বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
আন্তর্জাতিক

পি কে হালদারকে হস্তান্তরে সময় লাগতে পারে

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন 17 মে 2022, 06:26 বিকাল 232 বার পঠিত
পি কে হালদারকে হস্তান্তরে সময় লাগতে পারে

পশ্চিমবঙ্গে গ্রেপ্তার হওয়া পি কে হালদারকে বাংলাদেশের হাতে তুলে দিতে ভারতের সময় লাগতে পারে। ঢাকায় ভারতের হাইকমিশনার বিক্রম দোরাইস্বামী একথা বলেছেন। 

আজ মঙ্গলবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেনের সঙ্গে সৌজন্য দেখা করেন বিক্রম দোরাইস্বামী। তখন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পি কে হালদারকে নিয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি।

বিক্রম দোরাইস্বামী জানান, বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতেই ভারতের সংশ্লিষ্ট সংস্থা পি কে হালদারকে গ্রেপ্তার করেছে। তাকে গ্রেপ্তার করার কথা ভারত কি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে জানিয়েছিল? ভারতের হাইকমিশনার বলেছেন, ‘আমরা জানিয়েছি। এটি আমাদের দুই দেশের সরকারের মধ্যে মিউচুয়াল লিগ্যাল চুক্তির আওতায় স্বাভাবিক সহযোগিতার অংশ।’

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে পি কে হালদারকে নিয়ে আলোচনা হয়েছে কি না সে বিষয়ে বিক্রম দোরাইস্বামী বলেন, তাঁর বিষয়ে কথা হয়েছে। এরপর তিনি জানান, ‘দুই দেশের অপরাধীদের মোকাবিলার জন্য পারস্পরিক আইনি‌ সহায়তাসহ নানা ধরনের কাঠামো রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ভারতের সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে তথ্য দিয়েছে। ভারতীয় সংস্থা ওই তথ্য যাচাইয়ের পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে।’ 

বাংলাদেশ দ্রুত পি কে হালদারকে দেশে ফেরাতে চায়। কিন্তু সেটা কি সম্ভব? বাংলাদেশ কি তাকে ফেরত আনার জন্য ভারতের কাছে অনুরোধ করেছে? এই প্রসঙ্গে ভারতের হাইকমিশনার বলেন, ‘এটি একটি আইনি প্রক্রিয়ার বিষয়। গত সপ্তাহে ছুটির দিনে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের কাছে যা তথ্য আছে, তার ভিত্তিতে একটা সময় বাংলাদেশকে জানানো হবে। বুঝতে হবে এটি কিন্তু বড়দিনের
কার্ড বিনিময় নয়। আমি মনে করি, এ ধরনের বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়,‌ সেটি আস্তে আস্তে হতে দিন। এ নিয়ে আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করছি।’ 

কয়েক হাজার টাকা আত্মসাত ও পাচার করে পলাতক ছিলেন এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক ও রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেডের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রশান্ত কুমার হালদার ওরফে পি কে হালদার। ২০১৯ সালে তিনি ভারতে পালিয়ে যান। যদিও এতদিন ধারণা করা হচ্ছিল তিনি কানাডায় আছেন। গত শনিবার (১৪ মে) কলকাতায় তাঁকে গ্রেপ্তার করে ভারতের কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রণালয়ের
তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। সেখানে তাঁর ও তাঁর সহযোগীদের বিপুল সম্পদের খোঁজ পাওয়া গেছে।