বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
জাতীয়

জুলাই চার্টারের ওপর নির্ভর করছে জাতীয় নির্বাচন : প্রেস সচিব

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন 15 ফেব্রুয়ারি 2025, 04:01 দুপুর 256 বার পঠিত
জুলাই চার্টারের ওপর নির্ভর করছে জাতীয় নির্বাচন : প্রেস সচিব

জাতীয় নির্বাচন কবে হবে তা জুলাই চার্টারের ওপর নির্ভর করবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘‘জুলাই চার্টারের ওপর নির্ভর করবে আমাদের নির্বাচনটা কবে হবে।’’

শফিকুল আলম আরও বলেন, ‘‘এরই মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আমরা হয়তো কিছু সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে পারব। আর পরে যে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসবে তারা বাকিগুলো বাস্তবায়ন করবে।’’

আজ শনিবার ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমির সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শফিকুল আলম। তিনি জানান, ছয়টি সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা হবে। রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছালে তারা জুলাই চার্টারে স্বাক্ষর করবে, যা ভবিষ্যৎ নির্বাচন ও গণতান্ত্রিক রূপান্তরের রূপরেখা নির্ধারণ করবে।

সংস্কার কমিশনের অনেক সুপারিশ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই বাস্তবায়ন সম্ভব বলে মনে করেন প্রেস সচিব। তবে যেসব ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ঐকমত্য প্রয়োজন, সেগুলো নিয়ে কমিশন আলোচনা করবে। 

আজকের সংলাপের মাধ্যমে রাজনৈতিক সমাধান ও ডেমোক্রেটিক ট্রানজিশনের পথ সুগম করার লক্ষ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানান শফিকুল আলম।

বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বক্তব্য দেবেন বলে জানা গেছে।

গত বুধবার সরকার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে সভাপতি করে সাত সদস্যের জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করে। সংবিধান সংস্কার কমিশনের প্রধান অধ্যাপক আলী রীয়াজকে সহসভাপতি করা হয়েছে।

কমিশনের অন্যান্য সদস্যরা হলেন:
১। জনপ্রশাসন সংস্কার কমিশনের প্রধান আব্দুল মুয়ীদ চৌধুরী
২। পুলিশ সংস্কার কমিশনের প্রধান সফররাজ হোসেন
৩। নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান বদিউল আলম মজুমদার
৪। বিচার বিভাগ সংস্কার কমিশনের প্রধান বিচারপতি এমদাদুল হক
৫। দুর্নীতি দমন কমিশন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. ইফতেখারুজ্জামান

বৈঠকে আগামী নির্বাচন সামনে রেখে নির্বাচনব্যবস্থা, পুলিশ, বিচার বিভাগ, জনপ্রশাসন, সংবিধান ও দুর্নীতি দমন সংক্রান্ত সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশগুলো বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি জাতীয় ঐকমত্য গঠনের জন্য রাজনৈতিক দল ও শক্তিগুলোর সঙ্গে আলোচনা চলবে।