বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
জাতীয়

শিমুলিয়া ঘাটে মোটরসাইকেলের দারুণ চাপ

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন 01 মে 2022, 02:14 দুপুর 401 বার পঠিত
শিমুলিয়া ঘাটে মোটরসাইকেলের দারুণ চাপ

ঈদ এসে গেছে প্রায়। এখনো অনেক মানুষের ঘরে ফেরা বাকি। শিমুলিয়া ফেরিঘাটে তাই যাত্রীর চাপ বেড়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের অন্যতম প্রবেশদ্বার মুন্সিগঞ্জের এই ঘাটে আগের দিনগুলোর চেয়ে গাড়ি ও যাত্রীর চাপ বেশি।

আজ চাঁদ দেখা গেলে আগামিকাল ঈদ। সেই হিসেবে বেশিরভাগ মানুষ আজকের দিনকেই বাড়ি ফেরার শেষ সুযোগ হিসেবে দেখছেন। যাত্রীবাহী বাস, ছোট গাড়ি করে মানুষ আসছেন। আবার মোটরসাইকেলে করে প্রচুর মানুষ ফিরছেন।

বাস্তবতা হলো, গাড়ির চাপ যতোটা তার চেয়ে অনেকগুণ বেশি চাপ মোটরসাইকেলের। এবার প্রতিদিন হাজার হাজার মোটরসাইকেল নদী পার হচ্ছে। মোটরসাইকেলে করে বাড়ি ফেরার প্রবণতা বেড়েছে। তাই কোনো কোনো ফেরি শুধু মোটরসাইকেল ও যাত্রী নিয়ে পার হচ্ছে। 

বিআইডব্লিউটিসির একজন কর্মকর্তা বললেন, শুধু মোটরসাইকেলের জন্য ঘাটে মাঝে মাঝে যানজট ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হচ্ছে। শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার ও মাঝিরকান্দি নৌপথে এখন ১০টি ফেরি দিয়ে পারাপার করেও কুলানো যাচ্ছে না।

আজ সকাল থেকে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে লঞ্চ, স্পিডবোট ও ফেরি বিরামহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ৮৫টি লঞ্চ ও ১৫৫টি স্পিডবোট দিয়ে পারাপার করানো হচ্ছে।
   
ছুটি শুরু হয়েছে মূলত শুক্রবার। শিমুলিয়ার এই ফেরিঘাটে সেদিন থেকে নিয়মিত একটা চাপ দেখা যাচ্ছে। যা অবশ্য সীমা অতিক্রম করেনি কখনো। ভোর থেকে যাত্রী ও মানুষের চাপ শুরু হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা বাড়ে। একই চিত্র এই ক’দিন। 

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আজ রোববার অন্য দিনের তুলনায় ঘাট একটু বেশি ব্যস্ত। দুপুরের আগে কয়েক হাজার মোটরসাইকেল পদ্মা পার হয়ে গেছে। আরো অপেক্ষায়। শত শত গাড়ি আছে দাঁড়িয়ে। সেগুলোকে পার করতে হবে। অন্যান্য দিন শেষ বেলায় চাপ কমে। আজ ব্যতিক্রম। মনে হচ্ছে, এই চাপ রাত অব্দি থাকবে।  

শিমুলিয়া ঘাটে ঢোকার মুখ শিমুলিয়া-ভাঙা মোড়ে পুলিশের চৌকি বসানো হয়েছে। বাসসহ বিভিন্ন যানের যাত্রীদের তাই ওখানে নেমে আরো এক কিলোমিটার পথ পায়ে হেঁটে যেতে হচ্ছে। এই গরমে যাত্রীদের তা মেনে নিতে কষ্ট হচ্ছে।  

বাসযাত্রী থেকে শুরু করে মোটরসাইকেল রাইডারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঘাটে পৌঁছাতে বেশ ঝক্কি পোহাতে হচ্ছে। জানা যায়, কেউ কেউ নদী পার হতে অপেক্ষায় আছেন ৩ ঘণ্টা। কারো বা পেরিয়ে গেছে ৫/৬ ঘণ্টা।