফ উল আসাদ
পরদিন সকালে ফারজানা মরিয়ম ম্যাডাম শ্রেণিকক্ষে ঢুকতেই শিক্ষার্থীরা বুঝতে পারল, আজকের বিজ্ঞান ক্লাসে নিশ্চয়ই কোনো নতুন রহস্য অপেক্ষা করছে।
ম্যাডামের দুই হাতে দুটি বাক্স।
একটি বাক্স দেখতে ছোট, অন্যটি দেখতে বেশ বড়।
মেফতাহুল জান্নাত সঙ্গে সঙ্গে বলে উঠল, “ম্যাডাম, আজও কি বাক্সের ভেতরে কোনো রহস্য আছে?”
ম্যাডাম হাসলেন।
“অবশ্যই আছে। তবে আজকের রহস্যের নাম—ওজন।”
নুসরাত জাহান বলল, “ওজন তো আমরা জানি। ভারী জিনিসের ওজন বেশি আর হালকা জিনিসের ওজন কম।”
ফারজানা মরিয়ম বললেন, “তুমি ঠিকই বলেছ। কিন্তু আজ আমরা দেখব, চোখ দিয়ে কোনো বস্তুকে দেখেই কি তার ওজন সম্পর্কে সব সময় সঠিক ধারণা করা যায়?”
সবাই একটু চুপ হয়ে গেল।
আবাবিল আল আলিফ বলল, “মানে দেখতে বড় হলেও কোনো বস্তু হালকা হতে পারে?”
“হ্যাঁ,” বললেন ম্যাডাম।
সাফুয়ান বলল, “আর দেখতে ছোট হলেও ভারী হতে পারে?”
“সেটাও হতে পারে।”
মেফতাহুল চোখ বড় বড় করে বলল, “তাহলে আজকের ক্লাসে আমাদের চোখও পরীক্ষা দিতে হবে!”
সবাই হেসে উঠল।
প্রথম পরীক্ষা: কোনটি ভারী?
ফারজানা মরিয়ম টেবিলের ওপর একটি পাথর এবং একটি তুলার বল রাখলেন।
তিনি বললেন, “তোমরা বলো, কোনটির ওজন বেশি?”
সবাই একসঙ্গে বলল, “পাথরের!”
ম্যাডাম পাথরটি আবু তালহার হাতে দিলেন।
তারপর তুলার বলটি মরিয়ম আক্তারের হাতে দিলেন।
আবু তালহা বলল, “পাথরটা ভারী।”
মরিয়ম বলল, “তুলাটা খুবই হালকা।”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক। পাথর ও তুলা দুটিই পদার্থ। কিন্তু তাদের ওজন সমান নয়।”
আসাদুল্লাহ আল গালিব বলল, “তাহলে পদার্থের ওজন বিভিন্ন হতে পারে।”
“ঠিক তাই,” বললেন ম্যাডাম।
দ্বিতীয় পরীক্ষা: বড় হলেই কি ভারী?
এবার ম্যাডাম দুটি বাক্স সামনে আনলেন।
একটি বড় বাক্স।
অন্যটি ছোট বাক্স।
“এবার বলো, কোন বাক্সটি বেশি ভারী?”
আনিশা মারজান বলল, “বড় বাক্সটি।”
নুসরাতও বলল, “আমারও তাই মনে হচ্ছে।”
ম্যাডাম বললেন, “তাহলে পরীক্ষা করে দেখা যাক।”
তিনি বড় বাক্সটি মেফতাহুলের হাতে দিলেন।
মেফতাহুল বলল, “এটা তো খুব হালকা!”
এরপর ছোট বাক্সটি সাফুয়ানের হাতে দিলেন।
সাফুয়ান বাক্সটি হাতে নিয়ে অবাক হয়ে বলল, “ম্যাডাম! ছোট বাক্সটা অনেক ভারী!”
সবাই অবাক।
ম্যাডাম বাক্স দুটি খুলে দেখালেন।
বড় বাক্সের ভেতরে ছিল তুলা।
ছোট বাক্সের ভেতরে ছিল পাথরের টুকরো।
ম্যাডাম বললেন, “এখন বুঝতে পারছ?”
নুসরাত বলল, “শুধু আকার দেখে কোনো বস্তুর ওজন নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।”
“একদম ঠিক।”
ওজন বোঝার সহজ উপায়
ফারজানা মরিয়ম এবার একটি দাঁড়িপাল্লা বের করলেন।
মেফতাহুল বলল, “ওহ! দাঁড়িপাল্লা!”
ম্যাডাম বললেন, “হ্যাঁ। কোনো বস্তুর ওজন তুলনা করার জন্য আমরা দাঁড়িপাল্লার মতো যন্ত্র ব্যবহার করতে পারি।”
তিনি দাঁড়িপাল্লার এক পাশে একটি পাথর এবং অন্য পাশে একটি কাঠের টুকরো রাখলেন।
পাথরের দিক নিচে নেমে গেল।
কাঠের দিক ওপরে উঠে গেল।
আবাবিল বলল, “পাথরের দিক নিচে গেছে।”
ম্যাডাম বললেন, “এর অর্থ পাথরটি কাঠের টুকরোর তুলনায় বেশি ভারী।”
মরিয়ম বলল, “দাঁড়িপাল্লা দিয়ে আমরা দুটি বস্তুর ওজন তুলনা করতে পারি।”
“সঠিক।”
ভারী আর হালকা
ম্যাডাম এবার বোর্ডে দুটি শব্দ লিখলেন।
ভারী
হালকা
তিনি বললেন, “যে বস্তুর ওজন তুলনামূলক বেশি, তাকে আমরা ভারী বলতে পারি। আর যার ওজন তুলনামূলক কম, তাকে হালকা বলতে পারি।”
আনিশা বলল, “ইট ভারী।”
আবু তালহা বলল, “তুলা হালকা।”
সাফুয়ান বলল, “একটি বড় পাথর ছোট পাথরের চেয়ে ভারী হতে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “হ্যাঁ। তবে মনে রাখবে, শুধু আকার দেখেই সব সময় সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না।”
শ্রেণিকক্ষের ওজন খোঁজা অভিযান
ফারজানা মরিয়ম বললেন, “এবার তোমাদের একটি দলগত কাজ। শ্রেণিকক্ষের পাঁচটি বস্তু বেছে নিয়ে বলবে কোনটি তুলনামূলক ভারী আর কোনটি হালকা।”
নুসরাত একটি বই তুলে নিল।
আনিশা একটি পেন্সিল নিল।
আবাবিল একটি চেয়ার দেখাল।
আসাদুল্লাহ একটি রাবার নিল।
আবু তালহা একটি পানির বোতল নিল।
ম্যাডাম বললেন, “এখন তোমরা তুলনা করো।”
মেফতাহুল বলল, “পেন্সিলের চেয়ে বই ভারী।”
মরিয়ম বলল, “রাবারের চেয়ে পানিভর্তি বোতল ভারী।”
সাফুয়ান বলল, “পেন্সিলের চেয়ে চেয়ার ভারী।”
ম্যাডাম বললেন, “খুব ভালো। তোমরা বাস্তব বস্তু দেখে ওজনের তুলনা করতে শিখছ।”
খালি বোতল আর পানিভর্তি বোতল
ম্যাডাম দুটি একই ধরনের বোতল বের করলেন।
দুটির আকার ও আকৃতি একই।
একটি খালি।
অন্যটি পানিতে ভরা।
তিনি বললেন, “এবার কোনটি বেশি ভারী?”
সবাই বলল, “পানিভর্তি বোতল!”
ম্যাডাম বললেন, “কেন?”
আসাদুল্লাহ বলল, “কারণ পানিও পদার্থ এবং পানিরও ওজন আছে।”
“অসাধারণ!”
ম্যাডাম বললেন, “এই পরীক্ষাটি আমাদের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে করিয়ে দেয়। কোনো পাত্রের ভেতরে পদার্থ থাকলে তার মোট ওজন পরিবর্তিত হতে পারে।”
মেফতাহুল খালি বোতলটি হাতে নিয়ে বলল, “এটা তো খুব হালকা।”
তারপর পানিভর্তি বোতলটি তুলে বলল, “এটা তো ব্যায়ামের ডাম্বেলের মতো!”
ম্যাডাম বললেন, “তুমি চাইলে আজ বিজ্ঞান ক্লাসের পর এটাকে নিয়ে ব্যায়াম করতে পারো।”
মেফতাহুল সঙ্গে সঙ্গে বলল, “না ম্যাডাম, বিজ্ঞানই যথেষ্ট!”
সবাই হেসে উঠল।
বাতাসের ওজন আছে?
হঠাৎ নুসরাত বলল, “ম্যাডাম, আপনি আগের ক্লাসে বলেছিলেন বাতাসেরও ওজন আছে। কিন্তু বাতাস তো দেখা যায় না। তাহলে তার ওজন কীভাবে বুঝব?”
ফারজানা মরিয়ম বললেন, “খুব ভালো প্রশ্ন।”
তিনি দুটি একই রকম বেলুন বের করলেন।
একটি বেলুনে বাতাস ভরা।
অন্যটি প্রায় খালি।
তিনি বললেন, “দুটো বেলুনের আকার এখন এক নয়। কিন্তু আমরা বুঝতে পারছি, বাতাস বেলুনের ভেতরে জায়গা দখল করেছে।”
আবাবিল বলল, “আর বাতাসও পদার্থ।”
“হ্যাঁ।”
ম্যাডাম বললেন, “বাতাসের ওজনও আছে, যদিও সাধারণ দৈনন্দিন জীবনে আমরা সেটি সরাসরি অনুভব করি না।”
সাফুয়ান বলল, “অর্থাৎ কোনো কিছু চোখে দেখা না গেলেও সেটি পদার্থ হতে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “ঠিক।”
পাথর, পানি আর বাতাস
ফারজানা মরিয়ম এবার তিনটি জিনিসের নাম বোর্ডে লিখলেন।
পাথর
পানি
বাতাস
তিনি বললেন, “তিনটিই পদার্থ। কিন্তু তাদের অবস্থা ও বৈশিষ্ট্যের মধ্যে পার্থক্য আছে।”
মেফতাহুল বলল, “পাথর হাতে ধরা যায়।”
“হ্যাঁ।”
আনিশা বলল, “পানি পাত্রে রাখা যায়।”
“হ্যাঁ।”
আবু তালহা বলল, “বাতাস বেলুনে রাখা যায়।”
“ঠিক।”
ম্যাডাম বললেন, “তোমরা খুব সুন্দরভাবে বিষয়টি ধরতে পেরেছ।”
ওজন নিয়ে একটি মজার ভুল
ম্যাডাম এবার বললেন, “মেফতাহুল, তোমার স্কুলব্যাগটা নিয়ে এসো।”
মেফতাহুল ব্যাগ নিয়ে সামনে এল।
ম্যাডাম বললেন, “এটা কি ভারী?”
“অনেক ভারী!”
“ভেতরে কী আছে?”
মেফতাহুল গম্ভীর মুখে বলল, “বিজ্ঞান গবেষণার উপকরণ।”
নুসরাত বলল, “ম্যাডাম, ওর ব্যাগে আসলে বই, খাতা, পেন্সিল, টিফিন বক্স আর খেলনা আছে!”
ম্যাডাম বললেন, “তাহলে ব্যাগ ভারী হওয়ার রহস্য বের হয়ে গেল।”
মেফতাহুল বলল, “আমি তো বলেছিলাম, গবেষণার উপকরণ!”
আনিশা বলল, “খেলনা দিয়ে কী গবেষণা করো?”
মেফতাহুল বলল, “কোন খেলনাটা বেশি মজার, সেটা নিয়ে!”
সবাই আবার হেসে উঠল।
ওজনের সঙ্গে আকারের সম্পর্ক
ম্যাডাম বললেন, “তোমরা আজ একটি বিষয় বিশেষভাবে মনে রাখবে।”
তিনি বোর্ডে লিখলেন—
বড় মানেই সব সময় ভারী নয়।
“কেন?” তিনি জিজ্ঞেস করলেন।
নুসরাত বলল, “কারণ বড় বাক্সের ভেতরে তুলা থাকতে পারে।”
আসাদুল্লাহ বলল, “আর ছোট বাক্সের ভেতরে পাথর থাকতে পারে।”
ম্যাডাম বললেন, “সঠিক।”
তিনি আবার লিখলেন—
ছোট মানেই সব সময় হালকা নয়।
মরিয়ম বলল, “অর্থাৎ আকার ও ওজন একই বিষয় নয়।”
“একদম ঠিক।”
একটি ছোট্ট বিজ্ঞান চ্যালেঞ্জ
ফারজানা মরিয়ম শিক্ষার্থীদের চারটি বস্তু দেখালেন—একটি রাবার, একটি বই, একটি পানিভর্তি বোতল ও একটি তুলার বল।
তিনি বললেন, “তোমরা অনুমান করো, কোনটি সবচেয়ে ভারী এবং কোনটি সবচেয়ে হালকা?”
সবাই নিজেদের উত্তর দিল।
তারপর তারা একে একে বস্তুগুলো হাতে নিয়ে তুলনা করল।
পানিভর্তি বোতল সবচেয়ে ভারী।
তুলার বল সবচেয়ে হালকা।
বই ও রাবারের ওজন তাদের তুলনায় মাঝামাঝি।
ম্যাডাম বললেন, “অনুমান করা ভালো। কিন্তু বিজ্ঞানী শুধু অনুমান করেন না। তিনি পরীক্ষা করেন এবং প্রমাণ খোঁজেন।”
আবাবিল বলল, “তাহলে বিজ্ঞান মানে প্রশ্ন করা, অনুমান করা এবং পরীক্ষা করা।”
ম্যাডাম বললেন, “দারুণ!”
ওজনের রহস্য থেকে নতুন প্রশ্ন
ক্লাসের শেষ ঘণ্টা বাজতে শুরু করল।
ফারজানা মরিয়ম বললেন, “আজ আমরা কী শিখলাম?”
নুসরাত বলল, “পদার্থের ওজন থাকে।”
আনিশা বলল, “কিছু পদার্থ ভারী এবং কিছু পদার্থ হালকা।”
আসাদুল্লাহ বলল, “শুধু আকার দেখে ওজন নির্ধারণ করা যায় না।”
আবু তালহা বলল, “বস্তু তুলনা করতে দাঁড়িপাল্লা ব্যবহার করা যায়।”
মরিয়ম বলল, “পানিরও ওজন আছে।”
আবাবিল বলল, “বাতাসও পদার্থ এবং তারও ওজন আছে।”
ফারজানা মরিয়ম বললেন, “অসাধারণ।”
মেফতাহুল হাত তুলে বলল, “ম্যাডাম, আমার একটা প্রশ্ন!”
“বলো।”
“আমরা আজ ওজন নিয়ে জানলাম। কিন্তু পদার্থ যে জায়গা দখল করে, সেই জায়গার পরিমাণ কীভাবে বোঝা যায়?”
ম্যাডাম কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন।
তারপর বোর্ডে বড় করে লিখলেন—
আয়তন
মেফতাহুল বলল, “আবার নতুন রহস্য!”
ম্যাডাম বললেন, “হ্যাঁ। আগামী অভিযানে আমরা খুঁজব—একটি পদার্থ কতটুকু জায়গা দখল করে?”
সবাই উত্তেজিত হয়ে উঠল।
নুসরাত বলল, “আমরা প্রস্তুত!”
ফারজানা মরিয়ম হাসলেন।
শ্রেণিকক্ষের দরজা দিয়ে শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে গেল।
কিন্তু তাদের মাথায় তখন একটাই প্রশ্ন ঘুরছে—
একটি পদার্থ কতটুকু জায়গা দখল করে, আর সেই জায়গাকে কীভাবে মাপা যায়?
চলবে...
📝 অধ্যায় ২: MCQ
১. পদার্থের কোন বৈশিষ্ট্য নিয়ে এই অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে?
ক) ওজন
খ) রং
গ) স্বাদ
ঘ) গন্ধ
২. কোনটির ওজন সাধারণত বেশি?
ক) তুলার বল
খ) পাথর
গ) পালক
ঘ) খালি কাগজ
৩. নিচের কোন কথাটি সঠিক?
ক) বড় হলেই সব সময় ভারী
খ) ছোট হলেই সব সময় হালকা
গ) শুধু আকার দেখে ওজন নিশ্চিত করা যায় না
ঘ) কোনো পদার্থের ওজন থাকে না
৪. দাঁড়িপাল্লা কী কাজে ব্যবহার করা যায়?
ক) রং মাপতে
খ) বস্তুর ওজন তুলনা করতে
গ) শব্দ শুনতে
ঘ) তাপমাত্রা মাপতে
৫. খালি বোতলের চেয়ে পানিভর্তি বোতল সাধারণত কেন ভারী?
ক) বোতলটি বড় হয়ে যায়
খ) পানিরও ওজন আছে
গ) বোতলের রং বদলে যায়
ঘ) বাতাস চলে যায়
৬. নিচের কোনটি তুলনামূলক হালকা?
ক) বড় পাথর
খ) ইট
গ) তুলা
ঘ) পানিভর্তি বোতল
৭. বাতাস সম্পর্কে কোন কথাটি সঠিক?
ক) বাতাস পদার্থ নয়
খ) বাতাসের কোনো ওজন নেই
গ) বাতাস পদার্থ এবং এর ওজন আছে
ঘ) বাতাস শুধু শীতকালে থাকে
৮. বিজ্ঞানী কোনো বস্তুর ওজন সম্পর্কে নিশ্চিত হতে কী করতে পারেন?
ক) শুধু অনুমান করতে পারেন
খ) পরীক্ষা ও তুলনা করতে পারেন
গ) চোখ বন্ধ রাখতে পারেন
ঘ) বস্তুর দিকে তাকিয়ে থাকতে পারেন
৯. ছোট বাক্সের ভেতরে কী থাকলে সেটি বড় বাক্সের চেয়ে ভারী হতে পারে?
ক) তুলা
খ) কাগজ
গ) পাথর
ঘ) পালক
১০. অধ্যায়ের শেষে নতুন কোন বিষয়ের প্রশ্ন উঠল?
ক) আলো
খ) শব্দ
গ) আয়তন
ঘ) প্রাণী
উত্তরমালা:
১. ক | ২. খ | ৩. গ | ৪. খ | ৫. খ | ৬. গ | ৭. গ | ৮. খ | ৯. গ | ১০. গ