রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
জাতীয়

সামিটের এলএনজি বন্ধ থাকবে ৪ দিন, কমতে পারে গ্যাসের চাপ

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন • 01 নভেম্বর 2026, 01:00 দুপুর • 4 বার পঠিত
সামিটের এলএনজি বন্ধ থাকবে ৪ দিন, কমতে পারে গ্যাসের চাপ

কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিটের ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের কারণে বুধবার থেকে চার দিন সারাদেশে গ্যাসের চাপ কম থাকতে পারে।

পেট্রোবাংলার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মহেশখালীর সামিট এলএনজি টার্মিনালে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বুধবার সকাল ৮টা থেকে আগামী শনিবার বিকাল ৪টা পর্যন্ত গ্যাস রূপান্তরের কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসকে (এলএনজি) আবার গ্যাসে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় রিগ্যাসিফিকেশন।

পেট্রোবাংলার হিসাবে, রক্ষণাবেক্ষণের সময় এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ ৯২০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে কমে ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুটে নেমে আসবে। এলএনজি থেকে ৩২০ মিলিয়ন ঘনফুট বা ৩৫ শতাংশ সরবরাহ কমার ফলে সারাদেশে গ্রাহক পর্যায়ে গ্যাসের স্বল্প চাপ থাকতে পারে।

এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে সামিটের টার্মিনালে একই ধরনের রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করা হয়েছিল জানিয়ে পেট্রোবাংলা ‘সাময়িক অসুবিধার’ জন্য গ্রাহকদের কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে।

দেশে আমদানি করা এলএনজি সরবরাহের জন্য মহেশখালীতে দুটি ভাসমান টার্মিনাল রয়েছে। একটি পরিচালনা করে সামিট গ্রুপ, অন্যটি যুক্তরাষ্ট্রের এক্সিলারেট এনার্জি।

সামিটের টার্মিনালের দৈনিক গ্যাস সরবরাহের সক্ষমতা ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। আর এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালের সক্ষমতা ৬০০ মিলিয়ন ঘনফুট। দুটি টার্মিনাল থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ ১ হাজার ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব।

দেশে গ্যাসের চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ করা হয় আমদানি করা এলএনজি দিয়ে। সারাদেশের গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উৎপাদিত গ্যাসের সঙ্গে এই গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হয়।

চাহিদার তুলনায় গ্যাস সরবরাহ কম থাকায় এমনিতেই দেশের বিভিন্ন এলাকায় শিল্পকারখানা ও আবাসিক গ্রাহকদের স্বল্প চাপের সমস্যায় পড়তে হয়। এর মধ্যে এলএনজি সরবরাহ কমে গেলে সংকট আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।