শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
জাতীয়

লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন 19 মে 2022, 10:53 দুপুর 195 বার পঠিত
লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। আজ এটার দাম বাড়ছে তো কাল ওটার। রমজানের চেয়ে এখন নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার প্রবণতা বেশি দেখা যাচ্ছে।  

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) রাজধানীর বাজারের ৩২ ধরনের খাদ্যপণ্যের দামের হিসাব রাখে। গত একমাসে তাদের দেওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে এই সময়ে ৩২টি খাদ্যপণ্যের মধ্যে ১৯টির দাম বেড়েছে। মাত্র একটির দাম কমেছে। স্থিতিশীল রয়েছে ১২টির দাম।

টিসিবির তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে মোটা চাল, আটা, ময়দা, সয়াবিন, পাম অয়েল, মসুর ডাল, ছোলা, আলু, পেঁয়াজ, রসুন, শুকনা মরিচ, হলুদ, আদা, জিরা, তেজপাতা, গুড়া দুধ, চিনি ও ডিমের দাম বেড়েছে। কমেছে ব্রয়লার মুরগির দাম। তাও কেজিতে ৫ টাকা। 

টিসিবি যেগেুলোর দাম স্থিতিশীল বলছে সেগুলো হলো মুগডাল, অ্যাংকার ডাল, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচ, ধনিয়া, রুই মাছ, ইলিশ মাছ, গরুর মাংস, খাসির মাংস, খেজুর ও লবণ। 

এক মাস আগেও পেঁয়াজের দাম ছিল ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি। এখন তা বাজারভেদে ৩৫ থেকে ৪৫ টাকা। ৩৫-৩৮ টাকার খোলা আটা বিক্রি হচ্ছে ৪২-৪৫ টাকায়। ৪৮-৫৫ টাকার মধ্যে ছিল যে ময়দা তা এখন ৬২ থেকে ৬৫ টাকা।  

সয়াবিন তেলের তো কথাই নেই। সরকার নির্ধারিত দাম ১৯৮ টাকা লিটার। কিন্তু বাজারে এখনো সুলভ না এই তেল। খুব কম মানুষই ন্যায্য দামে সয়াবিন তেল কিনতে পারছেন। ২১০-২১০ টাকা লিটারও নেওয়া হচ্ছে দাম। পাম অয়েলের দামও লিটারে ৪০ টাকা বাড়তি। 

দেশি রসুনের দাম দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। আমদানি করা রসুনের দামও বেড়েছে। সেটা এখন ১৫০ টাকার কমে মিলছে না। ১৬ থেকে ২০টা ছিল আলু। সেটাও কিছুটা বেড়ে ১৮ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

মসুর ডালের দাম বেড়েছে বলার মতো। এক সপ্তাহ আগেও মোটা দানার মসুর ডাল রাজধানীতে বিক্রি হচ্ছিল ১০০ থেকে ১০৫ টাকায়। টিসিবির তখ্য অনুযায়ী, সেটি বুধবার বিক্রি হয়েছে ১০৫ থেকে ১১৫ টাকায়। তার মানে ৭ দিনের ব্যবধানে কেজিতে ৫ থেকে ১০ টাকা বেড়েছে এই ডালের দাম। 

এক সপ্তাহ আগে সরু দানার মসুর ডালের দাম ছিল ১৩০ টাকা। ৫ টাকা বেড়ে এখন তা ১৩৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি দানার ডালের দামও কেজিতে ৫ টাকা বেড়েছে। টিসিবি বলছে এটা তাদের হিসাব। কিন্তু বাস্তবতা হলো, বাজারে গেলে দেখা যাচ্ছে দাম এর চেয়েও বেশি।