বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ONP24
ব্রেকিং
জাতীয়

ছাত্রাবাস বন্ধ করতে বলে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অবরুদ্ধ

মোহাম্মদ খাইরুল আমিন 19 এপ্রিল 2022, 05:04 বিকাল 319 বার পঠিত
ছাত্রাবাস বন্ধ করতে বলে ঢাকা কলেজের অধ্যক্ষ অবরুদ্ধ

নিউ মার্কেটের সংঘর্ষ বন্ধ করতে ঢাকা কলেজের হলগুলো বন্ধের ঘোষণা দিয়েছিল কলেজ কর্তৃপক্ষ। ছাত্রদের হল খালি করার নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু মারমুখী শিক্ষার্থীরা তা মানছেন না। তারা উল্টো এই সিদ্ধান্তের কারণে কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের ওপর খেপেছেন। 

মঙ্গলবার দুপুরে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেন এক বিজ্ঞপ্তিতে বিকেলের মধ্যে ছাত্রদের হল খালি করার নির্দেশ দেন। কিন্তু এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এটিএম মইনুল হোসেনকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে হল বন্ধের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন।

ঢাকা কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ এ টি এম মইনুল হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ‘ঢাকা কলেজের সকল আবাসিক শিক্ষার্থীকে জানানো যাচ্ছে যে, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অদ্য ১৯ এপ্রিল ২০২২ মঙ্গলবার থেকে ৫ মে ২০২২ তারিখ বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঢাকা কলেজের হলসমূহ বন্ধ ঘোষণা করা হলো। অদ্য মঙ্গলবার বিকালের মধ্যে ছাত্রাবাস খালি করার নির্দেশ দেওয়া হল।’

এদিকে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য সেখানে গিয়ে বলেন, হল বন্ধ করে দেওয়া কোনো সমাধান নয়। প্রয়োজনে মার্কেট বন্ধ হবে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল নয়।

এতে করে পরিস্থিতি নতুন একদিকে মোড় নিল। 

প্রসঙ্গত, সোমবার মধ্যরাতে প্রথম নিউ মার্কেটের দোকান কর্মচারীদের সঙ্গে পার্শবর্তী ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ বাধে। রাত ১২টার দিকে এর শুরু। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলে। শেষে আড়াইটার দিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। 

জানা যায়, নিউ মার্কেটের এক ফাস্ট ফুডের দোকানে খাবার খেয়ে টাকা না দিয়ে কয়েক ছাত্র চলে  আসছিলেন। এ নিয়ে দোকানীর সঙ্গে তাদের ঝামেলা হয়। সেটা পরে ছড়িয়ে পড়ে। ওখান থেকে সংঘর্ষের সূত্রপাত। মিরপুর সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাস্তায় টায়ার কাঠসহ বিভিন্ন কিছু পোড়ানো হয়। দুই পক্ষের মধ্যে বৃষ্টির মত ঢিল ছোড়াছুড়ি চলে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার শেল ছোড়ে। ঘটনাস্থলে বাড়তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসলেও সকাল থেকে সেই সংঘর্ষের জেরে মারামারি চলছিল দফায় দফায়। পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপের দিকে যাচ্ছিল।