চিরচেনা রূপে ফিরেছে ঈদ
মেঘ করেছিল আগেই। শঙ্কা ছিল যখন তখন বৃষ্টি নামার। কিন্তু রাজধানীর জাতীয় ঈদগাহে দুই বছর পর ফেরা ঈদের জামাতে বৃষ্টির বাগড়া পড়েনি। সকাল পৌনে ৯টায় ঈদের জামাত শেষ হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার সারাদেশে ঈদুল ফিতর পালিত হচ্ছে। হাইকোর্টের ঈদগাহ ময়দানে ৩৫ হাজার ধারণক্ষমতার মাঠ সাজানো হয়েছিল আগের বছরগুলোর চেয়ে আরো ভালোভাবে। ঈদের জামাত ফিরছে বলে কথা। গোটা মাঠ পরিপূর্ণ হয়ে সড়কে গিয়ে পড়ে জামাত। সেখানে নামাজ আদায় করেন অনেক মানুষ।
ঢাকার জাতীয় ঈদগাহে নামাজ পড়ান জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের খতিব মুফতি মোহাম্মদ রুহুল আমিন। তিনি তার বক্তব্যে সবাইকে উস্কানিমূলক বক্তব্য পরিহার করার আহ্বান করেন। সব ধর্মের মানুষ যাতে সম্প্রীতি নিয়ে বসবাস করতে পারেন সেই দুয়া করেন।
গত দুইটি বছর করোনাভাইরাসের কারণে ঈদ জামাত বন্ধ ছিল। মানুষের জন্য ঈদের দিনটা তাই দম আটকে যাওয়া অনুভূতির ছিল। এবার ঢাকার অসংখ্য মানুষ এই যে ঈদগাহের জামাতে শরিক হতে পারলেন তাতে তাদের খুশির সীমা নেই।
মহামারীর কারণে ঈদে কোলাকুলি করতেও ছিল মানা। না হাতে হাত মেলানোর উপায় ছিল। এবারের ঈদ যেন চিরচেনা রূপে ফিরেছে। পুরনো আনন্দ ফিরিয়ে এনেছে। মানুষ তাই ঈদের নামাজ আদায় করার পর মেতেছেন কোলাকুলিতে, হাতে হাত মেলানোয়।
জাতীয় ঈদগাহে সকাল সাড়ে ৮টায় ছিল ঈদের জামাত। তার আগে থেকে আকাশে মেঘের উড়াউড়ি। কখনো মনে হচ্ছিল এই বুঝি নেমে পড়ে বৃষ্টি। কিন্তু পবিত্র এই দিনে হাজার হাজার মানুষ কোনো ভোগান্তিতে পড়েননি।