রমজান মাসকে সামনে রেখে খেজুর আমদানিতে অনিশ্চয়তা
অন্যান্য বছরের তুলনায় এই বছর রমজান মাসকে কেন্দ্র করে খেজুর আমদানির জন্য কম ঋণপত্র খোলা হয়েছে। ফলে আমদানির অপেক্ষায় থাকা খেজুর সময়মতো দেশে আসা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ফল ব্যবসায়ীরা। আবার খেজুর বন্দরে আসার পর তা জরুরি ভিত্তিতে খালাস করে বাজারে আনার ব্যবস্থা নিতে দাবি জানিয়েছেন আমদানিকারকেরা।
ফল আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি রমজানে ৪০ হাজার টনের বেশি খেজুর লাগে। এবার এখনো এ পরিমাণ খেজুরের আমদানি ঋণপত্র খোলা হয়নি। যে পরিমাণ ঋণপত্র খোলা হয়েছে, তা–ও রমজানের বাজার ধরতে পারবে কি না, সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে। এ জন্য খেজুর বন্দরে আসার পর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ছাড় করাতে হবে। অন্যথায় বাজারে দাম বেড়ে যেতে পারে। কারণ, সংকট থাকলে তখন স্বাভাবিকভাবে পণ্যের দাম বাড়ে।’
তাই আমদানিতে ঘাটতি দেখা দিলে সেটাযে বাড়তি মূল্য পরিশোধের মাধ্যমে ভোক্তাদেরকেই পোহাতে হবে তাতে আর সন্দেহ কি।