পোল্ট্রি শিল্পে ধস, উৎকণ্ঠায় খামারিরা
লকডাউন ও করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় ফের বিপাকে পড়েছে খুলনাঞ্চলের পোল্ট্রি খাতের খামারিরা। মুরগির মাংস, বাচ্চা ও ডিমের দাম আরেক দফা কমে যাওয়ায় প্রান্তিক খামারির অবস্থা আরও শোচনীয় হয়ে পড়েছে। উৎপাদন প্রক্রিয়া ও সরবরাহ দু’টিই পড়েছে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে।
জানা গেছে, খুলনা বিভাগে মোট ১০ হাজার ৫৫৭টি পোল্ট্রি খামার রয়েছে। এর মধ্যে খুলনা জেলায় চার হাজার ৯৫২টি ছোট-বড় খামার আছে।
খামারিরা জানায়, গত কয়েক দিনে একদিনের কক ও লেয়ার মুরগির বাচ্চার দাম প্রায় অর্ধেকে নেমেছে। খুলনা বিভাগে এক সপ্তাহে তিন কোটি ৫০ লাখ মুরগির বাচ্চা তৈরি হয়। একেকটি বাচ্চা উৎপাদনে গড়ে খরচ ১৫ থেকে ২০ টাকা। এক সপ্তাহ ধরে কক ও লেয়ার বাচ্চা বিক্রি হচ্ছে ৫ থেকে ৬ টাকায়। তবে ব্রয়লার ২০ থেকে ২২ ও সোনালীর বাচ্চা ২০ থেকে ২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
খুলনা মহানগরীর ময়লাপোতা মা পোল্ট্রি ফিড-এর স্বত্বাধিকারী তপন পাল জানান, সপ্তাহে ৫ থেকে ১০ হাজার মুরগির বাচ্চা বিক্রি হয়। কিন্তু বতর্মানে পরিস্থিতি খারাপ। এছাড়া খাদ্যের দর বৃদ্ধি পাওয়ায় খামারিরা বাকিতে কিনছে। প্রতি সপ্তাহে খুলনায় উৎপাদিত ২০ লাখের কাছাকাছি কক ও লেয়ার বাচ্চা বিক্রিতে ক্ষতি হচ্ছে ৩-৪ কোটি টাকা। ব্রয়লার ও সোনালী বাচ্চা বিক্রিতে এই ক্ষতি ৫ কোটি টাকার বেশি।