নাইজারে সন্দেহভাজন হামলায় নিহত ১৩৭
নাইজারে সন্দেহভাজন জিহাদিদের হত্যাকাণ্ডে বহুলোক নিহত হয়েছেন। এতে ব্যাপক নিরাপত্তা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হতে হচ্ছে দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বাজৌমকে।
সোমবার পশ্চিম আফ্রিকার দেশটির মুখপাত্র জাকারিয়া আবদুর রহমানে বলেন, রোববার মালি সীমান্তে নাইজারের কয়েকটি গ্রামে হামলায় ১৩৭ জন নিহত হয়েছেন।
সরকারি টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, এখন বেসামরিক লোকজনকে হত্যাকাণ্ডের শিকারে পরিণত করা হচ্ছে। সশস্ত্র দস্যুরা তাদের অভিযানকে আরও নৃশংসতা ও বিভৎসতার দিকে নিয়ে গেছে।
মঙ্গলবার থেকে দেশটিতে তিন দিনের জাতীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। আক্রান্ত অঞ্চলটিতে সরকার নিরাপত্তাব্যবস্থা আরও জোরদার করবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন।
জাকারিয়া আবদুর রহমানে বলেন, এই কাপুরোষিত ও অপরাধী কর্মকাণ্ড যারা সংঘটিত করেছে, তাদের শাস্তির আওতায় নিয়ে আসা হবে।
স্থানীয় কর্মকর্তারা বলেন, রোববার বন্দুকধারীরা মোটরবাইকযোগে ইন্তাজায়ান, বাকোরাত ও উইসটেন গ্রামে এসে হামলা চালায়। তারা সামনে যা কিছু নড়তে দেখেছে, তার ওপরই গুলি চালিয়েছে।
সোমবার সকালে নিহতের সংখ্যা ৬০ বলা হলেও এখন তা বেড়ে ১৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে।
নাইজারে জিহাদিদের এটিই এযাবতকালের সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা। গেল এক সপ্তাহে মালি-নাইজার সীমান্তে প্রাণহানির সংখ্যা দাঁড়াল ২৩৬ জনে।
জাতিসংঘের উন্নয়ন সূচকের ১৮৯ দেশের মধ্যে বিশ্বের দরিদ্রতম দেশ নাইজার। মালি ও নাইজার সীমান্তে অধিবাসীদের জিহাদিদের হামলার ভয়ে তটস্থ থাকতে হচ্ছে।
জিহাদিদের হামলায় সাবেক এই ফরাসি উপনিবেশে এখন পর্যন্ত শত শত মানুষ নিহত হয়েছেন। আর লাখ লাখ লোককে তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে হয়েছে।